ইমরুল হাসান @imrultelegram Channel on Telegram

ইমরুল হাসান

@imrultelegram


রাইটিংস

ইমরুল হাসান (Bengali)

ইমরুল হাসান নামক টেলিগ্রাম চ্যানেলটি 'বাংলাদেশের রাইটারস' সম্পর্কে আপনাদের জানাচ্ছে। এই চ্যানেলে আমরা বিভিন্ন ধরনের লেখা শেয়ার করি, যাতে পড়ার ইচ্ছুক মানুষরা তাদের মধ্যে অভিনীত হতে পারেন। এই চ্যানেলে 'রাইটিংস' নামে পোস্ট করা হয়, যা বাংলাদেশের শীর্ষ লেখক ও লেখিকাদের মতামত, রচনা, কবিতা, গল্প, নাটক, প্রবন্ধ ইত্যাদি সহ অন্যান্য প্রকারের রচনা থাকে। চ্যানেলটির নাম 'ইমরুল হাসান' এবং ইউজারনেম 'imrultelegram'। তাহলে এটি একটি অসাধারণ চ্যানেল যেখানে আপনি বাংলাদেশের প্রমুখ লেখকদের রচনা পাবেন এবং নতুন লেখক হিসেবে আপনার লেখা শেয়ার করতে পারবেন।

ইমরুল হাসান

06 Feb, 15:37


সাহিত্য কইরা লেখতে পারাটাই আমাদের দেশে ভালো-সাংবাদিকতা হয়া আছে, যেইরকম সুন্দর কইরা ডিস্ক্রিপশন লেখতে পারাটা হয়া আছে ভালো-সাহিত্য, বা অনেক আন-কমন ডিকশনারি-ওয়ার্ড লেখতে পারাটা হয়া আছে ভালো-কবিতা… এইরকম; এইসব কারনে সাংবাদিকতার জায়গাটা অনেকেই টের পান না বইলা আমার ধারনা

গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় মাহমুদুর রহমানের আমার দেশ পত্রিকায় ছাপানো বিচারপতির স্কাইপি কনভারসেশনের ধারে-কাছে যাওয়ার কোন ঘটনা আমার ধারনা আমার মতো অনেকেই মনে করতে পারবেন না! অথচ সেইটারে ট্যাবু ঘটনা বানায়া রাখা হইছে, এইরকম একটা গ্রাউন্ড-ব্রেকিং জার্নালাজিমের জন্য মাহমুদুর রহমানরে খালি পলিটিকালি সাফারই করতে হয় নাই, বরং কাজটা ‘অ-সাংবাদিক সুলভ’ ঘটনা বইলা এস্টাবলিশ কইরা ছাড়ছে বাল-রেজিমের পা-চাটা কুত্তাগুলা! (এখনো সেইটার কন্টিনিউশনই চলতেছে বাংলাদেশের নিউজ মিডিয়ায়)

মানে, স্কাইপির নিউজ ছাপানো যদি ‘অ-সাংবাদিকতা’ হয়, তাইলে ওয়াটার-গেট কেলেংকারি কি!... অথচ, বাংলাদেশের বিচার-ব্যবস্থার আজকের যেই ভয়াবহ অবস্থা, এর মেইন কারন হইতেছে অই কেলেংকারি'রে ‘নরমাল’ কইরা তোলা, কোন বিচার না হওয়া!

বাংলাদেশের সাংবাদিকতারও এইরকমের ভয়াবহ ও করুন হয়া উঠার কারন হইতেছে মাহমুদুর রহমানের অই জার্নালিস্টিক এপ্রোচটারে এডমায়ার না করতে পারা, ভালো ও দরকারি সাংবাদিকতা হিসাবে রিকগনাইজ করতে পারা!

তো, এইগুলা থিকা খুব তাড়াতাড়ি আমরা বাইর হইতে পারবো - এইরকম আশা আমি করি না, কিনতু কেউ কেউ জায়গাগুলারে রিভিউ করার, নোটিশ করার সাহসটা করতে পারবেন - এই এক্সপেক্টশন না থাকলে তো ফেইসবুকে পোস্ট লেইখা ‘সময় নষ্ট’ও করতাম না :)

ইমরুল হাসান

06 Feb, 13:22


আমি শিওর না, এই ‘রাজাকার'দের গবমেন্টের কাছ থিকা মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জন্য) পুরষ্কার নিতে নিজেরে রাজি করাইতে পারবেন কিনা… মানে, পলিটিকালি উনার পজিশন মেবি কিছুটা ডিসটেন্টই হওয়ার কথা, কিনতু এইটাই আসলে বিউটি'টা পিপলস রেজিমের, যে পলিটিকালি পা না চাইটাও সরকারি প্রাইজ পাওয়াটা নরমাল একটা ঘটনা হইতে পারে তখন

হুমায়ূন আহমেদেরও মেবি একটু অস্বস্তি লাগার কথা, খালেদা জিয়ার কাছ থিকা রাষ্ট্রিয় অনুদান নিয়া মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা বানাইতে, কিনতু কোন সেন্সরশিপ ছাড়াই বানাইতে পারছেন তো! আলমগীর কবির'রাও সিনেমা বানাইছেন জিয়াউর রহমানের সময়ে কোন পলিটিকাল এফিলিয়েশন বা ইন্টারভেনশন ছাড়া… তো, এইগুলা হইতেছে ডেমোক্রেসির সুবিধা

ডেমোক্রেসি থাকলে, পিপলস রেজিম থাকলে নিজেদের কাজগুলা মানুশ-জন নিজেদের মতো করতে পারবে সব সেক্টরেই, আর গবমেন্টও পলিটিকাল সাবমিশনটারেই প্রাইজ দেয়ার একমাত্র ক্রাইটেরিয়া কইরা তুলতে পারবে না, যেই জিনিসগুলা আমরা ‘নরমাল’ হিসাবে ধইরাই নিছিলাম গত ১৫-২০ বছর ধইরা! তো, অইটা নরমাল না, নরমাল বরং এইগুলা…

ইমরুল হাসান

05 Feb, 18:32


বাংলাদেশ ইনডিয়ার উপ্রে ইকনোমিকালি এতোটা ডিপেন্ডেড না, উল্টা ইনডিয়ার জন্য বাংলাদেশের মার্কেট জরুরি; জিওগ্রাফিকালিও যদি বলেন, ইনডিয়ার কোন পোর্টের দরকার নাই বাংলাদেশের, বরং বাংলাদেশের জিওগ্রাফিকাল একসেস দরকার ইনডিয়ার, কিছু প্রদেশে যাওয়া-আসা করার লাইগা… 

মানে, ইকনোমিকালি ও জিওগ্রাফিকালি বাংলাদেশ তো ইনডিয়ার উপ্রে ডিপেন্ডেড না! বরং ইনডিয়ার অনেক সুযোগ-সুবিধার দরকার বাংলাদেশের কাছ থিকা! তারপরও ইনডিয়া একটা আপার-হ্যান্ড পজিশনে থাকে সবসময়, কেন?

একটা বড় রাষ্ট্র হওয়ার বাইরেও, বাংলাদেশের কালচারাল, ইনটেলেকচুয়াল ও এডমিনেস্ট্রেটিভ জায়গাগুলা অনেক বেশি প্রো-ইনডিয়ান, মানে, ইনডিয়া যে ভালো :) [মুক্তিযুদ্ধে হেল্প করছিল] এবং বাংলাদেশ যে গ্রেটার স্কেলে ইনডিয়ান আইডেন্টিটির অংশ… এইসব জিনিস হইতেছে ঘটনা, এবং এতোটাই বড় ঘটনা যে, ইনডিয়া যে বাংলাদেশের উপর অনেক দিক দিয়া ডিপেন্ডেড - অই জায়গাগুলারে এক রকম ইনভিজিবলই কইরা রাখে! 

ইমরুল হাসান

05 Feb, 16:29


সময় মতো মারা না গেলে, মোটামুটি সব জাতিয়তাবাদি নেতা-ই ডিক্টেটর হয়া উঠছেন (নর্থ কোরিয়ায় কিম ইল সুং, লিবিয়ায় গাদ্দাফি…), এমনকি অল্প সময়ের মধ্যে মারা যাইতে পারলেও তার আগেই কিছুটা কন্ট্রোভার্সিয়াল হয়া উঠতে পারছেন, যেমন, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী… তবে নেলসন মেন্ডেলা মেবি একটা একসপেশন, মানে, এইরকমও কিছুটা খুঁইজা পাওয়া যাবে, কিনতু ওভারঅল ট্রেন্ড যদি দেখেন, ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে, জাতিয়তাবাদি নেতারা নতুন রাষ্ট্র তৈরি করার পরে সেই রাষ্ট্রের আব্বা হইতে গিয়া ডিক্টেটর হয়া উঠছেন, এবং শেখ মুজিবুর রহমানের বেপারে এই জায়গাটারে ইগনোরই করা হয়

মানে, আমি বলতে চাইতেছি, জাতিয়তাবাদি লিডার'রা নতুন রাষ্ট্র তৈরি করার পরে কেন সেই রাষ্ট্র’টারে তাদের পারিবারিক সম্পত্তি মনে করছেন? - এই জায়গাটা নিয়া আমাদের কনশাস হইতে পারলে ভালো…

পয়লা কথা হইতেছে, ন্যাশনালিজম যে কলোনিয়ালিজমেরই একটা আউটকাম এবং এরই একটা এক্সটেনশন - এই জায়গাটারে এক্সপ্লোর করতে রাজি হওয়া; মানে, ন্যাশনালিস্ট হওয়া মানে কলোনিয়ালিজম থিকা মুক্তি পাওয়া না, বরং এরই একটা ধারাবাহিকতারে ধইরা রাখা, যেইখানে একটা সুপ্রিমেসি থাকা লাগে, জাতির আব্বা লাগে, এবং যারে আব্বা বানানো হয়, সে খালি প্যাটির্য়াকই না, ডিক্টেটর হওয়ার লাইসেন্স তার হাতে তুইলা দেয়া হয়… এইটা হইতে রাজি হন নাই, এইরকম লোক রেয়ার 

কিনতু তাই বইলা দোষটা ন্যাশনালিজমের না, বা অই সময়ের দোষ না, পারসন হিসাবে যেইসব মানুশ-জন ছিলেন উনারাও অই জায়গাগুলাতে যাইতে রাজি হওয়ারও ঘটনা, ইতিহাসের দায়মুক্তির মতো বেক্তির দায়মুক্তিও আমরা দিতে পারি না! বরং জাতিয়তাবাদি নেতাদেরকে ওরশিপ করা বা পূজা করার জায়গা থিকা সরতে পারাটা জরুরি আমাদের… 

শেখ মুজিবুর রহমান খালি একজন জাতিয়তাবাদি লিডার হিসাবেই খারাপ না, উনি যেই খারাপ-কাজগুলা করছেন সেই কারনেই উনারে ডিজ-অউন করতে পারা দরকার আমাদের! এমন রাষ্ট্র-কল্পনার জায়গা থিকাও সরতে পারাটা জরুরি যেইটা একটা জাতিয়তাবাদি প্রজেক্ট হয়া উঠে, আর সেইটা থিকা সরতে পারলেই জায়গাগুলারে ক্লিয়ারলি দেখতে পারা পসিবল আমাদের পক্ষে…

আমি বলতে চাইতেছি, সার্টেন হিস্ট্রিকাল টাইমের লিডার ছিলেন বইলা শেখ মুজিবুর রহমানর ডিক্টেটর হয়া উঠেন নাই, বরং এজ আ লিডার এইটা উনার পারসোনাল চয়েসেরও ঘটনা, যেইটার ট্রেইল উনার পুরা পলিটিকাল ক্যারিয়ারেই আমাদের খুঁইজা পাওয়ার কথা; মানে, উনি একটা সময়ে ভালো ছিলেন, পরে খারাপ হয়া গেছেন :) এইরকম না! 

অবভিয়াসলি, উনার একটা জাতিয়তাবাদি স্ট্যান্ড ছিল, যেইটা পাকিস্তানি জাতিয়তাবাদ থিকা বাঙালি জাতিয়তাবাদে ট্রাভেল করছিল… উনি হয়তো বাঙালি হয়াই পাকিস্তানি থাকতে চাইছেন, বা পাকিস্তানে থাইকাই বাঙালি হইতে চাইছেন - কিনতু জাতিয়াতাবাদি পজিশন থিকা কখনোই সরেন নাই! যার ফলে, নেশনালিজমের যে ইনহেরিয়েট প্রবলেম সেইটা উনি ক্যারি করছেন, এবং যখন ‘জাতির জন্ম’ দিতে পারছেন, তার আব্বা হয়া উঠছেন…

এখন এইটারে শুধুমাত্র রেটরিক হিসাবে রিড করার উপায় নাই আসলে, মানে, হইতে পারে যে রেটরিকের ভিতর দিয়া আমরা ঘটনাগুলার লগে কানেক্ট করি, কিনতু তাই বইলা রেটরিকগুলা নাই হয়া যায় না বুঝার পরে, বরং ব্রিজ হিসাবে সবসময় থাকে, খালি অন্যদের আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ে না, আমাদের একশনের ব্যাকগ্রাউন্ড হিসাবেও 

তো, শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে ডিক্টেটর হয়া উঠাটা সহজ হইছিল - জাতিয়তাবাদি রাজনীতি ও  রেটরিক’টা ব্রাকগ্রাউন্ড হিসাবে ছিল বইলা, যেইটা আন-ফরচুনেটলি আমরা এখনো ক্যারি করতেছি, যেই কারনে দুইটা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে কিনতু একই কারনে তার ক্রাইমগুলারে ‘ভুল’ হিসাবে মাইনা নেয়ার বা ইগনোর করার ঘটনাগুলা ঘটতে পারে… 

ইমরুল হাসান

05 Feb, 13:45


৩২ নাম্বারের বাড়ির ইতিহাস :)

"দুর্নীতি নির্মূল করার জাঁকালো ঘোষণা সত্ত্বেও, আওয়ামী লীগের নেতারা এবং সরকারে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা এমন প্রবল উৎসাহে দুর্নীতিমূলক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লেন, যা ১৯৪৭-এর পর থেকে, মুসলিম লীগ রাজত্বে হোক বা আবু হোসেন সরকার মন্ত্রিসভার সময়ে হোক, কখনো পূর্ব পাকিস্তানে দেখা যায়নি। শেখ মুজিবুর রহমান, দুর্নীতি দমনমন্ত্রী হয়েও, খুবই অশোভনভাবে স্বয়ং দুর্নীতিতে মদত দিয়েছিলেন এবং সংক্ষিপ্ততম সময়ের মধ্যে যথেষ্ট অর্থসম্পদ রোজগার করেছিলেন। অচিরেই তিনি ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় একটা বড় বাড়ি তৈরি করেছিলেন এবং সেটা আদতে, দুর্নীতির এক স্মারক। অল্প সময়ের মধ্যে, এই এলাকাটি আওয়ামী লীগ কলোনীতে পরিণত হয়। আওয়ামী লীগের প্রায় সকল নেতাই সেখানে বাড়ি তৈরি করে উঠে গিয়েছিলেন।"

/বদরুদ্দীন উমর
বাংলাদেশের অভ্যুদয়, ১ম খন্ড
পূর্ব পাকিস্তানের ইতিহাস ১৯৪৭ - ১৯৫৮ (২০২২)
পেইজ ৩৮১

ইমরুল হাসান

04 Feb, 10:56


বাংলাদেশে জমিদার বা ফিউডাল লর্ড দুইজন - শেখ মুজিবুর রহমান আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আর বাম'রা হইতেছে এই জমিদারদের পোলা-মাইয়া :)

মানে, ইমোজি দিছি বইলা ফান কইরা বলতেছি না এই কথা! পলিটিকালি বাংলাদেশরে তো মুজিবের জমিদারিই বানানো হইছিল - মুজিবল্যান্ড বা মুজিবের-জমিদারি লেখা-ই হইতো অফিসিয়ালি! তবে এর বাইরেও, তার মধ্যে ফিউডালিজম পুরাপুরি ছিল, আগে একবার বলতেছিলাম, উনি যে সবাইরে তুই-তুকারি করতেন এইটা সবসময় ভালোবাসার বা মায়ার ডাক ছিল না, জমিদারি'র ডাকও ছিল সেইটা, যে, আমার লোক, আমার পাইক-পেয়দা-প্রজা এরা! তো, এই পাইক-পেয়াদা-প্রজারা ‘আধুনিক’ হইলেও অই জমিদারিরে মাইনা নিতে রাজি আছেন সবসময়…

আর রবীন্দ্রনাথরে যে মহা-মানব ও পবিত্র বানায়া রাখা হয়, অইটা খালি উনার স্পিরিচুয়ালি না, বরং অই স্পিরিচুয়ালিটি যে ‘মহান’ এবং ‘সুউচ্চ’ একটা জিনিস সেইটা কালচারাল জমিদারিরই ঘটনা, এবং অই জমিদারিতে সাবস্ক্রাইব করতে পারলে নিজেদেরকেও জমিদারের পোলা মাইয়া মনে হইতে পারে নিজেদেরকে; বাম-রাজনীতি করার কালচারাল সুপিরিয়রিটির লগে এইটা খুবই এসোসিয়েটেড একটা ঘটনা; যে, আমরা তো একটু বেশি বুঝি, আমাদের টাকা-পয়সা যেমনই থাকুক আমাদের কালচারাল ইসটেনডার্ড তো একটু উঁচা! কারন আমরা রবীন্দ্র-কালচারের পাইক পেয়াদা ও প্রজা…

এই দুইটা (পলিটিকাল ও কালচারাল) জমিদারি থিকা আমাদের বাইর হইতে পারাটা জরুরি! যদি আমরা সত্যিকার অর্থেই নিজেদের জন্য নতুন একটা ফিউচার তৈরি করতে চাই; মানে, জিনিসগুলারে অনেক বেশি দূরের ঘটনা মনে হইতে পারে, কিনতু এতোটা দূরের জিনিস না আসলে…

যদি এই দুইটা ইমেজ পূজার জায়গা থিকা সরতে পারেন, আমি মনে করি অনেক কিছুই দেখতে পারার ভিতরে আসতে পারবেন অনেকে; এই দুইজনরে দিয়া অনেক কিছু দেখতে চাই বইলাই অনেক কিছু দেখতে পাই না আমরা… এইটা একটা মেন্টাল জেলখানা, আমাদের কালচারাল এস্টাবলিশমেন্টেরও গোড়া

ইমরুল হাসান

04 Feb, 07:44


১. একটা পলিটিকাল মার্সেনারি গ্রুপ অবশ্যই আছে, যাদের কাছে পলিটিকস-করা একটা পেশা, একটা ইনকাম সোর্স... এই মার্সেনারি গ্রুপটা ছাড়া কোন পলিটিকাল পার্টিই বাংলাদেশে 'বড় দল' হইতে পারবে না - এইটা পলিটিকাল সিসটেমের একটা ইন্ট্রিগ্রাল ঘটনা, এইটারে অস্বীকার করার বা এড়ানোর কোন উপায় নাই, এইটা আছে...

২. কিনতু এইটা আলাদা-ভাবে একটা পার্ট হিসাবে এগজিস্ট করে না, এইটা বরং হইতেছে এখনকার যে সরকারি-ব্যবস্থা, সেইটারই একটা এক্সটেন্ডেড হ্যান্ড! থানা-পুলিশ আইন-আদালত, সরকারি অফিস 'ম্যানেজ' করার জন্য এই পলিটিকাল লিডারদেরকে আপনার-আমার দরকার, মানে, মিডল-ক্লাসের লোকজনের যেই ভায়া পলিটিকাল-লিডার সরকারি-অফিস ম্যানেজ করতে হয় - এইটা ঝামেলার, কিনতু গরিবের এইটা ছাড়া কোন উপায়-ই নাই! চাঁদাবাজি বন্ধ হইলে, দুর্নীতি না থাকলে অনেক পলিটিকাল লিডারই খালি না-খায়া থাকবে না, অনেক সরকারি চাকরি করা লোকজনেরও বিপদে পড়তে হবে! দুইটা জিনিস তো খুবই ক্লোজলি রিলেটড!

৩. তো, এই লিংকটা নিয়া কোন কথা নাই কেন? আই গেইস, পলিটিকাল লিডারদেরকে আমরা - মিডলক্লাস ও মিডিয়া যতটা গাল্লাইতে পারি ততটা সরকারি-লোকজনের নাম নিতে পারি না, বেশি ভয় পাই :) (পিয়ন ড্রাইভারদের নাম নিতে পারি অবশ্য) কারন উনারা মোটামুটি আন-টাচেবলস, 'নাম নিলে চাকরি থাকবে না', এমনকি বেশিরভাগ কেইসে আমাদেরই কাছের লোকজনও, অই 'সহমর্মিতা'টাও একটা ঘটনা হওয়ার কথা...

ইমরুল হাসান

04 Feb, 04:56


সরকারি আমলা, পুলিশ, মিলিটারি ও মিডিয়ার উপর পিপলের নজরদারি কায়েম করেন! পিপলস অথরিটি কেমনে এস্টাবলিশ করা যায় - সেইটা নিয়া কথা বলেন! এইটা ছাড়া জুলাই আপ-রাইজিংয়ের কোন মিনিং নাই! 

এই দুইটা ঘটনা পড়তে পারেন - 

পোস্ট ১:
https://www.facebook.com/share/p/1K9iK4CWBf/


পোস্ট ২:
https://www.facebook.com/share/p/1BMXbfyAvz/

ইমরুল হাসান

04 Feb, 03:57


কিছুদিন বনিক বার্তা দেখতাম, হিস্ট্রি-টিস্ট্রি নিয়া ভালোই একটা কনসার্ন আছে উনাদের, দেইখা ভালো লাগতো, কিনতু পরে দেখলাম উনারা আনু মুহাম্মদ ও এম এম আকাশ'রে ফরহাদ মজহারের চাইতে বড় বুদ্দিজীবি মনে করেন :) আর এইভাবে আরো পুরানো থট-প্রসেসেই সাবস্ক্রাইব করেন!

যারা আসলে লিবারাল ডেমোক্রেসির এগেনেস্টে নিও-মার্কসিস্টদের চাইতে ওল্ড-মার্কসিস্টদের পজিশনটারে মোরালি সটিক বইলাই ভাবেন… আর এইভাবে এখনকার কালচারাল এস্টাবলিশমেন্টের একটা বি-টিমই হয়া থাকেন, পলিটিকালি

এইটা আমার এসেসমেন্ট গত ২-৩ মাসের; তো, এই কারনে ফলো করা বাদ দিলাম, ফিনানশিয়াল এক্সপ্রেসের দেখি কি অবস্থা…

ইমরুল হাসান

03 Feb, 17:06


কয়েকদিন আগে হিন্দু… ঐক্য পরিষদ একটা প্রেস কনফারেন্স কইরা জানাইছিল যে, অগাস্টের পর থিকা ‘সাম্প্রদায়িক হামলায়’ :) [এইটা মোটামুটি একটা মিডিয়া বাজ-ওয়ার্ডই] বাংলাদেশে ২৩ জন মারা গেছে; তো এইটা নিয়া চিফ এডভাইজারের প্রেস উইং আজকে জানাইছে যে, মোটামুটি সবগুলা ক্লেইমই ভুয়া! 

মানে, লোক তো মারা গেছে, কিনতু কেউ ‘সাম্প্রদায়িক হামলায়’ মারা যায় নাই, কারনগুলা আলাদা এবং স্পেসিফিকালি বলা হইছে; কিনতু এইটা মেইন ঘটনা না আসলে

যখন হিন্দু…ঐক্য পরিষদ এই জিনিস জানাইছে তখনই অনেকে বুইঝা যাওয়ার কথা যে এইগুলা ভুয়া, এবং এইগুলা বিশ্বাস করার মতো একটা অডিয়েন্সও মেবি আছে যাদেরকে এইটা ট্রিগার করতে পারবে! মানে, ঘটনা'টা সত্যি-কথা বলার না, বরং একটা ইস্যুরে ট্রিগার করা! আর সেইটাই উনারা করছেন!

এখন এই যে ভুয়া-কথাটা বললেন হিন্দু…পরিষদ, তারা এর জন্য মাফ চাইলেও তো লস নাই, পারপাস তো সার্ভ হইছে :) বা আরো ক্রুশিয়াল কোশ্চেন হইতেছে, তাদের এগেনেস্টে কি কোন আইনি ব্যবস্থা নেয়া যাবে? গেছে কি কখনো? 

দেখেন, বাকশালি-মিডিয়া এই কাজ ডেইলি ডেইলি করতেছে, ২-৪টা নিউজ প্রতিদিনই লোকেট করতে পারবেন এইরকম যেইখানে উস্কানিগুলা দেয়া হইতেছে নিউজের নামে… এবং এইগুলারে ফ্যাক্ট-চেকিং বা সত্য-কথা বলার মাধ্যমে লং-রানে তাদের ক্রেডিটিবিলিটি কমানো গেলেও, ঠেকানো যাবে না আসলে, কারন অই ক্রেডিটিবিলিটির দরকারও নাই তাদের! তাদের দরকারটা হইতেছে একটা ইমিডিয়েট কেওস তৈরি করা এবং ফিউচারের ভুয়া-রেফারেন্স তৈরি করা…

তো, আমার কথা হইতেছে সত্যি-কথা বা ট্রু-ফ্যাক্ট তুইলা ধরার ভিতর দিয়া এইটা বন্ধ করতে পারবেন না, বরং কিছু স্পেসিফিক একশন নিতে হবে নিউজ-আউটলেট ও অরগানাইজেশনগুলার বেপারে… জার্নালিস্ট ও রিলেটেড পার্টির সবার সাথে বইসাই ঠিক করেন সেইটা, কিনতু খালি সত্যি-কথা বলাটা, সিচুয়েশনটারে বদলাইতে পারবে না আর কি


https://www.facebook.com/share/p/15hvKHr9e2/

ইমরুল হাসান

03 Feb, 14:33


এতোদিন ধইরা আমি ভাবছি বা ধইরাই নিছি যে, যেইসব রাইটার ও কালচারাল পারসনদের কোন মেরুদন্ড নাই তাদেরকেই ধইরা ধইরা সরকারি প্রাইজগুলা দেয়া হয়, যারা সময়-সুযোগমত কাজে লাগবে, পলিটিকাল পারপাস সার্ভ করবে, মানে, এইটা তো মোটামুটি নিয়মই ছিল যে, শেখ মুজিবরে আব্বা ডাকা লাগবে বাকশালের আমলে পুরষ্কার-টুরস্কার নিতে হইলে…

কিনতু এইবারের বাংলা একাডেমির প্রাইজের পরে এইটাও বুঝতে পারছি যে, এইটা খালি সরকারের বা ক্ষমতার দিক থিকাই বাছাই করার ঘটনা না, রাইটার হিসাবেও যদি আপনি মেরুদন্ডহীন না হন, প্রাইজ নেয়ার জন্য একটু ঝুঁকতে রাজি না হইতে পারেন তাইলে আপনি অই পুরষ্কারগুলারও যোগ্য না আসলে! তো, ক্ষমতার সামনে ঝুঁকতে পারার যোগ্যতা উনাদের সবারই আছে, সলিমুল্লাহ খানেরও আছে, কিনতু উনি জাস্ট অইটা হাস্যরসের ভিতর দিয়া এড়াইতে চাইছেন 

সলিমুল্লাহ খান যেইটা করছেন সেইটা হইতেছে সূক্ষ চালাকি (বাটপারি বললাম না, কারন আমার ধারনা অইটা উনি বুইঝা নিতে পারলেও মানতে রাজি হবেন না), উনি যে ক্ষমতার কাছ থিকা প্রাইজ নিতেছেন - এইটা তো উনি জানেন, ক্ষমতার জায়গাটারে মাইনা নিয়া, একসেপ্ট কইরাই তো সেইটা করতেছেন! কিনতু দাবি করতেছেন যে, ক্ষমতার জায়গাটারে উনি সেলাম জানান নাই! এখন ভক্ত, সাগরেদদের জন্য তো এইসব চালাকি করতেই পারেন উনি, কিনতু এই চালাকি’টা বাজে ঘটনাই একটা…

ইমরুল হাসান

03 Feb, 08:16


বট-বাহিনি এবং ফ্যানাটিকদের মেইন ফাংশন হইতেছে লোকজনরে ডর দেখানো, যাতে সবাই কথা-বলা বন্ধ কইরা দেয়, কারন মানুশ-জনের কথা-বলাটারে তারা ডরায়… এখন যত কিছুই করা হোক, বট ও ফ্যানাটিকদের নাম্বার কখনোই খুব বেশি না, টাকা দিয়াও বেশিদিন এই অপারেশন রান করা পসিবল না, যদি রিটার্ন না আসে, মানে এইটা আন-লিমিটেড টাইমের জন্য চলতে পারবে না আসলে 

আগে গুমের, মামলার ডর দেখায়া মানুশের মুখ বন্ধ কইরা রাখা হইতো, এখন এই কাজটা করতে চাইতেছে বট-বাহিনি ও ফ্যানাটিকদের দিয়া যে, পলিটিকাল জিনিস নিয়া কথা কইলে সোশালি হ্যারেসড হইতে হবে! মানে, কোন ইস্যু নিয়া কথা কইলে ‘সমস্যা হবে’ - এই ডর'টাই ঘটনা! সোশালি ও মেন্টালি আপনারে যে অপদস্থ হইতে হবে - এই রিস্কটার কারনে যাতে আপনার কথা সেন্সর করতে বাধ্য হন আপনি…

আরেকটা ঘটনা হইতেছে, বট ও ফ্যানাটিকদের পক্ষে নতুন কোন পজিশন তৈরি করা পসিবল না, যার ফলে তাদের অপশন হইতেছে মোর ফ্যানাটিক হওয়া এবং সংখ্যা বাড়ানো, কিনতু দুইটা ঘটনাই ইন-ডেফিনিট সময়ের জন্য চলতে পারে না আসলে, যেই কারনে যখনই মানুশ-জন কথা বলতে থাকে বট ও ফ্যানাটিকদের বাজেট বাড়ায়া সেই জায়গাটারে ‘কন্ট্রোল’ করাটা একটা টেকনিক হিসাবে এমার্জ করতে থাকে

কিনতু আল্টিমেটলি যা হয়, অই প্লাটফর্মটা তাদের অডিয়েন্সরে হারাইতে থাকে, বাংলাদেশে সামহোয়ার ইন ব্লগের কথাই ধরেন, এইরকমের একটা ঘটনা ঘটছে, রিয়েল-আইডিগুলার চাইতে ফেইক ও ফ্যানাটিক আইডিগুলা স্পেইসটার দখল নিয়া নিছিল, কিনতু যখন রিয়েল অডিয়েন্স সইরা গেছে, অইটা মারা গেছে… অন্য সোশাল-প্লাটফর্মগুলার বেপারেও কম-বেশি এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে 

ইমরুল হাসান

02 Feb, 15:40


বিপ্লবি-পনা হইতেছে বাকশালের যমজ ভাই!

১. এখন জিনিসটা তো একটু ডিটেইলে বলাটা বেটার; নাইলে মনে হইতে পারে যে আমি যেন বলতেছি, বিপ্লব করা যাবে না! কিনতু আমি আসলে এইটাও বলতেছি যে, বিপ্লব-পনাই বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচে বেশি ক্ষতি’টা করছে। যখন বাকশাল কায়েম করা হয় তার এগেনেস্টে জাসদ-বিপ্লব করার কথা হইছে, সর্বহারা-বিপ্লবের কথা হইছে… কোন বাইনচোত-ই বিপ্লবের বাইরে কোন কিছুরে রাজনীতি বইলা ভাবতে পারে নাই! ডেমোক্রেসি যে একটা অপশন - এইটা ভাবতে না পারাটা হইতেছে অই বাকশালি-রাজনীতিটারে সেন্টার কইরা তোলার একটা আউটকাম!

২. এখন ১৯৭৫-এ মিলিটারি রিভোল্ট না হইলে, ২০২৪-এ পিপলস আপ-রাইজিং না হইলে ডেমোক্রেটিক ওয়েতে, ইলেকশনের ভিতর দিয়া, শান্তিপূর্ন আন্দোলন সংগ্রামের ভিতর দিয়া আমরা কি দুইবার বাংলাদেশি-ফ্যাসিবাদ বাকশাল'রে সরাইতে পারতাম? বিপ্লবের কথা কি আমাদেরকে ভাবতেই হইতো না? 

এইখানেই আমার কথাটা যে, অই ‘বিপ্লব’ করার মতো অবস্থাটা কেন আর কিভাবে তৈরি হইছে! তৈরি হইছে যখন নেগোশিয়েন করার অবস্থাটা আর নাই! যখন ডেমোক্রেটিক নর্মগুলারে টোটালি বাদ দেয়া হইছে! অই জায়গাতে যাওয়াটারে ঠেকানো তো হয়-ই নাই, বরং উসকায়া দেয়া হইছে! যে, তাদেরকে খুন কইরা, টোটালি ইলিমেন্ট কইরা তারপরে ডেমোক্রেটিক অবস্থাটা ফিরায়া আনতে হবে! হয় তাদেরকে মারতে হবে নাইলে মরতে হবে! কিনতু সিচুয়েশনটা ডু অর ডাই সিচুয়েশন না, বরং অই জায়গায় নিয়া যাওয়াটা হইতেছে ঘটনা…

বাকশালের লোকজন আবারো অই নন-ডেমোক্রেটিক এক্সট্রিমে নিয়া যাইতে চায়… কিনতু যদি আমরা ডেমোক্রেটিক সমাজ ও রাষ্ট্র তৈরি করতে চাই, এই ফান্দে পড়া যাবে না…

৩. যদি এই বিপ্লবি-পনার হাত থিকা বাঁচতে হয় তাইলে কমন-গ্রাউন্ডগুলার উপর ফোকাস বাড়াইতে হবে! কনফ্লিক্ট ছাড়া কোন সোসাইটিই রান করতে পারে না, সো সোশাল-কনফ্লিক্টগুলা থাকবেই, এইগুলারে সোসাইটির উপরেই ছাইড়া দিতে হবে… ধিরে ধিরে ডিবেটের ভিতর দিয়া নানান দিকে যাইতে থাকবে তারা, এর পলিটিকাল সলিউশন কইরা ফেলতে হবে! এই আর্জটাই বরং সমস্যার! 

বিপ্লব করা ভালো-না না, বিপ্লবি-পনা থিকা সাবধান থাকাটা পলিটিক্সে সবসময় খুবই দরকারি ঘটনা! 

ইমরুল হাসান

02 Feb, 13:06


নারী-প্রশ্ন এবং ইসলাম-প্রশ্নে যারা খুব সহজেই ট্রিগারড হইতে পারেন - তারাই বাল-মিডিয়ার টার্গেট অডিয়েন্স! দুই-একটা শব্দ দিয়াই এরা যে কি নাচটা নাচায়! পুরা নাগিন ড্যান্স! :)

জানাকের লিডারের স্পিচটা নিয়াই বলতেছি; যেই কথা উনি বলেন নাই, সেইটা যে তার মুখে বসায়া দেয়া হইলো, এবং উনার পার্টি-মেম্বার'রাও যে অইটারে সত্যি-কথা ধইরা নিয়া রেসপন্সগুলা করলেন, এর বেসিস'টা তো হইতেছে যে, বাকশালি-মিডিয়া সত্যি-কথা বলে ও প্রচার করে! :)

কিনতু উনারা তো ভালো কইরাই জানেন, শয়তান হিসাবে বাকশালি-মিডিয়ার কাজ হইতেছে মানুশরে বিভ্রান্ত করা, মিস-কোট করা, উদ্দেশ্য-প্রনোদিতভাবে কথার মধ্যেকার পয়েন্টরে হাইলাইট করা! এইটা তো গত ১৪-১৫ বছর ধইরাই তারা কইরা আসতেছে! তারপরেও, শয়তানরে উনারা শয়তান মনে করতেন পারেন না কেন!

এইটা কোন পাজল বইলা মনেহয় না আমার কাছে, আমি মনে করি জানাকের লোকজনও অই মিডিয়ার ফেভার-ই চান! বাকশালি-মিডিয়ার বাইরে কিছু হইতে পারে - এই চিন্তা উনাদের নাই, যার ফলে শয়তানরে বিশ্বাস করতে উনাদের কোন সমস্যা হয় না...

তো, বিএনপি, জামাতের বুড়া বুড়া নেতারা এইটা করতেই পারেন, কিনতু নারী-অধিকার ভারসেস ইসলাম যে একটা বাকশালি ট্রাম্প-কার্ড - এইটা জানার পরেও জানাকের লোকজন যেই রেসপন্স দেখাইলো, সেইটা থিকা বুঝা যায় তারা মিডিয়ার আফিমের নেশা থিকা খুব একটা বাইর হইতে পারে নাই!

ইমরুল হাসান

02 Feb, 03:25


আমার পয়েন্ট ৩টা -

১. যেইটা আগেও বলতেছিলাম, বাকশালি-মিডিয়া ও প্রো-ইনডিয়ান 'বাঙালি জাতিয়তাবাদের' বুদ্দিজিবি'রা হাসিনার বেপারে কিছু বলবে না! তারে আন-কোশ্চেনড রাখতে চাইবে, এই কারনে হাসিনারে কিছু কইলে তাদের মনে ব্যথা জাইগা উঠে... রুচি-টুচি পরের কথা এইখানে

২. কিছু লোকজন জুলাই আপ-রাইজিংয়ে নাম লেখাইছে শেষের দিকে আইসা খালি এর বেনিফিট নেয়ার লাইগা না, বা বিজয়িদের দলে থাকার লাইগাই না, বরং এই কথা বলার লাইগা যে, "আন্দোলনে তো আমরাও ছিলাম!" যারা ১৪-১৫ বছরেও কিছু কইতে পারে নাই, তারা ১৪-১৫ দিনের বিপ্লবি হয়া উঠছে, এই আপ-রাইজিং অথরিটি হয়া উঠার লাইগা... (এবং এরাই দেখবেন অথরিটি হয়া উঠছে, এরে একদিক দিয়া পবিত্র বানানোর ভিতর দিয়া, আরেকদিক দিয়া ভিলিফাই করার ভিতর দিয়া)

৩. বাংলাদেশের কালচারাল এস্টাবলিশমেন্ট বাকশালি-রেজিমের একটা ইন্ট্রিগ্রাল পার্ট ছিল, এখনো তা-ই আছে... এই জায়গাটা চেইঞ্জ হইতে সময় লাগবে, এবং পুরান কালচারাল আইকনদের দিয়া এই চেইঞ্জের ঘটনাটা ঘটবে না

ইমরুল হাসান

31 Jan, 10:45


বাংলা একাডেমির বইমেলা কেন বাংলাদেশের বইয়ের মার্কেটের জন্য একটা নেগেটিভ ঘটনা? এই নিয়া একটা আলাপ শুনতে পারেন এই লিংকে

https://youtu.be/aQsWAbmXVp0?si=zOzi-tRv96xNxP1S

ইমরুল হাসান

31 Jan, 09:17


অগাস্টের ৫ তারিখে যখন পিপল আপ-রাইজিংয়ের মুখে হাসিনা দেশ ছাইড়া ইনডিয়ায় পালায়া যাইতে বাধ্য হয়, তখন পলিটিকাল পার্টি ও ফোর্সগুলা জানতো না যে, এরপরে কি করতে হবে… 

কিনতু আজকে ৬ মাস পরেও তারা যদি না জানে যে, কি করতে হবে! সেইটা আসলে কোন না-জানা না, বরং দেশের মানুশ কি চায় - সেইটার দিক থিকা তারা মুখ ফিরায়া নিছে! পলিটিকাল দল, নানান ধরনের পলিটিকাল ফোর্স এবং ইনটেরিম গবমেন্ট বাকশালের মতোই মনে করতেছে দেশের মানুশের কোন পাওয়ার নাই! তারা আর রাস্তায় নামবে না! ২০-২৫ বছরে একবার কইরা নামবে! 

বাকশালি-মিডিয়া অলরেডি ইনডিয়া, আম্রিকা, জিও-পলিটিক্সরে পাওয়ারফুল হিসাবে দেখানো শুরু করছে! যেন এইগুলা ম্যানেজ করতে পারাটাই ঘটনা! দেশের মানুশের কথা না ভাবলেও চলবে! বাল-মিডিয়ার ইস্যুগুলারে এনকাউন্টার করতে পারাটাই হইতেছে রাজনীতি! নো, এইটা রাজনীতি না! বরং এই যে রাজনীতি ফিরায়া নিয়া আসতে চাইতেছে পাওয়ার-এজেন্সিগুলা - এইটাই সমস্যা! 

আমি বলতে চাইতেছি, পলিটিকাল পার্টিগুলা ও ফোর্সগুলা পিপল-এজেন্সির চাইতে পাওয়ার-এজেন্সিগুলার পুতুলে পরিনত হইতেছে আবার, এবং এর ভিতর দিয়াই আওমি-বাকশালি রাজনীতি ফিরা আসার রাস্তা ওপেন হইতেছে! 

আর এতোদিনেও যে উনারা আওমি-বাকশালি রাজনীতির জায়গা থিকা সইরা আসেন নাই, সেইটা কোন ‘ভুল’ না, বরং জাইনা-বুইঝাই করতেছেন! বিএনপি, জানাক, জামাত এবং ইনটেরিম গবমেন্ট - সবাই-ই এই দোষে দোষি! ৬ মাসেও কোন ফ্যাসিবাদ-বিরোধি, বাকশাল-বিরোধি প্লাটফর্ম তৈরি না করাটা ফেইলওর না এতোটা, বরং অনেক বেশি কনশাস ডিসিশানেরই ঘটনা পলিটিকাল ফোর্সগুলার জায়গা থিকা! 

আমরা, যারা পলিটিকাল আলাপ-টালাপ করি এইটা করার কথা আজকে আইসা নতুন কইরা বলতেছি না, ৫-৬ মাস ধইরাই বলতেছি, যাদের একশন নেয়ার কথা, কাজগুলা করার কথা, তারা এই ডিসিশান নিতে পারছেন যে, এইটা করবেন না! বা করলেও হবে! 

মানে, এইটা না-বুঝা বা না-জানার ঘটনা না, বাংলাদেশের পলিটিকাল ফোর্সগুলার বাংলাদেশের মানুশের পাওয়ারের চাইতে জিও-পলিটিকাল ইস্যু ও পাওয়ার-এজেন্সিগুলারে বেশি পাওয়ারফুল মনে করার ঘটনা… আর এইটা একটা বাজে ঘটনাই! 

ইমরুল হাসান

31 Jan, 05:17


Valkyire সিনেমাটা যারা দেখছেন, তারা রিলেট করতে পারবেন জিনিসটা, যে সিনেমাটাতে হিটলার'রে সরায়া দেয়া হইছিলই, কিনতু সে বাঁইচা যায় গোয়েবলসের কারনে, গোয়েবলস হিটলারের গলার আওয়াজ নকল কইরা তার এগজিসটেন্স জানান দেয়

তো, বাংলাদেশেও এখনকার আওমি-লিগ হইতেছে মিডিয়া-লিগ, তারা অবৈধ বাকশালি সরকারের সার্পোটে যা করছে সেইটার জন্য মাফ তো চায়-ই নাই, ‘জুলাই আপ-রাইজিং'য়েরও মুখপাত্র :) হয়া উঠছে

আপনি গোয়েবলসের সিসটেমটারে ইন-ট্যাক্ট রাইখা হিটলার'রে তো সরাইতে পারবেন না! এরা সবসময় হিটলার'রে ফিরায় নিয়া আসতে থাকবে… এবং আনতেছেও 

একটা লিবারাল ফ্রেমওয়ার্কের ভিতর দিয়া এর সমাধান হবে না আসলে; বাংলাদেশি গোয়েবলসরা খালি মিস-ইনফরমেশন ও ডিজ-ইনফরমেশনই ছড়াইতেছে না, যে কোন ঘটনার ভিতর দিয়া আওমি-বাকশালি জায়গাগুলারেই রিভাইব করতেছে… 

যার ফলে যদি তাদেরকে ইরিলিভেন্ট করতে চান তাইলে - 

১. পলিটিকালি তাদেরকে গনহত্যাকারীদের দল হিসাবে অফিসিয়ালি ডিক্লেয়ার করতে হবে

২. তাদের সহযোগি সরকারি লোকজনদেরকে ক্ষমতার জায়গাগুলা থিকা সরাইতে হবে

৩. নতুন তর্কের জায়গাগুলারে এক্সপ্লোর করতে হবে

মানে, এজ লং এজ গোয়বেলসরা থাকবে, হিটলার’রেই তারা রেলিভেন্ট রাখবে

ইমরুল হাসান

29 Jan, 18:43


যুদ্ধ
.

বিল্ডিংয়ের জেনারেটরের ব্যাটারি কাজ করতেছে না; তো, কেয়ারটেকার'রে জিগানো হইলো, ব্যাটারি কেনা হইছিল কবে, এতো তাড়াতাড়ি নষ্ট হইলো কেমনে? কেয়ারটেকার তেমন লেখা-পড়া জানে না, অশিকখিত-ই একটু, কইলো, ব্যাটারি তো যুদ্ধের আগে কিনা হইছিল…

যুদ্ধ? আমি একটু কনফিউজডই হইলাম, কিসের যুদ্ধ?

একটু পরে মনে করতে পারলাম যে, জুলাই-অগাস্টের যুদ্ধের কথা বলতেছে সে

ইমরুল হাসান

29 Jan, 17:56


দেখেন, আওমি লিগ হইতেছে গনহত্যাকারি দল, গনহত্যার সার্পোটার না শুধু, জামাতের মতন! এই ডিফরেন্সের জায়গাটাও মার্ক করা দরকার!

ইমরুল হাসান

29 Jan, 08:03


এইভাবে বলাটা বরং বেটার -

"এক কোটিবার যদি বলতে হয়, এক কোটিবারই বলবো, লাগলে আরো বেশি বার বলবো, যতদিন দেহে আছে প্রাণ - বাংলাদেশের প্রশ্নে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে, একাত্তরের এবং ২৪’র গণহত্যা অস্বীকারকারীদের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।" 

ইমরুল হাসান

28 Jan, 03:30


বড় বড় রিফর্মের দরকার নাই - এইরকম না, বরং যেইসব ইস্যু ক্রুশিয়াল (বা ক্রুশিয়াল কইরা তোলা হইতেছে) সেইগুলার সলিউশন করতে পারাটাও রিফর্মেরই কাজ...

ইমরুল হাসান

27 Jan, 04:11


যে কোন কারনেই হোক, তারেক রহমান যে দেশে ফিরতেছেন না বা ফিরতে পারতেছেন না, এইটা তো নেগেটিভ একটা ঘটনাই

উনারে বাইরে রাখা হইতেছে - এইটা আমার কথা না, বরং কি কারনে দেশে ফিরতেছেন না বা ফিরতে পারতেছেন না - এইটা নিয়া পাবলিক আলাপ নাই তেমন

ইন এনি কেইস, 'দোষ' যার-ই হোক, এইটা পলিটিকাল সিম্বল হিসাবে নেগেটিভ ঘটনা-ই, যে এখনো বাংলাদেশে ডেমোক্রেটিক পলিটিকস করাটা সেইফ না - এই জায়গাটারে হাইলাইট করে

ইমরুল হাসান

27 Jan, 03:02


বাংলাদেশে এই কারনে গুজব ছড়ায় না যে, মানুশ-জন ভুয়া কথায় বেশি বিশ্বাস করে, বরং বাংলাদেশের নিউজ-আউটলেটগুলা যে কখনোই জরুরি সত্যি-কথাগুলা বলে না, এবং গোপন করে - এইটা নিয়া সন্দেহ খুব কম, যার ফলে অই ভ্যাকুয়ামটা অন্যসব জায়গা দিয়া ফিল-আপ হইতে থাকে

মানে, বাংলাদেশ নিয়া জরুরি সত্যি-কথাগুলা আপনি বাংলাদেশের পত্রিকা, টিভি-চ্যানেল, নিউজ-পোর্টালগুলাতে পাইবেন না; এবং এইটা এখনো ট্রু, লিংকের লেখাটা পড়েন হাসিনার মেয়ে পুতুলের এনজিও নিয়া কোন ইনভেসটিগেটিভ রিপোর্ট কি হইতে পারছে কোথাও, বা কোন গবমেন্ট এনকোয়ারি? বা কে করবে আসলে - বাকশালি-মিডিয়া? বাকশালি-আমলারা? মানে, কেন করবেন উনারা? 

তো, আমি বলতে চাইতেছি, দেখেন, ইন টার্মস অফ মিডিয়া-রিয়ালিটি এবং গবমেন্ট ফাংশনালিটি আমরা বাল-আমলেই আছি, ইভেন তার চাইতে খারাপ মেবি, কারন এখন তাদেরকে দোষও তো আপনি দিতে পারবেন না! 

এখন এই অবস্থার চেইঞ্জ হইতে পারে তখনই যখন ক্যাপাবল ও রেসপন্সিবল ইন্ডিভিজুয়াল জার্নালিস্টরা আগায়া আসবেন, অথরিটি হয়া উঠতে পারবেন


https://www.facebook.com/share/p/1BnnFzHqjy/

ইমরুল হাসান

26 Jan, 10:28


ক্যারিয়ারের সাকসেস এবং বেশিদিন বাঁইচা থাকাটা যে তেমন কিছু মিন করে না এইটা মেজর জেনারেল সফিউল্লাহ'রে দেইখাও কিছুটা বুঝতে পারার কথা আমাদের

মানে, এইগুলা যে খারাপ জিনিস - তা না, কিনতু এইগুলা লাইফের ডিসাইডিং ফ্যাক্টর না; কেউ একজন সোসাইটিতে পাওয়ারফুল পজিশনগুলাতে উঠতে পারলেন বা বেশিদিন বাঁচলেন, তাইলে উনি তো মোর ইমপ্যাক্টফুল হইতে পারেন, বেশি কাজ করতে পারেন… এইটা অবশ্যই নেগেটিভ না, কিনতু এই পাওয়ার দিয়া কি কাজ করলেন উনি? উনার সময়টারে কেমনে পার করলেন? এইগুলা তার চাইতে বেশি জরুরি… 

আর্মি চিফ হিসাবে উনি খারাপ-কাজ করছেন কিনা জানি না, কিনতু উনি কোন সিগনিফিকেন্ট রোল-প্লে করেন নাই, কোন পজিশন যে নেন নাই বা নিতে পারেন - এইটাই উনার লাইফের সিগনিফিকেন্ট ঘটনা হয়া আছে

কয়দিন আগে মেয়েরে বুঝাইতেছিলাম, দেখো, কেউ কেউ জীবনে হাজারটা ভালো-কাজ করে, কিনতু একটা খারাপ-কাজের জন্য তার বদনাম হয়ে যায়, আবার কেউ এমন একটা ভালো-কাজ করে যেইটার জন্য তার অনেক খারাপ-কাজ মানুশ মনে রাখে না; তো, মেয়ে তো খুব অবাক হইতেছিল, এইরকম কেন হবে! 

কিনতু বেপারটা কম-বেশি এইরকমই, লাইফের ক্রুশিয়াল মোমেন্টগুলাতে বা কোর জায়গাগুলাতে কি ডিসিশান নিতেছেন আপনি, কি পজিশন নিতেছেন - সেই জায়গাগুলাই একজন মানুশের লাইফের সিগনিফিকেন্স হয়া উঠে

কিনতু তাই বইলা অইটা আসলে একটা ঘটনার উপর বেইজ কইরা ঘটে না, বরং খেয়াল করলে দেখা যাবে যে, এইটা একটা কন্টিনিউয়াস প্রসেসের ঘটনা-ই, যেইটা একটা সময়ে গিয়া ভিজিবল হয়া উঠে মাত্র… 

মেজর জেনারেল সফিউল্লাহরে আমরা অই একটা ঘটনা দিয়াই চিনি, যে উনি ক্রুশিয়াল টাইমে কোন ডিসিশান নিতে পারেন নাই; কিনতু উনি যে তার চাইতে অন্যরকম - সেইটার কোন উদাহারনও আমাদের জানা নাই

তো, লাইফ এইরকমই, সবচে সাকসেসফুল লোকজনরেও এভারেজ বানায়া ফেলে, আর এভারেজ মানুশদের কথা আমরা ভুলে যাই, তাদের কথাই মনে রাখি যারা আমাদের লাইফে, সমাজে কোন ইমপ্যাক্ট ফেলতে পারেন, কন্ট্রিবিউট করতে পারেন, সেইটা যত মিনিমাম-ই হোক, আর সেইটা সবসময় সোশাল পজিশন বা লং এইজের উপ্রে ডিপেন্ডেড কোন ঘটনা না! 

সময় তো আমাদের সবসময়-ই কম; বুদ্ধ যেইরকম বলছিলেন যে, The trouble is, you think you have time… 

ইমরুল হাসান

26 Jan, 09:25


যতদিন থাকবে হাসিনার পুলিশ, হাসিনার আমলা
বদলাবে না কোনকিছু, থাইকা যাবে BALটা!

ইমরুল হাসান

26 Jan, 05:22


বাংলাদেশের নয়া পলিটিকাল পসিবিলিটি ততটাই তৈরি হইতে পারবে যতটা এইটা বাম কালচারাল এস্টাবলিশমেন্টের বাইরে যাইতে পারবে

তার মানে, ইসলামিক হইতে হবে না :) মানে, এই কনক্লোশন টানাটাও বাম-বাটপারিই এক রকমের, যে ইসলামিস্ট (পড়েন, জঙ্গি) না হয়া তাইলে কি হবেন আপনি! মানে, সেইটা একই প্রিমাইজে থাইকা যাওয়ার ঘটনাই, এইরকমভাবে বলাটা বা ভাবাটা

তো, আমার ধারনা, দেরিতে হইলেও অনেকে এই জায়গাটারে নোটিশ করতে পারতেছেন, ট্রাইগুলা করতেছেন… এবং এই ঘটনাগুলা ঘটতেছে বইলাই বামদের ফ্যানাটিক হয়া উঠতে হইতেছে, এই ফ্যানাটিজম আগেও ছিল, কিনতু যেহেতু আন-কোশ্চেনড একটা জায়গাতে ছিল তাদের দাঁত-নখ বাইর করার দরকার পড়ে নাই

কিনতু ডোন্ট গেট মি রং, বিপ্লবিদের প্রতি আমার কোন হেইট্রেট নাই, কিনতু তাদের বিপ্লবিপনা যে কখনোই বাংলাদেশের মানুশের ফর-এ কাজ করে নাই, এবং হিস্ট্রিকালি করার কোন কারনও নাই তেমন - এই জায়গাটারে রিকগনাইজ করতে পারাটা জরুরি আর কি, ফিউচারে বাংলাদেশে কোন বাম-রাজনীতি তৈরি হবে না - এইটাও আমার কথা না, কারন ফিউচার নিয়া তো কথা বলতে পারি না আমরা, কিনতু হিস্ট্রিকাল কন্সট্রাকশনগুলারে খেয়াল করতে পারাটা জরুরি, বাংলাদেশে নয়া রাজনীতি তৈরি করতে চাইলে… 

আজকের দিনে কালচার ও পলিটিকস (বা অন্য অনেক জিনিসই) এতোটা আলাদা আলাদা ঘটনা না, কিনতু কোনটা কিভাবে কোন পলিটিকাল পজিশনরে অবভিয়াস কইরা তোলে অই জায়গাগুলারে খেয়াল করতে পারাটাই ঘটনা

ইমরুল হাসান

26 Jan, 04:34


ফ্যানাটিক সার্পোটার ও বট

আমার ২টা ধারনা আছে এইসব বিষয়ে -

১. বিএনপি, জামাত ও জানাকের যেইসব ফ্যানাটিক লোকজন আছেন ফেইসবুকে, তাদেরকে অইসব পলিটিকাল দলের লোকজনও খুব একটা পাত্তা দেয়ার কথা না, কারন তাদের ফ্যানাটিক আচরন অইসব দলের জন্যও ক্ষতিকর; কিনতু দলের ভিতরে পাত্তা না পাওয়ার কারনে তারা পাবলিক স্পেইসে আরো ফ্যানাটিক হইতে থাকে... তো, তাদের পজিশনরে অইসব দলের পজিশন না ধইরা নেয়াটা বেটার

২. বিএনপি, জামাত ও জানাকের বট তো আছেই, কিনতু অনেক কেইসে আওমি-বটগুলাই এইসব পক্ষে জয়েন কইরা গু-গুবর ছড়াইতে থাকে, কারন অদের নিজেদের পক্ষ বইলা তো এখন তেমন কিছু নাই :) কিনতু জব তো একটা আছে, কিছু কাজ তো করা লাগবে, গ্যাঞ্জাম তো পাকাইতে হবে! যার ফলে, এদের নিজেদের মধ্যে কাইজ্জা লাগানোর জন্য উৎ পাইতা থাকে

তো, সলিউশন হিসাবে, যে কোন ধরনের ফ্যানাটিজম (ইসপেশালি সেকুলার) আমি ব্লক করি, ইগনোর করি... এবং এইটাও মনে করি, যদি ইন রিয়ালিটি পলিটিকাল এক্ট করার জায়গাগুলারে আমরা এক্সপান্ড করতে পারি, এইসব ফ্যানাটিক পজিশনগুলা ইন-ভ্যালিড হইতে থাকবে

ইমরুল হাসান

25 Jan, 16:31


দেখেন, সমস্যা কিনতু ট্রান্সপারেন্সিরই! বাংলা একাডেমি কমেডিরও গোড়া অইটাই। স্থগিত যে করা হইছে, এইটা ভালো ডিসিশান; কিনতু রিকমেন্ডশন ছিল কার? বা কাদের? কিভাবে করা হইছে?

অনেকে বলতে চাইতেছেন ডিক্লেয়ার যেহেতু করা হইছে প্রাইজ দিয়া দেন! তো, এইটা প্রাইজ দেয়া বা না-দেয়ার ঘটনা না! জাইনা-শুইনা এই সিলেকশনগুলা কে বা কারা করলো? কিভাবে পাশ করাইলো? বাকশালি সিসটেমটা এইখানে কিভাবে রান করতেছে?

আর সবচে জরুরি হইতেছে, এইটা একটা পলিটিকাল সিগনাল যে, সবকিছু বাকশালের দখলেই আছে, চিন্তা করার কিছু নাই... এই সিগনালটা কারা দিতে চাইতেছে?

[আর অবশ্যই এইটা নিয়া পারসোনালি কাউরে বিপদে ফালানোর কিছু নাই, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকরে স্কেইপ গোট বানানোর কিছু নাই, বাকশাল যেইভাবে সমস্যার সমাধান :) করতো, অই পথে যাওয়াটা বাজে ঘটনাই হবে বরং... ]

ইমরুল হাসান

25 Jan, 10:58


বরং উল্টাটা করেন, ২৫ বিঘার বেশি ফ্যামিলি ল্যান্ড থাকলে, মাসিক ইনকাম ১ লাখ টাকার বেশি হইলে, এলাকায় ২৪/৭ না থাকলে লোকাল গবমেন্ট ইলেকশন করতে পারবে না!

বাংলাদেশে লোকাল গবমেন্টের নামে জমিদারি ব্যবস্থাই চালু আছে একরকমের! সেইখানে এলাকার খানদানি জমিদার, বড় ব্যবসায়ি, শিকখিত ধান্দাবাজরাই মেম্বার-চেয়ারম্যান! যারা অলরেডি ক্ষমতাবান তাদের ক্ষমতার আরেকটা টুল হয়া আছে লোকাল গবমেন্ট!

এখন দেখেন, এলিট মিডল-ক্লাসদের নিয়া সরকার বানাইলে কি হয়, তাদের মিনিমাম কোন ইন্টারেস্ট নাই দেশের মানুশ-জন নিয়া, তাদের ক্লাসের বেনিফিট কতো ম্যাক্সিমাইজ করা যায়, সেইটা নিয়াই তাদের মেইন কনসার্ন!

ইমরুল হাসান

25 Jan, 09:40


ফেইসবুকের নিউজফিডে ব্রাউজ করতে করতেই একজনের শেয়ারে জানাকের লিডার সারোয়ার তুষারের ভাষনের একটা ক্লিপ আসলো, যেহেতু সাউন্ড অফ করা ছিল না, উনার দুইটা কথা কানে আসলো, সংবিধান নিয়া বলতেছিলেন উনি; যে, আমাদের সামনে তো ফরহাদ মজহার ছিলেন, উনার লেখালেখি তো আমরা পড়ছি, সংবিধান কি বস্তু আমরা তো জানি, এইরকম…

তো, উনার কথা শুইনা জাস্ট মনে হইলো, সারোয়ার তুষার'রা উনাদের সামনে ফরহাদ মজহার’রে রাখছেন বইলাই অনেক কিছু দেখতেও পান না মেবি 

মানে, এইটারে ফোঁড়ন-কাটা বা জাস্ট কমেন্ট পাস করার ঘটনাই মনে হইতে পারে, মনে হইলেও দোষের কিছু নাই, কিনতু এইটাতে কিছু ট্রুথও নাই - তা মনে হয় না; আগের জেনারেশনের মানুশের কাছ থিকাই তো আমরা জানি জিনিসগুলা পরথমে, কিনতু যদি উনাদের বুঝ দিয়াই বুঝতে থাকি তাইলে অনেক কিছু মিসও কইরা যাওয়ার কথা… 

এখন এই কথা শুইনা ফ.ম.’র বিরোধি যারা আছেন তারা খুশি হয়া যাইতে পারেন, বা যারা উনার ফলোয়ার তারা মন খারাপ করতে পারেন, কিনতু উনার চিন্তা ও পলিটিকাল পজিশনেরনবেপারে যেই ক্রিটিকগুলা আছে, সেইগুলা যেন নাই! (খালি ‘দুর্নাম’ আছে) - এইভাবে অপারেট করতে পারেন… 

তো, উনার পরিচিত একজন একবার আমারে জিগাইছিলেন, উনার বেপারে আসলেই কি কোন ক্রিটিক আছে :) তখন উনারে কয়েকটা লিংক দিছিলাম, কিনতু যেহেতু নামি-দামি লোকজন এইগুলারে খুব একটা এনডোর্স করেন নাই, অইগুলা মেবি ‘জোরদার’ ক্রিটিক হইতে পারে নাই! :) 

এখন কি আর করা, উনি মেবি ‘জেলাসি’ হিসাবেই রিড করছিলেন ক্রিটিকগুলারে, মানে, এইটা ‘নরমাল’ ঘটনাই, এখনো কম-বেশি একইরকম হওয়ার কথাই… 

...


১. https://editorial.bacbichar.net/2023/10/art.390.ed/

২.
https://bacbichar.net/2024/03/art.7582.bb/

৩.
https://bacbichar.net/2020/10/art.4989.bb/

৪.
https://bacbichar.net/2017/08/art.3745.bb/

৫.
https://youtu.be/EpSiJdEj9rU?si=v90JrKWsPBOQMasG

ইমরুল হাসান

25 Jan, 06:04


উরাত না বইলা নিতম্বের মতো ফানি-বাংলা কেন বলা লাগে হাসনাত আবদুল্লাদের? এবং মোটামুটি সবারই আসলে…

তো, কয়দিন আগে বলতেছিলাম, ১৯৪২’র দিকে বুদ্ধদেব বসু’রা যখন ‘সাধারন পাঠক’র কথা বলতেন তখন ‘শিকখিত হিন্দুদের’ কথাই বুঝাইতেছেন, এবং এখনো যখন আমাদের শিল্পি-সাহিত্যিক-পলিটিশিয়ান বা পাবলিক-স্পিকার'রা বাংলায় যখন কথা কন তখন একটা শিকখিত মিডল-ক্লাস অডিয়েন্সের কথা মনে রাইখাই শব্দ উচ্চারন করেন, পত্রিকার ভাষায় কথা বলেন

এখন উরাত কইলে কেউ বুঝবো না, তা তো না, কিনতু উরাত তো লেখে না পত্রিকায় বা বইয়ে! যেমন গাঙ লেখে না, লেখে নদী! গাঙ কইলে কেউ বুঝবো না - তা না, গাঙ কইলে না বুঝতে চাওয়াটা হইতেছে সেক্সি একটা ঘটনা, এবং গাঙ বলাটা হইতেছে ‘আঞ্চলিক’! :) মা রে মা… এই হইতেছে জুলাইয়ের ভাষা! 

এইগুলা যে আছে, সেইটা খেয়াল করতে পারাটা ভালো আর কি… 

ইমরুল হাসান

25 Jan, 04:12


যারা বাংলাদেশ থিকা মুজিবাদ খেদাইতে চায় [কিনতু বাকশাল উচ্চারন করতে ভয় পায় :) কারন তাইলে সো-কল্ড বাম-রাজনীতির ইতিহাস তাতে রিভিল হয়া পড়ে...] তাদের কোন স্টেটম্যান্ট কি আছে ২৫শে জানুয়ারির ঘটনা নিয়া? আজকের এই দিনে যে বাংলাদেশে অফিসিয়ালি এক-দলিয় শাসন বাকশাল কায়েম করা হইছিল, সেইটা নিয়া কোন কথা কি তারা বলতে পারতেছে? কোন নিউজপেপার, কোথাও কি এই হিস্ট্রিকাল ইভেন্ট'টার মেনশন আছে আজকে?

তো, এই আন্ডারস্ট্যান্ডিং নিয়া উনারা বাকশালি-সিসটেমটারে বাতিল করবেন :) যারা বাতিলের আলাপ তুলেন, তারা পলিটিকাল-ফ্যাশন বা জার্গন হিসাবেই এই বাকোয়াজিগুলা করেন, উনাদের পলিটিকা়ল লোকেশন কালচারাল-বাকশালের খুব ক্লোজ বইলাই আমি দেখতে পাই...

এখন অন্যরকম কিছু হইলে তো ভালোই

ইমরুল হাসান

24 Jan, 06:24


ডিফরেন্স

ছোট-খাট ডিফরেন্সগুলারে আমলে না নিতে চাওয়া, ইগনোর করা বা গুলায়া ফেলার (ইচ্ছা কইরা বা না বুইঝা) ঘটনাটা খুবই ক্রুশিয়াল, আমি ৩টা উদাহারন দেই -

১. কয়দিন আগে এক পোগরামে অন্য অনেক আলাপের লগে আমি কইলাম যে, দেখেন, কোন জিনিসটারে আপনি আর্ট ভাবতেছেন, সেইটা ইম্পর্টেন্ট একটা জিনিস, যেই জিনিসরে আর্ট মনে করেন না একজন আরটিসট, সেই দিকে তো উনি যাইবেন না বা খেয়াল করবেন না, যেমন ধরেন ঢাকার যারা নামি-দামি প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের জুলাইয়ের গ্রাফিত্তির ছবি আমরা দেখি না খুব বেশি, কারন এই দেয়ালের লেখা বা গ্রাফিত্তিগুলারে তো উনারা আর্ট মনে করতে পারেন নাই! 

তো, যেহেতু ঢাকার শিল্পকলার পোগরাম ছিল, যার আর্ট-ওয়ার্ক নিয়া কথা হইতেছিল উনার কাজ ছড়াইতেছে এবং খোঁচা-মারা কথা জিনিসটা রিলস হিসাবে ছড়াইছে (আমার রিলসে ১০০ ভিউ হইলে মেটা আমারে নোটিফিকেশন পাঠায়, তো অইটা ২৫ হাজার হইছে, এইরকম…) 

অইখানে লোকজন অনেকে ভালোবাইসা-ই কমেন্ট করছে যে, না ভাই, আমি তো তুলছি! মানে, ছবি তোলা হয় নাই, এইটা তো আমার কথা না! যদি ছবি তোলা না হইতো কই থিকা দেখতাম আমরা! অবশ্যই অনেক মানুশ ছবি তুলছেন, কিনতু আমরা কথা তো এইটা না যে, জুলাইয়ের গ্রাফিত্তির ছবি তোলা হয় নাই, বরং প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার’রা জিনিসটারে আর্ট মনে করেন নাই! 

তারপরে, অনেক ফটোগ্রাফার আইসা বেসিক কোশ্চেন তুলছেন যে, কয়জন ফটোগ্রাফার’রে চিনেন আপনি! আরে ভাই, ফটোগ্রাফারদেরকে চেনা লাগবে কেন আমার! যদি উনারা অই আর্টের ছবিগুলা তুইলা থাকেন, অইগুলারে তাদের ভালো-কাজ হিসাবে ডিসপ্লে করেন, প্রচার করেন চোখে পড়বে না মানুশ-জনের! সেইটা তো উনারা করেন নাই! মানে, ছবি তুললেও আর্ট-ওয়ার্ক হিসাবে তো ডিসপ্লে করেন নাই, প্রাউডলি আপ-হোল্ড করেন নাই! 

মানে, এই যে ছোট্ট ডিফরেন্সের জায়গাটা, আরগুমেন্ট করার সময় জায়গাটারে উনারা ‘ভুইলা যান’ ‘মিলায়া ফেলেন’... কেন? এইটা নিয়া শেষে বলতেছি, আরেকটা উদাহারন দেই

২. আবার একটা কথা কইলাম যে, দেখেন, বাকশালি নিউজ-আউটলেটগুলাতে শেখ হাসিনার ক্রিমিনাল এক্টিভিট নিয়া খুব একটা আলাপ কিনতু নাই গত ৬ মাসে… 

তখন, একইভাবে অনেকে আইসা কইলেন যে, না, না, আওমি-লিগের দুর্নীতি নিয়া অনেক নিউজ ছাপাইতেছে তো! মানে, শেখ হাসিনা'র গুম-খুন, জুলাই ম্যাসাকার ও ফ্যামিলির লুটপাট নিয়া কোন কথা নাই, সেইটারে এনকাউন্টার করতেছেন, পাল্টা-যুক্তি দিতেছেন যে, আওমি-লিগের নেতাদের নিয়া খবর ছাপাইছে! মানে, দুইটা জিনিস যে একই না, এই ‘ভুল’ কতো সহজে করা যায় আসলে!

আবার কেউ কেউ কইলেন যে, গুম কমিশনের রিপোর্ট নিয়া তো নিউজ করছে! মানে, অইটা পত্রিকার নিউজ হয় কেমন! জাস্ট সরকারি প্রেসনোট ছাপানোই না সেইটা, পত্রিকার ইনভেসটেগেটিভ রিপোর্ট হয় কেমনে!...

মানে, স্লিপ অফ টাঙ'র মতো চিন্তাতেও স্লিপ অফ লজিকের ঘটনা আছে, যে ভুল-প্রিমাইজটারে সেন্টার ধইরা নিয়া কথা বলা

৩. লাস্টলি, বড় বা সোশাল ইভেন্টের জায়গাটাতে আসি, ৫ই অগাস্টের পরে যখন বাকশালি-মিডিয়া ঢাবি'র ইসটুডেন্ট লিডারদেরকে মিডিয়া-হিরো বানাইতে থাকলো তখনই বলতেছিলাম যে, কাজটা খারাপ হইতেছে… বাকশালি-মিডিয়া মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের মতো আরেকটা ২৪-এর ইতিহাস বানাইতেছে! 

তখন, এবং এখনো অনেকে প্রশ্ন তুলছেন যে, ইসটুডেন্টরা কি তাইলে পিপল আপ-রাইজিংয়ের হিরো না? তারা কি লিড দেয় নাই?

মানে, অবশ্যই তারা লিডিং পজিশনে ছিল, কিনতু ঘটনা হইতেছে এইখানে ২টা - পিপল জানে না কই যাইতে হবে, আপনি লিড দিয়া একটা জায়গাতে নিয়া গেলেন; আরেকটা হইতেছে পিপলের মধ্যে একটা আর্জ আছে, সেইটা আপনারে পিক করলো লিডার হিসাবে, আপনি তাদের একজন হইয়া সামনের কাতারে দাঁড়াইলেন - দুইটা তো দুই ঘটনা এইখানে! 

ইসটুডেন্টরা লিড করে নাই - তা না, কিনতু তারা পিপলরে ড্রাইভ করে নাই, পিপলের ড্রাইভিং ফোর্সটা তাদেরকে লিডারশিপের জায়গাটাতে নিয়া আসছিল… তো, খালি চোখে মনে হইতে পারে, এই ডিফরেন্সের জায়গাগুলা খুব একটা কিছু মিন করে না, কিনতু চিন্তার জায়গাতে, অনেস্টি ও ইন্ট্রিগ্রিটির জায়গাতে এইগুলা খুবই ক্রুশিয়াল ঘটনা

এবং আমি মনে করি, এই জায়গাগুলারে মার্ক করতে আমরা নিজেদেরকে যতটা রাজি করাইতে পারবো, ততটা বেটার হিউম্যান বিইং হওয়ার দিকে আগাইতে পারবো… আর এইরকম বেহুদা ‘তর্ক’ করাটারে ম্যাচুরিটি বইলা ভাবার ভুলটাও কম করতে পারবো

ইমরুল হাসান

24 Jan, 04:10


১৯৪২ সালে বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮ – ১৯৭৪) একটা কলাম লেখছিলেন “সাহিত্যে পাকিস্তান অসম্ভব” নামে, যে পলিটিকালি পাকিস্তান আন্দোলন হইলেও সাহিত্যে মুসলমানি-সাহিত্য হওয়া ঠিক না, বাংলা-সাহিত্যই হইতে হবে! নাইলে উর্দু সাহিত্য করেন আপনারা!

তো, এর জবাব দেন আবুল মনসুর আহমেদ ১লা নভেম্বর, ১৯৪২ সালে পাকিস্তান রেনেসা নামে একটা সংগঠনের সভায় একটা লেখা পড়ার ভিতর দিয়া যেইটা পরে “সাহিত্যে সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য” নামে মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকায় ছাপা হয়।

বুদ্ধদেব বসুর আরগুমেন্ট ছিল মেইনলি তিনটা –

১. নারী-সাহিত্যের মতোই মুসলমানি-সাহিত্য একটা সাব-সেট হয়া আছে বাংলা-সাহিত্যের, এর থিকা বাংলার মুসলমান সাহিত্যিকদের বাইর হইতে হবে!

২. অনেকে অভিযোগ করেন যে হিন্দু-সাহিত্যিকরা কেন মুসলমানদের নিয়া লেখেন না? কারন হিন্দুরা তো মুসলমানদের তেমন কিছু জানেন না! এই কারনে মুসলমান সাহিত্যিকদেরই মুসলামানি সমাজ থিকা বাইর হয়া সবার জন্য সাহিত্য করা লাগবে

৩. আর উনারা যদি সবার জন্য না লেখতে পারেন তাইলে বাংলা-সাহিত্য বাদ দিয়া উর্দু সাহিত্যই করা দরকার!

আবুল মনসুর আহমেদের জবাবগুলা অনেকটা এইরকম:

১. মুসলমান-লেখক যে একটা সাব-কেটাগরি হয়া আছে – এইটা বানাইছে কারা? কিভাবে তৈরি হইছে?

২. একই সমাজে থাকার পরেও হিন্দু-লেখকরা মুসলমান-সমাজ নিয়া জানে না কেন? নাকি না-জানাটারেই তাদের বাহাদুরি মনে করে?

৩. তো, মুসলমান সাহিত্যিকরা তাদের স্বাতন্ত্র্য ধইরা রাইখাই বাংলা-সাহিত্য করবে, আর সেইটা মাওলানা বা পন্ডিতদের থ্রেটে সইরা যাবে না!

এইখানে, আবুল মনসুর আহমেদ ইন্টারেস্টিং একটা জায়গা কিছুটা এড়ায়া গেছেন বইলা দেখি আমি, যে বাংলা-সাহিত্যের যেই ডিফল্ট বা ‘সাধারন পাঠক’ আছেন, তারা হইতেছেন মেইনলি – শিকখিত হিন্দু! বাংলা-ভাষা বইলাও যেইটা আছে সেইটা হইতেছে ‘সংস্কৃত বাংলা’ বা এখনকার ‘প্রমিত বাংলা’! এর বাইরে যা কিছু আছে, সবই হইতেছে – ব্যতিক্রম, অ-শুদ্ধ ও ভুল!

তো, এই যে এটিটুড বুদ্ধদেব বসুর, সেইটা এখনো কন্টিনিউ হইতেছে আসলে, যেই কারনে তর্কের এই প্রিমাইজটা এখনো রেলিভেন্ট।

লেখা দুইটা পূর্ব বাঙলার ভাষা বইয়ে রিপ্রিন্ট করা হইছিল

https://bacbichar.net/2025/01/art.8225.bb/

ইমরুল হাসান

23 Jan, 12:53


ডেমোক্রেসির রোড-ম্যাপ 

১. জুলাই প্রক্লেমেশন তৈরি করেন। তার বেসিসে মুহাম্মদ ইউনুসরে প্রেসিডেন্ট বানান। খালেদা জিয়ারে হেড বানায়া ন্যাশনাল কাউন্সিল তৈরি করেন। গবমেন্ট চালাবে এই ন্যাশনাল কাউন্সিল। 

২. জুন-জুলাইয়ে গন-পরিষদ ইলেকশন করেন। ২ বছরের মধ্যে সব রিফর্ম কমপ্লিট করেন, নতুন সংবিধান বানান, আওমি-লিগের বিচার করেন, লোকাল গবমেন্ট ইলেকশন করেন।

৩. জুন, ২০২৭-এ প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট ইলেকশন কইরা বাংলাদেশে নতুন ডেমোক্রেসির শুরু করেন, যাতে কোন এক-দলিয় শাসন আবার না আসতে পারে! 

ইমরুল হাসান

22 Jan, 10:00


বাল-আমলে বামদের কাজ ছিল ইরিলিভেন্ট জিনিস (যেমন, সাম্প্রদায়িকতা, সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধিতা…)  নিয়া হাউকাউ কইরা বাকশালের অথরিটিরে সেইফ ও আন-কোশ্চেনড রাখা, ইনডিয়ান কলোনিয়ালজমের স্টেইকটারে ইন-টেক্ট রাখা, এখনো তাদের কাজ একই! 

একইরকমের লেস-প্রায়োরাটাইজ জিনিসপত্র দিয়া (যেমন, আদিবাসি, পরিবেশ রক্ষা…) বাকশালের গনহত্যা ও লুটপাটের ঘটনাগুলারে লুকায়া ফেলা

মানে, ডোন্ট গেট মি রং যে, এই জিনিসগুলা নিয়া কথা-বলা ও এক্টিভিজম করা খারাপ জিনিস, কিনতু কোন পারপাস সার্ভ করে এইগুলা, পলিটিকালি! এইগুলা নিয়া কোশ্চেন করা যাবে না - সেইটা অবশ্যই আমার পয়েন্ট না, আমার পয়েন্ট হইতেছে, কোশ্চেনটা যেই সময়ে এবং যেইভাবে কন্সট্রাক্ট করা হইতেছে, অই জায়গাগুলা…

ইমরুল হাসান

22 Jan, 05:06


কনোটেশন (connotation)

কয়দিন আগে একজন জার্নালিস্ট লগে কথা হইতেছিল, আমি তো পোগরাম-টোগরামে কমই যাই, তো, একটা পোগরামের শেষে নানান কথার ফাঁকে উনি দিলশানা পারুলের পি.আলোর নিউজ শেয়ার নিয়া বলতেছিলেন যে, সংবিধান কমিশনের রিপোর্ট সাবমিশনের যে, পিছনের আরবিতে লেখা কলেমা মুইছা দিছে অইটা সমস্যা আবার কলেমার ছবি দিয়া ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ বইলা লেখছে, অইটাও সমস্যা, এইটা কেমনে হয়, যা করে দুইটাই সমস্যাই!... 

তখন আমি কইলাম, হাঁ, দুইটাই তো সমস্যা, পরেরটা বড় সমস্যা… ছবির ইমপ্যাক্ট তো বড়, এই কারনে ব্যাকগ্রাউন্ড বাতিল কইরা দিলে একটা distorted ঘটনা তো ঘটে, কিনতু তার চে বড় ইমপ্যাক্ট তৈরি করা যায় আসলে ছবিটা দেয়ার পরে একটা কনোটেশন তৈরি করতে পারলে যে, ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ, তার মানে ইসলামি জঙ্গিবাদ ফিরা আসতেছে :) পিছনের আরবি লেখা দেখতেছেন! বাঙালি জাতিবাদের লোকজনের জন্য অইটা বেশি ইমপ্যাক্টফুল আসলে (আনু মুহাম্মদদের কথা-বার্তা দিয়াও বেপারটা টের পাইবেন)… অনলাইনে তো শিকখিত ক্রাউড বেশি, অরা অই কোনোটেশনটার লগে বেশি কানেকট করতো পারবো, প্রিন্ট ভার্সনে আরবি হরফ ছাড়া ভিজুয়ালটা বরং বেটার… এইরকম ঘটনা আছে এইখানে

আমি বলতে চাইতেছি, মিডিয়া-আউটলেটগুলার কাজ সরাসরি মিছা-কথা কওয়া না (মানে, মিছা-কথাও কয়, না পারলে), বরং এইরকমের কনোটেশনগুলা তৈরি করা, যাতে কইরা একেকটা আইডিওলজির লোকজন দুইয়ে দুইয়ে দুইশ মিলাইতে পারে! ডালিম ফলের উপকারিতার নিউজের মানে হইতেছে মেজর ডালিমের কথা তো সিরিয়াসলি নেয়া যাবে না - অই এভিনিউ'টারে ওপেন করা, একটু হালকা কইরা ফেলা, ইভেন এনকাউন্টারও না করা… 

এইরকম কনোটেশনগুলা যে খালি পলিটিকাল ফ্রেমিংগুলা তৈরি করে - তা না, অন্য অনেক বিষয়েই কাজ করে, যেমন বাংলাদেশের মেডিকেল সিসটেম'টারে ধ্বংস করার বেপারেও এইরকমের কনোটেশনের জায়গাগুলারে তৈরি করা হইছে কিছুটা, যেমন, নিয়মিত বিরতি'তে ‘ভুল চিকিৎসার’ রিপোর্ট পাইবেন নিউজ-আউটলেটগুলাতে… এই ভুল-চিকিৎসা তো ঘটে অবশ্যই, এবং মেডিকেল সার্ভিসের অবস্থাও খারাপ, কিনতু ‘ভুল-চিকিৎসার নিউজগুলা’ হইতেছে কফিনে পেরেক মারার মতো… বাংলাদেশে মেডিকেল সার্ভিসের অবস্থা খারাপই, কিনতু আপনার ডর'টা রি-কনফার্মড হবে এতে

এখন আপনি এইরকম নিউজ করা বাদ দিবেন - ঘটনা এইটা না, ঘটনা হইতেছে কোন নিউজ কোন রিডার-গ্রুপের কোন কোনোটেশনরে জাগায়া তুলতে চায় - সেইটা খেয়াল না কইরা থাকাটা সম্ভব না আসলে! মানে, যেই জেনারালাইজেশনের দিকে এই ঠেইলা দিতে চায়, সেইটা হইতেছে ঘটনা! আপনার-আমার মনে কিছু ধারনা আছে, কোন নিউজ যখন অই ধারনার কনফার্মেশন হিসাবে হাজির হয়, সেইটা হইতেছে প্রবলেমেটিক…

যেমন, ধর্মনিরপেক্ষতা নামের সিউডো জিনিসটারে বাদ দেয়ার কথা বলা হইছে, এবং পিছনে আরবি হরফও আছে, কিনতু দুইটা মিইলা যেই ‘ইসলামি জঙ্গিবাদ ফিরা আসতেছে'র কনোটেশনটা তৈরি করতে চাইতেছে - সেইটা কোন জার্নালিজম না, বরং জার্নালিজমের জন্য একটা বড় সমস্যা, এইটা বুঝতে এবং মানতে পারাটা দরকার… 

আর এইরকম কনোটেশন তৈরি করতে পারাটা ভালো-সাহিত্য না, খারাপ জার্নালিজম 

ইমরুল হাসান

11 Jan, 15:09


যেইটা হয় নাই (বিপ্লবি সরকার) সেইটা নিয়া আফসোস কইরা তো লাভ নাই! সামনে, কি করার উপায় আছে, সেইটা নিয়া কথা বলাটা বেটার না? আমার প্রপোজাল ৩টা - 

১. নেকস্ট ইলেকশন জুন, ২০২৫ এর মধ্যে করেন! (এই ভালো-বাকশালিদের সরকার যতদিন থাকবে, তত বিপদ বাড়বে দেশের!) গন-পরিষদ ইলেকশন হবে সেইটা! 

২. ২ বছর মেয়াদ হবে সেই সরকারের! জাতীয় সরকার হবে! নতুন সংবিধান, গনহত্যা ও লুটপাটের বিচার (খালি পলিটিকাল লিডারই না, সরকারি লোকজনেরও, যেইটা এই ইন্টেরিম করবে না) এবং  রিকোয়ার্ড রিফর্ম - এই ৩টা হবে তাদের কাজ! 

৩. অই জাতীয় সরকারের প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ ইউনুসরে বানান! এডভাইজারি কাউন্সিলের হেড করেন খালেদা জিয়া'রে! গন-ভোটে সংবিধান পাশ হওয়ার পরে, তার আন্ডারে ইলেকশন দিয়া পলিটিকাল গবমেন্টের শাসন শুরু করেন! 

(মানে, ব্রডলিই বলা, খুঁটিনাটি আরো অনেক কিছু নিয়া আলাপ তো হইতেই পারে... একটা ওয়ে-ফরোয়ার্ড নিয়া আলাপ শুরু করাটা জরুরি আর কি)

ইমরুল হাসান

11 Jan, 13:59


এবি পার্টির কাউন্সিল বাংলাদেশের পলিটিকাল দলের কালচারে একটা পজিটিভ ঘটনা

বাংলাদেশে মুসলিম পরিচয়ের (নট ইসলামি) রাজনীতির একটা বড় জায়গা আছে, সেইটা কোন পলিটিকাল দল-ই এখনো পর্যন্ত এড্রেস করতে পারে নাই; বিএনপি অই জায়গাটা কাভার করতে রাজি আছে বইলা মনেহয় না, ডেমোক্রেটিক কিনতু মোস্টলি সেকুলার থাকাটাই তাদের পলিটিকাল চয়েস… জামাতে ইসলামি হিস্ট্রিকাল কারনে এইটা পারবে না, অন্য ইসলামি ফোর্সগুলাও যতটা ইসলাম-প্রশ্ন নিয়া আগাইতে রাজি আছে বাংলাদেশের মুসলমানদের ইউনিক আইডেন্টিটির জায়গাটারে ততটা মাইনা নিতে রাজি আছে বইলা মনেহয় না… মানে, এইসব নিয়া অনেক লম্বা আলাপ তো আছেই

তো, এইরকম কথা তো আছেই যে, এবি পার্টি হইতেছে এক্স-শিবিরদের বানানো একটা দল, কিনতু উনারা যদি একটা ডেমোক্রেটিক নর্মস এস্টাবলিশ করতে পারেন (যেই ইচ্ছাটা উনাদের আছে বইলা বাইরে থিকা দেখা যায়) এবং মুসলিম-আইডেন্টিটির জায়গাটারে এড্রেস করতে পারেন, উনাদের একটা ফ্রেশ স্টার্ট করার, পলিটিকাল ফোর্স হয়া উঠার সুযোগ আছে…

ইমরুল হাসান

10 Jan, 14:39


আওমি-লিগের বুদ্দিজিবি'রা খারাপ আর বিএনপি’র বুদ্দিজিবরা ভালো, বা জাশি কিংবা জানাক ও বৈছাআ'র বুদ্দিজিবিরা ভালো - এইরকম তো না, বরং দলিয়-বুদ্দিজিবি মানেই নেগেটিভ একটা জিনিস 

১. ইনটেলেকচুয়ালি বামদের মতো হইতে পারাটারে জাশি'র লোকজন যেইরকম ইসমার্টনেস মনে করে, একইরকম-ভাবে আওমি-বুদ্দিজিবিদের মতো ক্ষমতার জায়গাটারে সার্ভ করতে পারাটারেই বিএনপি'র বুদ্দিজিবি'রা নিজেদের কাজ বইলা মনে করতেছে

২. তো, মুশকিলই আর কি এইটা… মানে, দলিয় বুদ্দিজিবিদের কাজ'টা কি? দলরে সার্পোট করাই না শুধু, বরং যারা দলিয় স্বার্থের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদেরকে ব্যাশিং করা… জানাক, বৈছাআ'র লোকজনও এই কাজই করে, খালি নিজেদের প্রপাগান্ডা-ই করে না, যারা অই প্রপাগান্ডার বাইরে থাকে তাদেরকে ‘শায়েস্তা’ করাটারেই তাদের কাজ বইলা মনে করে

৩. যার ফলে, দলিয় বুদ্দিজিবি'রা বুদ্দিজিবিতার বেসিক যে প্রিন্সিপাল - ক্ষমতার জায়গাটারে কোশ্চেন করা - এই কাজটা কখনোই করতে পারে না! পিপলের ফেভারে না বরং দলের ফেভারে কথা বলা হইতেছে তাদের কাজ, দলের ক্ষমতার জায়গাটারে সার্ভ করা, যেইটা এন্টি-পিপল কোন জায়গাতে অপারেট করলে সেইখানে চুপ থাকা… তো, এইরকমের জিনিস পজিশন হিসাবেই ইনটেলেকচুয়ালিটির জায়গা থিকা বাতিল হইতে থাকার কথা, এবং হইতেছেও 

ইমরুল হাসান

10 Jan, 11:49


"উন্নয়নের জন্য কিছুদিন কষ্ট করতে হবে"র সাথে "বিগত সরকারের লুটপাটের বোঝা জনগনকে টানতে হবে"র ডিফরেন্স খুব বেশি না আর কি...

১. মানে, অবৈধ বাকশালি সরকার যে উন্নয়নের আন-ইমাজিনেবল লেভেলে লুটপাট করছে - এইটা তো মিছা-কথা না কোনভাবেই

২. এই ইকনোমি যে সামলাইতে হবে, এবং সেইটা সামলানো যে সহজ কাজ না - এইটাও আমরা জানি

৩. কিনতু এই excuse'র ধরন'টা পুরানা, যেইটা নিয়া ওরিড হওয়ার কারন আছে আসলে; সবকিছুর বোঝা যদি পিপলের ঘাড়েই চাপানো হয় এবং পিপলের কোন কথা না থাকে, সেইটা পুরান সিসটেমটার থাইকা যাওয়াটারেই বরং রি-কনফার্ম করে

ইমরুল হাসান

10 Jan, 04:18


দেখেন, থানা থিকা আসামি কখনোই পালাইতে পারে না, যদি না পুলিশ তারে পালানোর ব্যবস্থা কইরা দেয়! মানে, ফ্রেমিংগুলা খেয়াল কইরেন, বলার ভাষাগুলা, এর আন্ডালাইন মিনিং হইতেছে - "কেউ দায়ি না!"

সবসময়ই দেখবেন নিউজগুলা'তে রেসপন্সেবল পারসনের নাম হাইড করা হয়, বলা হয় না... যেমন আমি শিওর, এই নিউজের বেপারেও যেই থানা থিকা পালাইছে সেই থানার ওসি, অই সময়ের এসআই কারো নাম কোন নিউজে পাইবেন না! যদি থাকে, সেইটা রেয়ার ঘটনাই হবে...

আমি বলতে চাইতেছি, বাল-মিডিয়া সবসময় এই সার্ভিসটা দেয় ক্ষমতায় থাকা লোকজনরে, পাওয়ারফুল লোকজনরে তাদের রেসপন্সিবিলিটি (পড়েন, আকাম-কুকাম) থিকা 'বাঁচায়', সেইফ এগজিট দেয়... আগে আওমি-লিগরে দিত, এখন ইন্টেরিমের লোকজনরে দিতেছে, পরের গবমেন্টরেও দিবে, এই জায়গাটারে না-দেইখা থাকতে পারার জন্য যতটা কানা হইতে হয়, সেইটা হইতে আমরা যেন রাজি না হই, এইটা অন্তত আমরা করতে পারি আর কি

ইমরুল হাসান

08 Jan, 14:31


১. (এখনো) শেখ মুজিব-ই যেহেতু আমাদের দেশে বড়-নেতার আইকন, এই কারনে সুন্দর ভাষন দিতে পারা ও বড় বড় কথা বলতে পারাটাই পলিটিকাল নেতার যোগ্যতা হিসাবে আমরা দেখতে পাই; মানে, যেই লোক বড় বড় কথা কইতে পারে, সে-ও নিজেরে বড়-নেতা মনে করতে পারার কথা! তো, এই কোয়ালিটি থাকাটা তো ভালো, দরকারও… কিনতু এইটাই একমাত্র ঘটনা হয়া উঠলে মুশকিল আর কি! অনেকগুলা ছোট ছোট শেমু পাইতে থাকবো আমরা (নাকি অলরেডি পাইতেছিই?)

২. কিনতু যদি জিয়াউর রহমান বড় নেতার আইডল হইতে পারতেন তাইলে হয়তো ভালো-ভাষনের চাইতে এফেক্টিভ-একশন নিতে পারাটারেও পলিটিকাল লিডার হওয়ার একটা রিকোয়ারমেন্ট বইলা ভাবতে পারতাম আমরা; এইটা বাংলাদেশের রাজনীতি'তে খুব একটা হয় নাই আসলে, বরং পলিটিকাল একশনের জায়গাটারে কন্সপিরেসি করতে পারা'তে রিডিউস করা হইছে… পলিটিকাল রিডিং ঠিকমতো না করতে পারার কারনেই এইগুলা হইছে, হইতেছে

৩. যেমন, মুজিববাদ বইলা কিছু নাই, ছিল বাকশাল! কিনতু ‘বিপ্লবি'রা যখন বাকশাল বলতে শরম পায় তখন তাদের পলিটিকাল রিডিং নিয়া সন্দেহ করতে পারাটা দরকার। নতুন পলিটিকাল চিন্তা না থাকলে নতুন পলিটিকাল একশন কই থিকা আসবে! 

ইমরুল হাসান

08 Jan, 12:12


উইথ-ইন জানুয়ারি তিনটা কাজ করতে না পারলে বিপদে পড়বেন জুলাই আপ-রাইজিং সব পলিটিকাল ফোর্সগুলা - 

১. বিচারের আগ পর্যন্ত আওমি-লিগের পলিটিকাল এক্টিভিটি স্থগিত করা 

২. গবমেন্টের টপ ৫০০ জন লোকের (উপদেষ্টা, সচিব, ডিসি, এসপি…) সম্পত্তির হিসাব নিয়া যদি suspicious কিছু পাওয়া যায়, তাদের বিরুদ্ধে বেবস্থা নেয়া 

৩. সব শহিদ'দের পরিবার ও এটলিস্ট ৫০% আহতদেরকে সরকারি টাকা পৌঁছাইয়া দেয়া 

ইমরুল হাসান

07 Jan, 13:58


এই করছি, সেই করছি, এইটা করবো, সেইটা করবো - এইগুলা হইতেছে হাসিনার কথা, ইন্টেরিমের লোকজন এইগুলা না করলে বেটার...

বলা যাবে না - তা না, বলাটা কোনভাবেই ভালো শোনায় না, আপনারা ক্ষমতা'তে আছেন কিছু কাজ করার লাইগাই, আর ভালো কিছু করলে লোকজনই বলবো! এই কারনে বরং খোলাখুলি বলেন কি করতে পারতেছেন না, কেন করতে পারতেছেন না...

পিপলরে জানান! শুরু থিকাই আপনাদের ট্রান্সপারেন্সি নাই, ট্রান্সপারেন্ট হইতে ডরাইলে তো হবে না! নিজেরা নিজেদের বিপদ ডাইকা আনবেন আরো!

ইমরুল হাসান

07 Jan, 12:04


১. আগের দিনের রাজা-বাদশাদের পাইক-পেয়াদের মতো  গবমেন্টের লোকজনের কাজ তো সরকারের ইনকাম বাড়ানো না!* রেভিনিউ বেশি কালেক্ট করা মানে হইতেছে পিপলের কাছ থিকা বেশি টাকা নেয়া - এইটা তো ভালো জিনিস না, সবসময়! এই পুরান এটিটিউট'টা বাদ দিতে পারতেছে না, ইনটেরিম গবমেন্টও! গবমেন্টের কাজ যেন হইতেছে সরকারি কর্মচারিদেরকে বেনিফিট দেয়া! - এই জায়গা থিকা তারা বাইর তো হয়-ই নাই, বরং সরকারি কর্মচারিদের কাছে তারা জিম্মি হয়া পড়ছে! 

২. গরু লেজ নাড়াইতেছে না, লেজ-ই এখন গরু'রে নাড়াইতেছে! ইনটেরিম গবমেন্ট সরকারি কর্মচারিদেরকে আর চালাইতেছে না, বরং তারা-ই জুলাইয়ের পরে যে পিপলস গবমেন্ট ফর্ম করছিল তাদেরকে তার পেটের ভিতরে ঢুকায়া নিছে! এইটা বুঝতে ও মানতে রাজি হইলে এই ইন্টেরিম গবমেন্টের কাজ-কামের বেপারে ক্রিটিকাল হওয়াটা সহজ হবে, সবার জন্য…

৩. এবং এখনকার আমলা-ডমিনেন্ট ইন্টেরিম গবমেন্টের যে এন্টি-পিপল ইনিশিয়েটিভগুলা সেইগুলার এগেনেস্টে আমাদেরকে কথা বলতে হবে! গবমেন্টের কয় টাকা ইনকাম বাড়ছে - এইটা গবমেন্টের ‘সাফল্য’ হইতে পারে না, কোনভাবেই! বরং কয় টাকা খরচ তারা কমাইতেছে, এবং লুটপাটের কতো টাকা তারা আদায় করতে পারতেছে - সেইটা জানাইতে হবে; ভ্যাট সবসময় এন্ড-ইউজারের উপরেই গিয়া পড়বে, সেইটারে ঠেকানোর কাজ করতে হবে গবমেন্টের… 

...

*বরং পিপলরে সার্ভিস দেয়া, ওয়েল-ফেয়ার কাজগুলা করা, লোয়ার ইনকাম-গ্রুপের লোকজনের বেসিক নিডস এনশিওর করা, সেইগুলার জন্য টাকা তো লাগবে, কিনতু অইটারে ফোকাস করা না… আর অইটাতে ফোকাস করতে গেলেও ভ্যাট হইতেছে লাস্ট রিসোর্ট হওয়ার কথা

ইমরুল হাসান

06 Jan, 06:19


পরে বইলা তো লাভ নাই, এইজন্য আগেই বইলা রাখি, আগামিকাল ৭ই জানুয়ারি, ফেলানী হত্যার দিনে কোন দল বর্ডার কিলিংয়ের বিরুদ্ধে মিছিল বাইর করতে পারবে? বিএনপি, জামাত তো এতোদিন পারে নাই, এখন কি পারবে? জানাক?

ইসটুডেন্ট অরগানাইজগুলার কথাই বলেন - বৈছাআ? শিবির? বা ছাত্রদল কি এই 'সাহস' করতে পারবে? গত কয়েক বছরে ইনডিয়া বর্ডারে যেইসব বাংলাদেশিদেরকে খুন করছে, তাদের ছবি নিয়া মিছিল করতে?

মানে, আমি বলতে চাইতেছি, এন্টি-ইনডিয়ান পজিশন নিয়া থাকলে বাংলাদেশে কমন পিপলের সার্পোট পাওয়া যায়, কিনতু পলিটিকাল এক্টিভিটির মধ্যে এর প্রেজেন্স কম, এমনকি নাই-ই এক রকমের...

ইমরুল হাসান

06 Jan, 02:29


১. ১৯৭৫-এর চাইতে ২০২৪ অনেক বেশি ম্যাচিউর ঘটনা; বাংলাদেশের মানুশ এইখানে এক্টিভ রোল প্লে করছে প্যাসিভ থাইকা অবজারভ করার চাইতে, পরে খুশি হওয়ার চাইতে... এই কারনে দেখবেন ২০২৪'র তুলনাও হয় ১৯৭১'র সাথে, কারন এই দুইটাতে ঘটনাতেই বাংলাদেশের মানুশ হইতেছে 'ইতিহাসের নায়ক', কোন ব্যক্তি-বিশেষ না... (মানে, যার যার হিস্ট্রিকাল রোল তো আছেই)

২. তো, এইরকম saviour বা উদ্ধার-কর্তা বা মাস্টারমাইন্ডের যে দরকার নাই - তা না, কিনতু এইটা কম-বেশি নেগেটিভ ঘটনাই, কারন একজন ত্রানকর্তা আইসা সমাজরে উদ্ধার কইরা ফেলবেন - এইটা ভুল-ধারনা, একটা সময়ের নেশনাল হিরো'রাই পরে গিয়া বড় বড় জালিমে পরিনত হন, আমাদের রিসেন্ট হিস্ট্রিতে, এর অনেক উদাহারন পাইবেন (তারপরও লিডারের তো দরকার আছেই, মহা-মানব ও দেবত্ব আরোপ ঝামেলার...)

৩. এই কারনে আমি মনে করি, সমাজের মানুশের জাইগা উঠা ও এক্টিভলি পার্টিসিপেট করাটা হইতেছে ঘটনা; ২০২৪'র মেইন সিগনিফিকেন্স হইতেছে - পিপলস আপ-রাইজিং, ইনডিভিজুয়াল ব্যক্তি-মানুশের হাজার হাজার ছবি, ভিডিও করা, কথা বলা, রাস্তায় নামা, গুলি খাওয়া, জান দেয়া... এখনো ২০২৪'র যতটুক আশা আছে, সেইটা হইতেছে পিপলস ভয়েসের জায়গাটা; বাংলাদেশের মানুশের উচিত সরকারি অফিসগুলা দখল করা, জুলুমের দুর্গ হইতেছে অইগুলা... জালিম পালায়া গেলেও জুলুমের দুর্গের পতন হয় নাই! বাকশালি-প্রশাসনই বাকশালি-জুলুমের শাসন কন্টিনিউ রাখছে, এখনো!

ইমরুল হাসান

05 Jan, 14:45


১. উত্তর এতোটা ঘটনা না, প্রশ্নটা ঠিকমতো করা যাইতেছে কিনা - সেইটা হইতেছে সাংবাদিকতার ঘটনা, যেহেতু বাংলাদেশের সাংবাদিকরা সাংবাদিকতার নামে তেল-মারার কাজই করছেন এতোদিন, ক্ষমতারে প্রশ্ন করাটারে বেয়াদবি-ই মনে করতেন, সেই কারনে নুরুল কবীরের প্রশ্ন করাটারে একসেপশনাল মনে হইতেছে, কিনতু এইটাই তো নরমাল ঘটনা হওয়ার কথা... 

২. তবে সবচে উইক পয়েন্ট মনে হইছে, অই কনফার্মেশন নিতে চাওয়াটা যে, মুহাম্মদ ইউনুস এর পরে কি করবেন? আমি মনে করি, মুহাম্মদ ইউনুসের প্রেসিডেন্ট ইলেকশন করা উচিত... উনি ইলেকশনে জিইতা পিপলস মেন্ডেট নিয়া আসেন নাই - এই অস্বস্তি উনার মধ্যে আছে, যেই কারনে উনি মেবি আমলাদেরকে সেইভ করতে চাইতেছেন, পলিটিকাল দলগুলার চাপ'টারে আমলে নিতেছেন, পিপল আপ-রাইজিংয়ের অথরিটি'টারে এক্সারসাইজ করতেছেন না... কেন করতেছেন না - এই প্রশ্নটা সরাসরি করা হয় নাই, করা যাইতো 

৩. নুরুল কবীর মোটামুটি সবকিছুতেই একটা ডেডলাইন চাইতেছিলেন, আর মুহাম্মদ ইউনুস এইটা এড়াইতেছিলেন, তো, এইটাও অনেকটা রিভিল করে যে, হি ইজ নট ইন কনট্রোল, আশে-পাশের লোকজনের উপরেই উনারে ভরসা করা লাগতেছে, এবং তাদের উপরে খুব বেশি ভরসাও উনার আসলে নাই! ঠিকমতো কাজ না করার জন্য কাউরে উনি দায়ি করবেন বা বাদ দিবেন - এইরকম সম্ভাবনাও মনে হয় কম, যার ফলে উনি মেবি আরো কনট্রোল হারাইতে থাকবেন... যেইটা ঝামেলার জিনিসই হওয়ার কথা

ইমরুল হাসান

05 Jan, 06:07


সরকারের আমলা প্রশাসন যদি ইনটেরিম গবমেন্টরে ঠিকমতো ফাংশন করতে না দেয় - সেই কথা উপদেষ্টাদেরকে ক্লিয়ারলি বলতে হবে! উনারা প্রশাসনের লোকজনরে সেইভ করার জন্য, বিচারের হাত থিকা বাঁচানোর জন্য তো ক্ষমতায় বসেন নাই!

তারা ক্ষমতায় আছেন পিপলের জন্য, কিনতু পিপলের জন্য যদি তারা কাজ না করতে পারেন, সেইটা তো তাদেরকে বলতে হবে! আগের ক্রিমিনাল পুলিশ, ডাকাতি'তে জড়িত প্রশাসন, মুখস্ত রায় দেয়া জজ'দেরকে দিয়া বেসিক কাজগুলাই করাইতে পারতেছেন না; উল্টা নিজেরা বদনাম হইতেছেন!

হাসিনার মতো গনহত্যাকারী'রে সরাইতে পারছে এই দেশের মানুশ, তার সহযোগিদেরকেও সরানোর জন্য, বিচারের জন্য ইনটেরিম গবমেন্টরে ক্ষমতা দিছে দেশের মানুশ, অই ক্ষমতা যদি তারা ইউজ করতে হেসিটেট করেন, তাইলে দেশের মানুশরেই আগায়া আসতে হবে! আরেকবার রাস্তায় নামতে হবে! সরকারি অফিসগুলা দখল করতে হবে!

ইমরুল হাসান

05 Jan, 03:41


বাংলাদেশে, এখনকার সময়ে পলিটিকাল পজিশন নেয়া এতো টাফ কিছু না, একটা সিম্পল জিনিসই খেয়াল করতে পারেন - বাল-মিডিয়া যার ফেভারে আছে তাদের বিরোধি পজিশনে থাকবেন, ধইরা নিতে পারেন, তারা যাদের বিরোধিতা করে অই গ্রুপটাই কম-বেশি প্রো-পিপল ফোর্স... মানে, এবসুলেটলি সার্পোট করার মতো কাউরে তো পাইবেন না, রিলেটিভ একটা পজিশনই আপনারে নিতে হবে

বাল-মিডিয়া এখন ইনটেরিম গবমেন্টরে আরেকটা বাকশাল বানায়া ফেলছে, তাদের সবকিছু কনট্রোল করতে পারতেছে আমলা, পুলিশ, সরকারি কর্মচারি'রা যার ফলে তাদের বেপারে ক্রিটিকাল হইতে পারাটা দরকার

অন্যদিকে বিএনপি'রে দেখবেন ধুইয়া ফেলতেছে, এমন কোন কেলেংকারি নাই যা বলা হইতেছে না, বিএনপি'র লোকজনও ইনোসেন্ট না, কিনতু মিডিয়ার এই বিএনপি ব্যাশিং নিয়াও চিন্তা করা দরকার... বাংলাদেশের পলিটিকাল কালচারে জামাত, জানাকও এই পাওয়ার-এজেন্সির বাইরে না, বরং উনারা সরকারি-স্ট্রাকচার'রে কম ইউজ করতেছেন না... মানে, ডিফরেন্সিয়েট করার স্কোপ তো আছেই, জানাকের প্রতি তো এক্সপেক্টশন তো এখনো আছে, কিনতু তারা যেইরকম মিডিয়া-ফ্রেন্ডলি এইটা পজিটিভ ঘটনা না, পলিটিকসের জায়গাতে; শয়তানের সাথে দোস্তি করার মতো ঘটনাই অনেকটা...

ইমরুল হাসান

04 Jan, 09:39


বাংলাদেশে বিচার-বিভাগের সবচে কলংকিত ঘটনা হইতেছে ২০১২ সালের স্কাইপি'র ঘটনা; এর কোন বিচার কি হইছে? মানে, বিচারপতি পদত্যাগ করছেন, কিনতু এই ঘটনার কি বিচার করার দরকার মনে করেন নাই কেউ? এবং এরপর থিকা বিচারপতি'রা আরো ‘সাবধান’ হয়তো হইছেন, কিনতু একইসাথে বিচার করার নৈতিক অধিকারও তারা নষ্ট করছেন (আর সেইটারে কাভার করতে গিয়া আরো vindictive হইছেন কিনা - সেই কথাও মনেহয় আমাদের ভাবতে পারা উচিত)... মানে, যতদিন পর্যন্ত এতো বড় একটা ক্রাইম করার জন্য বিচারপতিদের কোন বিচার না হবে, মানুশ আইন-আদালতের উপর বিশ্বাস রাখতে পারবে, এই পসিবলিটি তো কমই (ঘুষ খাইয়া রায় দেয়া, জামিন দেয়া - এইসব অভিযোগ মোটামুটি কমন ঘটনাই এখন)

তারপরে আসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কথায়, খালি বাংলাদেশে না, সারা দুনিয়ার ইতিহাসে সবচে বড় ব্যাংক ডাকাতির ঘটনা হইতেছে, রিজার্ভ চুরি; তো, বাংলাদেশ ব্যাংকের লোকজন তো এর লগে একটু হইলেও জড়িত… আর হাজার হাজার কোটি টাকা যে পাচার হইছে, সেইটা কি বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন হেল্প ছাড়া হওয়াটা পসিবল? তো, এই লোকগুলার কোন বিচার না কইরা কেমনে অন্যদের বিচার করার কথা বলবেন আপনারা? আর বললেই লোকজন বিশ্বাস করবে?

লাস্টলি, জুলাই গনহত্যা, আওমিলিগ ছাত্রলিগ যত খুন করছে তার চাইতে বেশি খুন করছে পুলিশ, রেব, বিজিবি… তো, অই লোকগুলারে গ্রেফতার না করলে পুলিশ যে আবার গুলি চালাবে না, মানুশরে হেনস্তা করবে না, রিমান্ডে নিয়া পিটাবে না - এই জিনিস কেন ভাববে মানুশ? কোন সুখে বা দুকখে এইটা মনে করবে?

এইরকম শ’য়ে শ’য়ে উদাহারন দেয়া যাবে! যেই ডিসি, এসপি, আমলা, সচিব'রা ফ্রড ইলেকশন করছে, অই লোকগুলা কেমনে ভালো হয়া যাবে? ইনডিয়ার কেন্ডিডেটদেরকে কেন আবার পাশ করাবে না! যেই বুদ্দিজীবীরা বাকশাল আমলে ‘নিরেপক্ষতা’ দেখাইছে, অই লোকগুলাই আবার ‘নয়া বন্দোবস্ত’ নিয়া কেমনে ভাববে, কায়েম করবে…

মানে, কথা সিম্পলই, পুরান লোক দিয়া নতুন ব্যবস্থা তৈরি করা যাবে না, এটলিস্ট তাদের একশনের জায়গাতে যদি ভিজিবল কোন চেইঞ্জ না আসে… যদি সত্যিকার অর্থেই পুরান বাকশালি ব্যবস্থার বিলোপ চান, তাইলে নতুন লোকজনদের দিয়াই এইটা করতে হইতো! কিনতু এইটা মেবি টুউ লেইট! তো, আমরা যে পারি নাই - এইটা মাইনা নিতে পারাটা আগে দরকার, নতুন কইরা শুরু করার আগে…

ইমরুল হাসান

03 Jan, 06:52


ইনটেরিম গবমেন্টের এবং জুলাই আপ-রাইজিংয়ের অনেক না-পারা ও ব্যর্থতা তো আছেই, তবে আমি সবচে বড় ফেইলওর মনে করি, আওমি-লিগের বেপারে কোন কমন-কনসেনশাস বা ডিসিশানে না আসতে পারা...

৪/৫ মাস পার হয়া গেছে, এখন সব পলিটিকাল ফোর্স মিইলা একটা ডিসিশান নেন, বিফোর ইটস টু লেইট! ধরি মাছ না ছুঁই পানি - এইভাবে চলতে পারে না! এইটা কমপ্লিটলি একটা পলিটিকাল ডিসিশান! সব পলিটিকাল ফোর্স এবং পলিটিকাল দলগুলার, এবং সবাই মিইলা এই জায়গাটাতে ভয়াবহ-ভাবে ফেইল করছেন, দেশের মানুশরে একটা বিপদের সামনে দাঁড়া করায়া রাখছেন!

বিচারের আগ পর্যন্ত যদি আওমি-লিগের রাজনীতি বন্ধ করার ডিসিশান না নিয়া কোন পক্ষেরই কোন লাভ হইতেছে বইলা আমি মনে করি না, এক আওমি-লিগের ছাড়া! যদি জানুয়ারি'র মধ্যে এই নিয়া কোন পলিটিকাল ডিসিশান না নেয়া হয়, সব পলিটিকাল দল এবং ফোর্সই সাফার করবে... আর তারা কি আসলেই এইটা দেখতে পায় না?

ইমরুল হাসান

02 Jan, 17:20


পুরান সিসটেম'টা পুরাপুরি রি-স্টোর হয়া সারছে মনেহয়...

ইমরুল হাসান

02 Jan, 04:26


এইটা ভালো ডিসিশন... এইরকম এলিটদের কাছে আন-পপুলার, দরকারি এবং টাফ ডিসিশন নিতে পারাটা ক্রুশিয়াল; কিনতু এইরকম ডিসিশন খুব বেশি দেখি নাই, গত ৪-৫ মাসে

https://www.facebook.com/share/p/14vcXzZ4Sv/

ইমরুল হাসান

02 Jan, 03:21


২০১৮’র ডামি ইলেকশনের লগে জড়িত সরকারি লোকজনের বিচার না কইরা ২০২৫-এ ফেয়ার ইলেকশন করা যাবে না!

আবারো বলি, বাংলাদেশের পুলিশ-মিডিয়া-আমলা-প্রশাসন এরাই হইতেছে আসল বাকশাল, এরা আওমি লিগ'রে ফিরায়া না আনতে পারলে আরেকটা আওমি-লিগ বানায়া নিবে, এর জন্য বিএনপি'র একটা অংশ যতটা ইন্টারেস্টেট, তার চাইতে বড় পটেনশিয়াল হইতেছে জামাত ও নতুন দল, যাদের পিপল কানেকশন কম, যার ফলে তাদেরকে পাওয়ারের লোভ দেখায়া ডিপেন্ডেড কইরা তোলাটা সহজ, এমনকি কেউ কেউ তো রাজিও আছেন আসলে…

তো, এইটা হইতেছে পলিটিকসে এন্টি-পিপল হয়া উঠাটার শুরু, শয়তানের ফান্দে পা দেয়ার ঘটনা, এইটার জন্য নতুন-পুরান কিছু পলিটিশিয়ান সবসময় রাজি আছেন, থাকবেন… কিনতু ঘটনাটা তখনই ঘটতে পারে যখন এই পাওয়ার-স্ট্রাকচারের লোকজন খালি পার্টিসিপেটই করেন না, বরং নিজেদেরকে বিচারের বাইরের লোক মনে করেন! এবং বিচার তো হয়ও না আসলে, কেউ কথাও বলে না!

এই কারনে সরকারি আমলা-টামলাদের বিচার হওয়াটা জরুরি, তা নাইলে এরা ২০২৫-ও একটা প্রি-প্ল্যানড ইলেকশন করার ব্যবস্থা করবে, মিনিমাম ইলেকশনের ডেমোক্রেসি এস্টাবলিশ করাটা টাফ হবে

ইমরুল হাসান

01 Jan, 13:12


আমার জামাত-থিসিস (২০২৪)

[এই কথাগুলা আমি নানান সময়ে নানান জনরে বলছি, তো, লেইখাও রাখা যাইতে পারে বইলা ভাবলাম…]

১. কোন গারমেন্টেসের ছরমিক’রে জামাত সার্পোট করতে দেখছেন? কাজের বুয়া, রিকশার ড্রাইভার, ডেইলি লেবার? মানে, এইরকম ‘অশিকখিত’ ‘গরিবদের’ মধ্যে জামাতের সার্পোটার নাই - এইটা আমার কথা না, থাকতে তো পারেই, কিনতু এইরকমের ঘটনাগুলা মেবি কম-ই, এবং এইভাবে উনারা নিজেদেরকে ব্রান্ডিং করেন না, জামাত হইতেছে শিকখিত, মধ্যবিত্ত, ইসলামি-কালচারের লোকজনের দল… উনাদের ইকনোমিক ইসট্রাকচারটার কারনে উনারা বাম দলগুলার চাইতে একটু বেশি ছড়ানো, কিনতু কম-বেশি একই ক্লাসেরই জিনিস

২. কিনতু কিছু এলাকায় তো উনারা ইলেকশন জিততে পারেন, কিছু জায়গায় উনাদের শক্ত ঘাঁটি আছে, তো, অইসব জায়গাতে আমি ধারনা করি, উনারা বিএনপি-আওমি লিগের মতোই, আলাদা কোন সিগনিফিকেন্স নাই, তাদেরও চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট থাকার কথা… মানে, যেই আইডিওলজিকাল ও অরগানাইজেশনাল সেটিং আছে সেইটা যতক্ষন ছোট-দল হিসাবে আছেন ততক্ষন এফেক্টিভ থাকে, যখনই বড়-দলের মতো হইতে পারেন তখন বড়-দলের মতোই ফাংশন করেন বা করবেন

৩. যেহেতু লেলিনিস্ট একটা ফর্মে উনারা অপারেট করেন, উনারা তো কখনোই বড়-দল হইবেন না! বরং আইডিয়া'টা হইতেছে ১০%-১৫% পিপলের সার্পোট নিয়া উনারা বিপ্লব করবেন, কিনতু এখন তো বিপ্লব করা পসিবল না! যার ফলে উনারা যেইটা করেন পাওয়ার-স্ট্রাকচারের ভিতরে ঢুইকা, সেই জায়গাগুলারে কব্জা করার ট্রাই করেন (মিলিটারি, সরকারি অফিস, ভারসিটি, পত্রিকা, শিল্প-সাহিত্যিক…), যারা বা যেইসব জায়গা ক্ষমতারে অপারেট করে, সেইখানে নিজেদের লোকজন সেট করেন… বিপ্লব না করতে পাইরা বিপ্লবের কন্সপিরেসি করেন

৪. যেই কারনে জামাত'রে সবসময় ক্ষমতার আশে-পাশে পাইবেন, ১৯৯১-এ তারা বিএনপি'র সাথে ছিলেন ১৯৯৬-এ আওমি-লিগের সাথে ছিলেন, এবং যখনই ক্ষমতার জায়গাগুলা থিকা দূরে থাকছেন বিপদে পড়ছেন… এইটা উনাদের পলিটিকাল স্ট্রাটেজিই না, সারভাইবালের কোর ঘটনা; এখন ২০২৪-এ ইনটেরিম গবমেন্টের আমলা ও ইসটুডেন্টদের সাথে থাকতেছেন…

৫. কিনতু উনাদের জন্য অবশ্যই সবচে ট্রিগারিং পয়েন্ট হইতেছে ১৯৭১; কিছু কিছু পলিটিকাল ভুল আসলে শুধু মাফ চাওয়ার বা মাফ করার জিনিস না, যেইটা অনেকে ভুল করেন বইলা আমি মনে করি, ১৯৭১ সালের জামাতের ‘রাজনৈতিক ভুল’ শুধুমাত্র একটা ভুল না, একটা গনহত্যায় সার্পোট দেয়াটা তাদেরকে হিস্ট্রিকালি এমন একটা জায়গায় নিয়া গেছে, যেইখান থিকা পলিটিকালি রিভাইব করা পসিবল না… বাংলাদেশের মানুশ ১৯৭১ সালে গনহত্যা সার্পোট করার জন্য জামাত'রে মাইনা নিতে পারার কোন কারন আসলে নাই; উনারা এই নিয়া চুপ থাকতে পারেন, মাফ চাইতে পারেন, কিনতু মানুশের মেন্ডেট পাইতে পারেন - এইটা একটা পসিবলিটি হিসাবে আমি দেখি না, কিছু হিস্ট্রিকাল ভুল খালি ‘ভুল’ না, এইটা বিয়ন্ড পলিটিকস

৬. তো, যেই কারনে উনাদের মেইন ক্লেইম দেখবেন পারসোনাল জায়গাগুলা - সৎ, মেধাবি, ভালো-মানুশ… এই জায়গাটাতে আমি পুরান বামদের বেপারেও বলছি, কেউ পারসোনাল লাইফে ভালো-মানুশ বইলাই তার চিন্তা ও পলিটিকাল পজিশন ঠিক - এইটা কোন যুক্তি হইতে পারে না! ‘ভালো মানুশ’ হওয়াটা মিনিমাম একটা সোশাল কোয়ালিটি হওয়া উচিত, কেউ ভালো-মানুশ হবেন, অন্যের ক্ষতি করবেন না - এইটা আমাদের এক্সপেক্টশন, কিনতু কেউ এইরকম বইলা তার পলিটিকাল পজিশনও ভালো - এইটা ভুল-চিন্তা বরং, আমাদের উচিত হবে এই জায়গাগুলারে আলাদা কইরা লোকেট করতে পারা

৭. আমারে ভুল বুইঝেন না, এই ভালো-মানুশি অবশ্যই খারাপ কিছু না, বরং একটা বেয়ার মিনিমাম রিকোয়ারমেন্ট হওয়া উচিত, কিনতু সেইটারে একটা আপার-ক্লাস বা শিকখিত traits (বৈশিষ্ট্য) হিসাবে মার্ক করার ঘটনা ঘটে, যেইখানে বামপন্থি রাজনীতি করা যদি হয় ব্রাহ্মণ্যবাদ, জামাত হইতে পারাটা হইতেছে আশরাফ-মুসলমান হইতে পারা, এসথেটিকালি এইটা কাছাকাছি জিনিসই, এবং যেইটা প্রিসাইজলি আমাদের কালচারাল ফাইটের জায়গাটা বইলা আমি মনে করি

৮. মানে, একটা ‘বাঙালি’ (আরো প্রিসাইজি বললে কলোনিয়াল, নেশনাল, ব্রাহ্মণ্যবাদ, হিন্দুত্ববাদ…) কালচারাল-পলিটিকাল জায়গার বদলে একটা ‘ইসলামি’ (প্রি-কলোনিয়াল, প্যান-ন্যাশনাল, আশরাফি, অভিজাত) কালচার-পলিটিকাল জায়গাতে অপারেট করাটা সেইম লেভেলের বেইজেই আমাদেরকে ফিরায়া নিয়া যাবে… এসথেটিকালি এই রিস্কটাও আছে

৯. যার ফলে, আমি মনে করি আওমি-বাকশালি আমলে তাদের জুলুম-নিযার্তনের কথা মনে রাইখাও বলা যায়, জামাত এমন একটা পলিটিকাল পার্টি যারা ১৯৭১ সালে জাইনা-শুইনা মানুশ খুন করা'রে সার্পোট করছিল, এবং মোটামুটি বেশিরভাগ সময়েই ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে চাওয়া শিকখিত মিডল ক্লাসদের দল, যারা এসথেটিকালি ইসলামি-আভিজাত্যরেই প্রেফার করে, আর এই বেইজটারে যদি আমরা বাংলাদেশের মানুশের পক্ষে ইনডিয়ান হেজিমনির এগেনেস্টের পলিটিকাল চয়েস হিসাবে কন্সিডার করি, সেইটা ভুল ডিসিশান-ই হবে 

ইমরুল হাসান

01 Jan, 09:29


১. একটা জিনিস ভালো যে, ভুয়া-ডেটা দেয়া মেবি বন্ধ হইছে! যেইটাতে আমরা আগের অবৈধ গবমেন্টের বরাতে বাল-মিডিয়াতে দেইখা আমরা অভ্যস্থ ছিলাম! ট্রেড বাড়তেছে, রপ্তানি বাড়তেছে, জিডিপি বাড়তেছে, ডলারের দাম ১০ পয়সা (বড়, বোল্ড) কমছে! এইরকম একসাইটিং জিনিসের বদলে ক্লোজ টু রিয়ালিটি কিছু জিনিস আমরা পাইতেছি...

২. তো, এই ডেটা থিকা এইটাও ক্লিয়ার যে, আহত'রা সরকারি কোন হেল্প পাইতেছে না! ১৬০০ জনরে হেল্প করা হইছে, যেইখানে লিস্ট-ই আছে প্রায় ২০ হাজারের, আসল নাম্বার'টা ৪০ হাজারের কম মেবি হবে না... মানে, ৬ মাসে ৫%-৭% লোকরেও রিচ করা যায় নাই; এইটা কমপ্লিট ফেইলওরই একটা!

৩. যারা মারা গেছেন, তাদের ফ্যামিলি'রে রিচ না করতে পারারও তো কোন কারন নাই! আমি মনে করি, এটিটুড'টাই এইখানে বড় সমস্যা! সরকার শহিদ-পরিবার'রে দান-খয়রাত কইরা অনেক বড় উপকার করতেছেন - বেপারটা এইরকম না, তারা কেন গবমেন্টের কাছে আইসা হাত পাতবে! গবমেন্টের উচিত তাদের কাছে গিয়া সেইটা পৌঁছাইয়া দেয়া! শহিদ-পরিবারদের সরকারি অফিসে গিয়া ধর্না দেয়া না! এই এটিটুড'টা থাকলে আগামি ১ মাসের মধ্যেই মিনিমাম দায়িত্বটা পালন করা পসিবল!

ইমরুল হাসান

01 Jan, 07:54


বট বিষয়ে

.
আওমি-বট যেইরকম খারাপ, জামাতের, বিম্পির এমনকি জানাকের বটও খারাপ-ই, ভালো কিছু তো না! 

বাংলাদেশের পলিটিকাল কালচার'রে বদলাইতে হইলে এটলিস্ট পলিটিকাল দলগুলারে এই বট-বাহিনিরে পেট্রোনাইজ করা বন্ধ করা লাগবে; এইসব বট-বাহিনিরে লিড দেন যেই দলিয় এক্টিভিস্ট'রা, উনারা যদি কোন ইকনোমিক ও পলিটিকাল বেনিফিট না পান, উনাদের পক্ষে এইরকম হাউকাউ আন-লিমিটেট টাইমের জন্য কন্টিনিউ করা পসিবল না! 

এইরকম ‘অনলাইন এক্টিভিজম’ খালি ‘আদর্শিক’ কোন ঘটনা না, এর লগে ইকনোমিক ও পলিটিকাল বেনিফিট জড়িত বইলাই এইটা সম্ভব হয়… নিজের খাইয়া বনের মোষ তাড়ানোর লোক নাই না, তারা সংখ্যা কম-ই, এবং এতে ইকনোমিক না থাকুক, পলিটিকাল বেনিফিট আছে বইলাই এইটা পসিবল হয়

পলিটিকাল লিডারদেরকে এই জিনিসগুলা পেট্রোনাইজ করা বন্ধ করতে হবে; ফ্যানাটিক সার্পোটার’রা আওমি-লিগের কোন উপকার করে নাই, বরং ডুবাইতে হেল্প করছে! বিএনপি ও জামাতের বট-বাহিনিও এই কাজ-ই করতেছে, জানাকেরও ফ্যানাটিক অনলাইন এক্টিভিস্ট তৈরি হওয়ার একটা জায়গা মেবি তৈরি হইতেছে, তো, এই জিনিসগুলারে থামাইতে না পারলেও অফিশিয়ালি প্রমোট করা বা এনডোর্স করা বাদ দিতে হবে পলিটিকাল দলগুলারে

পলিটিকাল দলগুলার প্রপাগান্ডা থাকবে, কিনতু সেইটারও  একটা ফাইন-লাইন থাকা’টা দরকার… বট-বাহিনি পলিটিকাল দলগুলার প্রপাগান্ডারে এস্টাবলিশ কইরা ‘বিজয়’ নিয়া আসে না, বরং সাধারন ভোটার কমায় আসলে… দল'রে কমন-পিপলদের থিকা দূরে সরায় আরো… দলের ডিলারশিপ নিয়া নেয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই 

দলিয় বুদ্দিজিবিদের কাজ দলের নেতাদের নেক-নজরে থাকা, তাদেরকে খুশি করা; পিপলের কথা বলা না, এরা পিপলস ভয়েস না, যেই কারনে তাদের এক্টিভিটি বেশিরভাগ সময়েই দলের নেতাদেরকে পিপলের কাছ থিকা দূরে সরায়া নিয়া যায়… আওমি-লিগের বেপারে এইটাই হইছিল, জামাত একই ফর্মেশনেই চলে, বিএনপি’র উচিত হবে এই ফান্দে না পড়া, জানাকেরও উচিত হবে এই ইনিশিয়েটিভ শুরু না করা

মানে, দলিয় বুদ্দিজিবি'রা থাকবে না বা তাদের কথা পলিটিকাল লিডার'রা শুনবেন না - তা না, বরং ডিসকাউন্ট করতে পারাটা ক্রুশিয়াল, এবং জরুরি হইতেছে তাদের কথাগুলারে পিপলের কথা বইলা ভুল না করা… 

বট-বাহিনির বিজনেস পুরাপুরি বন্ধ করা যাবে বইলা আমি মনে করি না, একটা গ্রুপ অফ পিপল সবসময় এই সার্ভিসটা দিতে রাজি থাকবেন, কিনতু যখন আপনি কিনতে কম রাজি হইবেন, বেনিফিট কম দিবেন, এদের ড্রেস্টাক্টিভনেসটা কমতে পারবে কিছুটা 

ইমরুল হাসান

31 Dec, 17:28


আমি আতশবাজির পক্ষে না কোনভাবেই, কিনতু কনট্রোল করার বদলে মানুশরে সেলিব্রেট করার এভিনিউ তো দিতে হবে!  

আপনি রাস্তায় নামতে দিবেন না, পাড়ায় মহল্লায় পোগরাম করতে দিবেন না, একসাথে হইতে দিবেন না, তো, মানুশ-জন কি করবে! নিজেদের বাসার ছাদে উইঠা গেল! ছাদে উইঠা কি করবে? জোরে জোরে গান বাজাবে, আতশবাজি ফুটাবে... এইগুলা ভালো কোন জিনিস না, কিনতু যে কোন সেলিব্রেশন কেমনে করবে মানুশ! তার কিছু ওয়ে তো খোলা রাখা দরকার, তৈরি করা দরকার! 

পাড়া-মহল্লার খোলা জায়গায় ফ্যামিলি নিয়া গানের, আড্ডার মজমা করেন! কমিউনিটির মধ্যে ডর-ভয় কমানোর ট্রাই করেন,  হার্মফুল এক্টিভিটি এমনিতেই কইমা আসবে, তার বাই-প্রডাক্ট হিসাবে! সেলিব্রেট করাটারে (যে কোন অকেশনেই হোক) ভিলিফাই করাটা রাইট ওয়ে না আর কি!

ইমরুল হাসান

31 Dec, 16:59


জানাকের জামাতের প্রতি যেই কৃতজ্ঞতা, সেইটা ৭১-এ আওমি-লিগের ইনডিয়ার ঋনের জায়গা পর্যন্ত না গেলেই হয়... শত্রু'র প্রতি সন্দেহের চাইতে বন্ধু'র প্রতি ক্রিটিকাল থাকতে পারাটা বেশি জরুরি, সবসময়

ইমরুল হাসান

31 Dec, 13:03


তো, ‘জাতিয় ঐক্যমতের ঘোষনাপত্র’ বা ‘প্রক্লেমেশন অফ জুলাই রেভ্যুলেশন’ আপনারা ইংলিশেই লেইখেন! কারন যেই বাংলায় লেখবেন দেশের অরধেক মানুশ সেইটা পড়তে পারবো না! আর যারা পরমিত-বাংলা পড়তে পারে তারাও ইংলিশে লেখলেই পড়তে বেশি আরাম পাইবো!

মানে, যেই জিনিসই আপনি লেখেন, কিছু মানুশ-জন পড়বো বইলাই তো লেখতেছেন! আর এই রিডার-গ্রুপের মধ্যে সবচে সিগনিফিকেন্ট হইতেছে বিদেশি লোকজন, যারা পইড়া বলবো যে, বাহ, ভালো জিনিস হইছে তো! তো, তাদের জন্য তো ইংলিশে লেখাই লাগবো! এই কারনে, ইংলিশ হইলে আলাদা কইরা কাজটা করা লাগবো না!

সেকেন্ড গ্রুপ হইতেছে, শিকখিত, ইনফ্লুন্সিয়াল ইন্টেলেকচুয়াল, ভারসিটির টিচার, সাংবাদিক, আমলা, পিএইচডি… যারা এইগুলা নিয়া টক শো করবো, নানান ভুল-টুল ধরায়া দিবো;  উনাদের জন্যও ইংলিশে হইলেই সুবিধা, বাংলা উনারা বলতে পারেন-না না, উনারা তো একটু ভয়ে-ভয়েই থাকেন যে, ঠিকঠাক বাংলাটা বলা হইলো কিনা! মানে, বাংলায় কইলে তো অনেকে অনেক ভুল ধরতে আসবে! ছোটলোকদেরকে এড়ানোই ভালো, গ্লোবালি বড় একটা অডিয়েন্সের লগে কানেক্ট করারও একটা ঘটনা তো আছেই… 

আর লাস্টলি যারা এসএসসি এইচএসসি পাশ করছে কিনতুু ইংলিশ পড়তে সমস্যা হয়, তাদের জন্য ট্রান্সলেট কইরা দেয়া যাবে না হয়; তারা যেহেতু ইংলিশ ভালো-মতো পড়তে পারে না, বাংলায় পইড়াও তো তেমন কিছু বুঝবো না! বা তাদের তো তেমন কোন ‘নিজস্ব মতামত’ থাকারও কথা না, তারপরও এই গ্রুপটা হাউকাউ করতে পারে কিছু, তাদের জন্য একটা বাংলা-ভারসন কইরা দিলেই হবে, (এআই দিয়া করলে ভালো, তখন ভুল ধরতে ডরাবে)… 

তবে দেশের অরধেকের বেশি মানুশ-ই তো পড়াশোনা জানে না, তাদের ডিসিশান আপনারাই নিয়া নিয়েন! জাস্ট আবার যদি জান দেয়ার দরকার পড়ে তাদেরকে ডাক দিয়েন! এর বাইরে, ঘোষনাপত্রে কি আছে কি নাই, এইটা জানায়া তাদেরকে বিপদে ফেলার তো দরকার নাই! তাই না! 

ইমরুল হাসান

31 Dec, 10:15


বাংলাদেশ যতদিন আওমি-বাকশালি রাজনীতির বীজ থাইকা যাবে ততদিন পর্যন্ত খালি নতুন কোন পলিটিকাল দল-ই তৈরি হইতে পারবে-না না, বিএনপি'র পক্ষেও নতুন রাজনীতি শুরু করা পসিবল হবে না

জানাক বা বিএনপি যদি মনে করে, পুরান আওমি-লিগের জুজু জিয়াইয়া রাইখা ভোটের ময়দানে বেশি ভোট আদায় করা যাবে - তারা ভুলই করবেন, বাংলাদেশে যারা সত্যিকার অর্থে রাজনীতি করতে চান, তাদের নিজেদের ইন্টারেস্টেই আওমি-বাকশালিদের রাজনীতি বাতিল করতে পারতে হবে! এইটা এমন একটা বীজ, যেইটা থিকা বিষবৃক্ষ বারবার জন্মাবে! 

এইখানে একটা কোশ্চেন অনেকে করেন যে, যেইসব লোকজন আওমি-লিগ করতো, তাদের কি হবে? এইটা এতো ক্রিটিকাল কোন কোশ্চেন না আসলে, কয়েকটা ফ্রন্টে জিনিসটা ছড়ায়া যাবে - 

১. যারা ক্রিমিনাল এক্টিভিটির সাথে ইনভলব ছিলেন, তাদের অনেকেই দেশ ছাইড়া পালাইছেন, অনেক ‘শিকখিত’ লোকজন যারা আওমি-লিগে খাইতেন-পড়তেন-ঘুমাইতেন তাদের অনেকেও মন-খারাপ কইরা বিদেশে চইলা যাবেন… 

তবে এই অংশ'টা অল্পই; তারপরও যদি তাদের বিচার না করতে পারেন, তারা ফিরা আসবে, গ্যাঞ্জামগুলা করতে থাকবে আবার, পলিটিকালি না পারলেও সোশালি ও কালচারালি

২. অনেকে ইন-এক্টিভ হয়া যাবেন, ভুল-বুঝতে না পারলেও বুঝবেন যে, কিছু কিছু ভুলের মাফ হয় না, ২০২৪-এর জুলাই-অগাস্টেও যারা দেশের মানুশের পক্ষে দাঁড়াইতে পারেন নাই, তারা আর পারবেন না, যার ফলে যতই তারা ট্রাই করুক, তারা রিজেক্টেটই হইবেন মানুশের কাছে, নিজেরাও মেবি ধিরে ধিরে এইটা মাইনা নিতে পারবেন (এগেইন, বিচার না হইলে এইটা হবে না…)

৩. যারা আওমি-সার্পোটার ছিলেন, ভোট হইলে ভোট দিতেন, তারা কোন সিঙ্গুলার আইডেন্টিটি না, মানে, তারা খালি আওমি-লিগই করতেন - তা না, তাদের অনেকে সেকুলার, অনেকে ইসলামিস্ট, অনেকে জাস্ট ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা লোক… 

তো, যারা ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে চান তারা বাতাস বুইঝা জানাকে ও বিএনপি'তে ভিড়তেছেন, তাদেরকে দলে নেয়াটা অপরাধ বইলা আমি মনে করি না, কিনতু তাদের থিকা সাবধান থাকাটা সবসময় ভালো, এরা নিজেদের সুবিধার জন্যই ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে চায়, কোন রাজনৈতিক আদর্শের জন্য না, যার ফলে এরা যে কোন পলিটিকাল দলের জন্যই ডেঞ্জারাস 

আর যারা সেকুলার, বাঙালি জাতিয়তাবাদের লোক, তারা নতুন দল তৈরি করতে পারেন, নতুন ইসলামিস্ট দলও তৈরি হইতে পারবে মনেহয়; আর পুরান বাম-টাম’রা তো আছেই… মানে, যারা ‘আদর্শবাদি’ রাজনীতি করতে চান, তাদের সামনে অপশন তো আছেই…

৪. তবে এর বাইরেও, একটা অংশ থাকবে, যারা আওমি-লিগেই ফিরতে চাইবেন, এরা মরার পরে কবরেও জয়-বাংলা বলতে চাইবে, তাদেরকে কোনকিছু দিয়া বুঝাইতে পারবেন না, এই গ্রুপটারে আপনারে শুধু কালচারালি ও সোশালি মোকাবেলা করার বাইরেও পলিটিকালি অরগানাইজ হওয়ার বাইরে রাখতে হবে দল হিসাবে আওমি-লিগের বিচার না হওয়া পর্যন্ত, এটলিস্ট ৩টা ইলেকশন পর্যন্ত bar করতে হবে… এবং বাংলাদেশের পলিটিকাল কালচারের জন্যই এইটা জরুরি

যদি এইটা না করা হয়, এইটা বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য রিস্কি ঘটনা হবে বইলাই আমি মনে করি

ইমরুল হাসান

31 Dec, 02:50


যারা পলিটিকস করেন, ফিউচারে করবেন, তাদেরকে বলি, একটা ভুল কইরেন না, সেইটা হইতেছে মানুশরে বেক্কল ভাইবেন না, এইটা ডেডলি সিন, পলিটিকসে!

এইরকম কথা তো আছে, আপনি অনেক সময় অনেক মানুশরে বেকুব বানাইতে পারবেেন, কিনতু সবসময় সব মানুশরে বেকুব বানাইতে পারবেন না!

তো, পলিটিকসে কৌশল, স্ট্রাটেজি, নেগোশিয়েন, নানান জিনিস থাকবে... এর কোনটার বেইজই যেন এইরকম না হয় যে, পাবলিক তো বুঝে না! (আর্ট-কালচার, শিল্প-সাহিত্যের বেপারেও এই কথা খাটে, মানুশরে তাচ্ছিল্য কইরা কোন গ্রেট আর্ট তৈরি হইতে পারে না)

ইমরুল হাসান

30 Dec, 07:30


বাংলাদেশের এগেনেস্টে ইভিল-নেক্সাসের ফোর্স হইতেছে ৩টা - 

১. রাষ্ট্র হিসাবে ইনডিয়া এজ আ হোল
২. পলিটিকালি আওমি-বাকশালিরা
৩. বাম কালচারাল এস্টাবলিশমেন্ট'টা 

পয়লাটার বেপারে সবাই কম-বেশি একমত হইতে পারার কথা এখন; সেকেন্ডটার বেপারে কিছু বুড়া, পুরান জেনারেশনের লোকজনের পুরান-প্রেম থাকলেও বাংলাদেশের বেশিরভাগ লোকজন এখন একমত; কিনতু কনফিউশন হইতেছে আসলে বাম কালচারাল এস্টাবলিশমেন্ট'টা নিয়া, যেইটারে পরথম আলো ডেইলি-স্টার বইলা মার্ক করতে পারতেছে অনেকে, কিনতু এর লগে ছাত্র ইউনিয়ন, ছায়ানট, থিয়েটার, নাটক-সিনেমার লোকজনও ইনক্লুডেড... 

তো, এই কালচারাল এস্টাবলিশমেন্ট'টারে ইন-ট্যাক্ট রাইখা, এই ইভিল-নেক্সাস'টার হাত থিকা রেহাই পাওয়া সম্ভব না আসলে

ইমরুল হাসান

30 Dec, 03:07


২১শে অগাস্ট নিয়া ইলিয়াসের ভিডিও'র সবচে ইন্টারেস্টিং পার্ট হইতেছে, এই যে জজ মিয়ার নামে ৫-৭টা মামলা ছিল - এইটা একজন জার্নালিস্টও কি জানতো না? বা জানার চেষ্টা'টাও করে নাই? জাস্ট খালি পরথম আলো লেখছে বইলা এইটা ট্রুথ হয়ে গেছে? কোন প্রশ্ন করার, খোঁজ করার দরকার পড়লো না? 

তো, এইটা হইতেছে কালচারাল এস্টাবলিশমেন্ট... ঘটনা'টা খালি পরথম আলো না, সমকাল, যুগান্তর, কালের কন্ঠ, দেশ রূপান্তর, বনিক বার্তা, বিডিনিউজ... যে কোন নিউজ আউটলেটেরই জার্নালিস্ট হোক, তারে একটা সার্টেন কালচারাল এস্টাবলিশমেন্টের লগে এলাইনড হয়া চলতে হবে! আওমি-লিগ ছাড়া যেমন কোন দল ছিল না দেশে, এইরকম এই প্রো-ইনডিয়ান কালচারাল এস্টাবলিশমেন্ট ছাড়া কোন সাংবাদিকতা, শিল্প-সাহিত্য ছিল না বাংলাদেশে, আনফরচুনেটলি এখনো নাই... 

বাংলাদেশে বাকশালি শাসন তৈরি হইতে পারছে এবং এতোদিন টিইকা থাকতে পারছে এই কালচারাল এস্টাবলিশমেন্টের কারনে, এখনো যে কোন মূল্যে বাকশালি ব্যবস্থা ফিরায়া নিয়া আসার এবং রি-এস্টাবলিশ করার কাজটাও এরা-ই করতেছে, ইনটেরিম গবমেন্টরে অর্থব কইরা তুলছে, এবং পরে ইলেকটেড গবমেন্ট হিসাবে যে-ই আসুক, তারে ভিলিফাই করার কাজটাও তারা-ই করবে

ইমরুল হাসান

29 Dec, 16:54


২০১৮ সালের ডামি-ইলেকশন নিয়া Jaglul Asad যেই সত্যি কথা-বলার সাহস দেখাইছেন, এই সৎ-সাহস দেখানোটা খুবই জরুরি এখন

অনেকেরই কম-বেশি এইরকম এক্সপেরিয়েন্স আছে, এতোদিন অনেক সরকারি লোকজনই চাকরি যাওয়ার ভয়ে, হেরেসমেন্টের ভয়ে নিজেদের কথাগুলা বলেন নাই, কিনতু এখনো যদি আমরা এই অন্যায়-অত্যাচার, মিথ্যাচার ও অপমানগুলা নিয়া কথা না বলি, এই ফ্রিডমের কোন ভ্যালু থাকবে না আসলে

এখনো যে রিস্ক নাই - তা না, এখনো সেই ডিসি, এসপি'রা আছেন, যাদের কুর্কীতি ফাঁস হয়া যাবে যদি এর সাথে জড়িত লোকজন কথা বলতে শুরু করেন, এই ভয় এখনো আছে, কিনতু এই ভয়ের জায়গা থিকা তো বাইর হইতে পারা ছাড়া অন্য কোন পথ নাই... এইজন্য নিজের নাম না জানায়া এনোনিমাসলি হইলেও আমি রিকোয়েস্ট করবো, আপনারা আপনাদের কথাগুলা বলেন! সত্য কথাগুলা শোনার কান এখন মানুশের আছে, সত্য কথা বলার দায় মানুশ হিসাবে আমাদের সবারই আছে!


https://bacbichar.net/2024/12/art.8187.bb/

ইমরুল হাসান

29 Dec, 08:25


'অশ্লিল' শুনাইতে পারে কথা'টা, কিনতু সমাজে এইরকম 'অশ্লিলতা' তো আছে... তো, ৩১শে ডিসেম্বরের জুলাই প্রক্লেমেশন নিয়া আপাতত আমার কথা হইতেছে এইটা -

"হাগার নাই পুটকির, বাঘার ডাক!"

মানে, বিপ্লবের গু আপনারা বাইর কইরা ফেলেন! গু বাইর করতে পারলে এতো বাঘ-মার্কা ডাক দেয়ার দরকার পড়তো না! তো, ডাকাডাকি কইরাও যদি কিছু গু বাইর করতে পারেন, সেইটাও খারাপ না, কিনতু আমি স্কেপটিকাল-ই কিছুটা...

উনারা ভুল-টুল করবেন - এইটা নিয়া কোন ইস্যু নাই, কিনতু রাজনীতির কাজ কথা-বলা না এতোটা, বরং কাজগুলা করা, কোন কাজটা জরুরি সেইটা বুঝতে পারা, আর এই জায়গাগুলাতে তেমন কোন ঘটনা উনারা ঘটাইতে পারছেন বইলা আমি দেখতে পাই না

এখন আমি তো একটু দূর থিকাই দেখি, সবকিছু দেখার তো উপায়ও নাই, আর আমার দেখার মতো ক্ষমতা আছে এই দাবিও নাই আমার... একটা কমন-ফ্রাস্ট্রেশনের জায়গা থিকাও দেখা সম্ভব, এই কথাটা

হাউএভার, তারা যদি একটা একটা জায়গা তৈরি করতে পারেন, এর চাইতে ভালো জিনিস তো আর কিছু হইতে পারে না এই মোমেন্টে, বাংলাদেশে

কিনতু উনাদের গত ৪-৫ মাসের কাজকামরে আমলে নিলে, একটা কথার-কথা'র বাইরে কিছু হওয়ার সম্ভাবনা তো মনেহয় কমই; এগেইন, বেস্ট উইশেস! 

ইমরুল হাসান

29 Dec, 06:15


হাসিনারে ইয়াহিয়া বানাইতে হবে কেন! 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা' ফিরায়া নিয়া আসার জন্য! :)

ইমরুল হাসান

29 Dec, 03:41


ডিপ-স্টেট এতো ডিপ কিছু না আসলে, বরং নাম ধইরা কথা না বলার অভ্যাস, যেইটারে একটা ভদ্রলোকি-পনা হিসাবে দেখা হয়... মানে, সরাসরি কথা না বলার কারনে মনেহয় গোপনে অনেক কিছু ঘটতেছে

যেমন ধরেন, যাত্রাবাড়ির এডিসি'র কথা বলা হইলো, কিনতু নামটা বলা হইলো না, নাম বললেই এতো ডিপ কিছু যে না, সেইটা রিভিল হইতে পারে, বুঝা যাবে যে এইটা একটা ক্লাসের ঘটনা, ক্ষমতায় থাকা লোকজন তাদের পরিচিত, আশে-পাশের লোকজনদেরকে 'বিপদে' ফেলতে চান না!

এই যে ডিপ-স্টেট, ডিপ-স্টেট এইটা লার্জ স্কেলে ক্ষমতায় থাকা লোকজনের আত্মিয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব মিইলা স্টেইট চালানোরই ঘটনা... নাম নিলেই এইটা আর এতোটা ডিপ কিছু হয়া থাকার কথা না

ইমরুল হাসান

28 Dec, 15:35


বিএনপি'র কিছু এক্টিভিস্ট আছে, এরা এখন কিছু বট-ও ভাড়া করছে, যাদের মেইন কাজ হইতেছে বাম-বাকশালিদের মোকাবেলা করার যেই পলিটিকাল গ্রাউন্ড ও কালচারাল নেরেটিভের জায়গাটারে তৈরি করছে তাদেরকে 'জামাতি' বানায়া দেয়া (না পারলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে 'শাহবাগি' বানায়া দেয়া...), কিনতু এইটা যে তাদেরকে আরেকটা আওমি-লিগ বানাইতেছে, এইটা তারা খেয়াল করতে পারে না - বেপারটা এইরকম না, বরং এইরকম আওমি-লিগ হয়া উঠতে পারাটারেই তারা তাদের সাকসেস বইলা মনে করে

তো, এইটা তারা কেন করে? :) এইটা আন্দাজ করতে পারাটা খুব একটা জটিল কিছু না আর কি... তারা বিএনপি'র বুদ্ধিজিবি হইতে চায়, এবং তাদেরকেই ডরায় ও হিউমিলিয়েট করতে চায়, যাদেরকে অরা মনে করে যে, বিএনপি রিওয়ার্ড দিতে পারে; তো, অই লোকগুলা যে বিএনপি'র জন্য 'ক্ষতিকর' এবং বেসিকালি 'জামাত' বা 'বাম' - এইটা তারা প্রমান করতে চায়! বিএনপি'র 'বুদ্ধিজিবি' হিসাবে সৌল-ডিস্ট্রিবিউটরশিপ চায়! 

কিনতু তাদের এই ভয়'টা অনেকটাই আজাইরা মনেহয় আমার কাছে দুইটা কারনে - 

এক, বিএনপি'র আসলে এতো লম্বা লাইন আছে, কেন্ডিডেট আছে দলিয়-বুদ্ধিজিবি হওয়ার, তাদেরকে বাদ দিয়া পার্টির বাইরের লোকজনের কাছে যাওয়ারই তাদের উপায় নাই! এদেরকেই তো 'পুর্নবাসন' করার জায়গা নাই! নতুন লোকজনদেরকে ডাইকা আরো বিপদে পড়বে নাকি! 

দুই, যারা নন-পার্টিজান জায়গা থিকা বিএনপি'র প্রতি সিম্পেথাইজড ছিল বা আছে, তারা পার্টি-পলিটিকসে রাজি হইলে আরো আগে থিকাই তদবির, লাইন-ঘাট ঠিকঠাক করতে থাকার কথা... মানে, উনারা বিএনপি'র বুদ্ধিজিবিদের কম্পিটিটর হইবেন - এইটাও ভুল ধারনাই আসলে

কিনতু মুশকিল হইতেছে এই যে বিএনপি'র এক্টিভিস্টরা, তাদের বেশিরভাগেরই নিজেদের কোন ইনটেলকচুয়াল পাওয়ার নাই, যার ফলে এরা নন-পার্টিজান বিএনপি-সিম্পেথাইজার লোকজনরে (যেমন, নায়েল রহমান...) ডরায়, তাদেরকে এন্টি-বিএনপি হিসাবে দেখাইতে চায়; ওয়েল, উনারা তো বিএনপি'র বুদ্ধিজিবি না, সবসময় বিএনপি'রে সার্পোট করা তো উনাদের পলিটিকাল দায়িত্বও না!...

যার ফলে, যারা বিএনপি'র অনলাইন এক্টিভিস্ট আছেন, যারা বিএনপি'র বুদ্ধিজিবি হইতে চান, তারা বাকশালি-বুদ্ধিজিবিদের খপ্পরে গিয়াই পড়েন, দেখবেন, বাকশালের যেই নেরেটিভ বিএনপি'র এই নতুন-বুদ্ধিজিবিদেরও টোনও একই - ইসলামোফোবিক, সুশিল! বাকশালের গ্রাউন্ডের বাইরে গিয়া তারা অপারেট করতে পারে না, এবং এইভাবে নিজেদেরকে রিলিভেন্ট করতে গিয়া বাকশালিদের কোলে উইঠা বইসা থাকে! 

তো, এইটা বিপদের কথা-ই আর কি বিএনপির জন্য... উনাদেরকে যত তাড়াতাড়ি পোস্ট-পজিশন ও ইনকামের বেবস্থা কইরা দিয়া ইনসিকিওরিটি'টা কমানো যায় তত ভালো; অন্য সব বর্গের মতো এরাও তো ক্ষমতার ভাগ চায়, যেইটা তারা খুব একটা পায় নাই, এই কারনে তাদের যে দরকার আছে, সেইটা প্রমান করার জন্য আরো মরিয়া হয়া উঠতেছে... 

দলিয় বুদ্ধিজিবিদেরকে আওমি-লিগ কনট্রোল করা দূরে থাকুক পাগলা-কুত্তার মতো ছাইড়া দিয়া রাখছিল, বিএনপি এটলিস্ট এইটা না করলে ভালো

ইমরুল হাসান

28 Dec, 12:35


অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করলে কোন সমস্যা নাই, গ্রেফতার করার পরে নির্যাতন করলে কোন সমস্যা নাই, মাইরা ফেলতে চাইলে কোন সমস্যা নাই, এমনকি দেশ-ছাড়া করলেও কোন সমস্যা নাই! সমস্যা হইতেছে আসলে এইগুলা নিয়া কথা কইলে! (এতোদিন যে এইগুলা নিয়া কেউ কথা কয় নাই - এইটাও কোন সমস্যা না! প্রেস-ফ্রিডমের ঘটনা, দালালি না!)

একটা সময়ে শুধুমাত্র হিন্দু হওয়ার কারনে কিছু লোক তো প্রশাসনে, পুলিশে আলাদা পাওয়ার দেখাইছে, ইনডিয়ার পারপাস সার্ভ করছে, এইটা তো মিথ্যা কথা না, এবং ভিতরে লেখা আছে যে, অন্য অফিসার'রা না থাকার সুযোগে হিন্দু অফিসার এই কাজ করছে, তো, অই সিগনিফিকেন্সরে তো হাইলাইট করা লাগবে! এইটারে 'সাম্প্রদায়িকতা' দিয়া ঢাইকা ফেলতে চাওয়াটা বরং প্রবলেমেটিক।

অবশ্যই এই ভয়'টা আছে যে, অন্য হিন্দুদেরকে যেন গিল্টি-ফিলিংস দেয়া হইতেছে, কিনতু অই রিস্কটা নিয়াই তো কথাগুলা বলতে পারতে হবে...

ইমরুল হাসান

28 Dec, 08:35


যারা ভুইলা যাইতে চান, তাদেরকে মনে করায়া দেই, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের ২৯ তারিখের রাতটা ছিল লাইলাতুল ইলেকশনের রাত...

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচে কালো একটা রাত, ইলেকশনের যে মিনিমাম ডেমোক্রেসি ছিল সেই ডেমোক্রেসি খুন করার রাত! তো, কারা করছিল এই কাজ? অই সরকারি আমলা, ডিসি, এসপি'রা কই এখন?

আর যদি আর্কাইভে থাকে, এই সময়ের পত্রিকার হেডিংগুলা দেইখেন, নিউজগুলা পইড়েন, টিভি-চ্যানেলের নিউজ-ক্লিপ থাকলে দেইখেন, কেমনে এই ইলেকশনরে জাস্টিফাই কইরা তুলছিল বাকশালি মিডিয়া, আর এখনো কিভাবে ভুলায়া রাখতে চায়

ইমরুল হাসান

28 Dec, 04:32


এখন যত সময় যাইতে থাকবে, ইনটেরিম গবমেন্ট তত কমেডি হয়া উঠতে থাকবে (মানে, না হইলে তো ভালো...)

এই গবমেন্ট আর জুলাই গনঅভ্যুত্থানের গবমেন্ট নাই, শুরু থিকাই এইটা ছিল এলিট লোকজনদের একটা ক্লাব, এখন দিন কে দিন আমলা-লিগ আর মিডিয়া-লিগের গবমেন্ট হিসাবে নিজেদেরকে এস্টাবলিশড করতেছে...

গতকালকে ফার্মগেটের পোগরামে যখন একটা ছেলে বিচারের কথা বলতেছে, তখন উপদেষ্টাদের চেহারাগুলা খেয়াল কইরেন... তারা খালি দুকখিত না, একটু বিরক্তও যেন... কারন উনারা তো অনেক বড় বড় কাজ করতেছেন, সংবিধান বানায়া উল্টায়া ফেলতেছেন, নতুন নতুন আইন-কানুন বানাইতেছেন, যেই লোকগুলারে খুন করা হইছে তাদের খুনের বিচার করার টাইম কই তাদের!

আর তাদের আশে-পাশের কোন মানুশ মারা যায় নাই, ঢাকা ভার্সিটির কোন স্টুডেন্ট মরে নাই! গরিবের জন্মই তো হয় মরার লাইগা, আর যারা মারছে, খুনের আদেশ দিছে তারা উনাদেরই ক্লাসের এবং কাছের লোক, এই কারনে বিচারের কথা শুনলে উনারা চুপ কইরা যান, কয়দিন পরে ছ্যাঁত ছ্যাঁত কইরা উঠবেন

এই এলিট-ক্লাবে লোকজন যতদিন ক্ষমতা ধইরা রাখতে চাইবে বাংলাদেশের বিপদ কমবে না, বরং বাড়বেই... মানে, অন্যরকম কিছু যে হবে - এই ভাবতে পারার স্কোপ এই মুহূর্তে কমই

ইমরুল হাসান

27 Dec, 08:36


যতটুক ফ্রিডম দরকার, খালেদ মহিউদ্দিনদের মতো ধান্ধাবাজদের তো তা ছিল-ই! ছিল না আপনার আমার মতো মানুশদের, এবং এখন অনেকের যে ডর-ভয় নাই হয়া যাইতেছে, সাংবাদিক নামের ধান্ধাবাজদের ক্রাইমগুলা নিয়া কথা বলতেছে, এইটা তাদের ধান্ধাবাজি'র জন্য সমস্যার!

প্রেস ফ্রিডম মানে তাদের কাছে ছিল ডিজিএফআই'র প্রেসস্ক্রিপশন মোতাবেক কথা বলা, জুলুমরে হাইড করা, আজাইরা জিনিস নিয়া হাউকাউ করা, এখন তাদের হাউকাউয়ের সিগনিফিকেন্স নাই হয়া যাইতেছে ধিরে ধিরে, যার ফলে তারা চিন্তায় পড়ে গেছে, তাদের একাউন্টিবিলিটি ছিল জালিমের কাছে, পিপলের কাছে একাউন্টেবল হইতে তারা রাজি না! একাউন্টেবিলিটি'টারে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে ফ্রিডমের লগে গুলায়া ফেলতে চাইতেছে! আর এইটা তাদের না-বুঝতে পারা না, বরং পলিটিকাল ডিসিশানের ঘটনা!

বাংলাদেশের সাংবাদিকরা (মোস্টলি) ক্ষমতার কাছে, টাকার কাছে সারেন্ডার কইরা অভ্যস্থ পিপলের কাছে জবাবদিহি করার জায়গাটাই তারা হারায়া ফেলছে, এই কারনে ডিফরেন্সের জায়গাটারে তারা রিকগনাইজ করতে (পারে-না না, বরং) রাজি না!

ইমরুল হাসান

26 Dec, 11:08


মিডিয়া যে কতো বড় মাফিয়া বাংলাদেশে! পিয়ন, ড্রাইভার'রা কতো কোটি টাকা নিছে - এই নিয়া অনেক কথা পাইবেন, কিনতু আমলা-সচিব, ডিসি-এসপি... উনারা সব ফেরেশতা!

মিডিয়ার মাফিয়াতন্ত্রের সবচে বড় উদাহারন হইতেছে গত কয়েকদিন আগের কানু-কান্ড, যেই লোক ইভেন মুক্তিযোদ্ধা কিনা - শিওর না, তারে দিয়া চেতনা বেইচা মুখ মুইছা ফেললো! বিএনপি, জামাত তো পুরান নেরেটিভের লোক, ইনটেরিম গবমেন্টের লোকজন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধ খেলা শুরু কইরা দিল! যেই যেই পত্রিকা, টিভি-চ্যানেল হাউকাউগুলা করলো, কেউ কি কোন রিজয়েন্ডার দিছে ইনকমপ্লিট নিউজ ছাপানোর জন্যে? বরং এরা ফিউচারেও এইরকমের হাফ-ট্রুথগুলা নিয়া হাউকাউ জারি রাখবে...

আর সবচে জরুরি জিনিস হইতেছে, মিডিয়া কি নিয়া কথা কইতেছে না, বরং কি নিয়া কথা কইতেছে না - সেইটা খেয়াল করা দরকার আমাদের; সরকারি অফিসের পিয়ন, ড্রাইভার'রা কোটি কোটি টাকা মারতেছে, এইসব নিয়া অনেক রসালো রিপোর্ট হইছে, কিনতু কোন একজন উপরের লেভেলের পাবলিক সারভেন্টের নাম পর্যন্ত আসে নাই! এই যে, চুপ কইরা থাকা, না-বলা, নাম না নেয়া ঘটনাগুলা এর ভিতর দিয়াই ঘটে, ঘটতেছে

ইমরুল হাসান

26 Dec, 03:21


আগুন যারা লাগায় তারা ধরা পড়ে না কেন? কারন ঘরের লোকজনই আগুন লাগায় :) তো, নিজেরা নিজেদেরকে ধরবে কেন!

মানে, সচিবালয়ের আমলা, ডিসি, এসপি, পুলিশ, গোয়েন্দা এরা কি আলাদা আলাদা কেউ? এরা সবাই তো বাল-সিসটেমের বেনিফিশিয়ারি এবং মেইন-স্ট্রাকচারের লোকজন, যারা সিসটেমটারে তৈরি করছিল, অপারেশনাল রাখছিল... এরা একজন আরেকজনরে কেন ধরবে, কেন 'বিপদে' ফেলবে!

ইমরুল হাসান

25 Dec, 15:39


বাংলাদেশে আইনের বেপারে ইন্টারেস্টিং এক্সাম্পল হইতেছে এরশাদের বানানো নারী নির্যাতন আইন; অইটার সবচে ক্রুশিয়াল ফিচার ছিল হইতেছে যে, এই আইনে মামলা হইলে কোন জামিন নাই! যার ফলে, মোটামুটি হাজার হাজার রাজনৈতিক-মামলা দেয়া হইছিল 'নারী নির্যাতন' আইনে, এবং 'নারী কেলেংকারি' একটা হট ইস্যু হয়া উঠছিল পত্র-পত্রিকায়, এখনো আছে... যে, কারো গায়ে গু মাখায়া দিতে পারলেই হইলো! 

মানে, আমাদের এইখানে আইনের ফোকাস থাকে দোষি লোক যাতে সাজা পায়, কিনতু ঘটনা হইতেছে, আইন ইউজ করা হয় লোকজনরে ফাঁসানোর জন্য, আইনের ধারাগুলা যত অস্পষ্ট থাকবে, সেইটা তত বেশি পসিবল... এখন যেই সাইবার বুলিং আইনের কথা হইতেছে, সেইখানে অপরাধগুলার ডেফিনেশন খুবই অস্পষ্ট, আর এইটা বুঝার জন্য তো জজ-ব্যারিষ্টার হওয়ার দরকার নাই, কমন-সেন্স থাকলেও হয়

(তো, এইটা আরেকটা এলিট-গিরি যে ডিগ্রি-ফিগ্রি না থাকলে কথা কইতে পারবেন না, বা সেই কথার দাম নাই, এই শিকখিত-পনাই এই গবমেন্টরে ডুবাইতেছে, এবং ডুবাবে; আইন বানাইতেছেন মানুশের লাইগা, মানুশের লগে কথা কন আগে! এলিট-সমাজ থিকা এরা বাইর হইতেই ডরায়...)

আরেকটা জিনিস হইতেছে, কাগজের কথারে বড় কইরা দেখানোর অভ্যাসটা ছাড়তে পারলে ভালো, 'মৌলিক অধিকার' ডাজেন্ট মিন এনিথিংক, বরং যদি মোবাইল অপারেটদের ইন্টারনেট প্যাকেজের টাইম-লিমিট (৭ দিন, ৩০ দিন পরে নাই হয়া যাবে এমবি) বন্ধ করাইতে পারেন, সেইটা হবে একটা বড় জিনিস... মানে, ভালো-কাজ করলে সেইটা বলা লাগবে না যে, ভালো-একটা কাজ করছি! মানুশই বলবে... মানুশের কথা শোনার মতো কান তৈরি করতে পারাটা দরকার আর কি, যারা-ই ক্ষমতার কাছাকাছি থাকবেন

ইমরুল হাসান

25 Dec, 13:02


মোস্ট প্রভাবলি, জুলাইয়ের পতনের শুরু হবে আমলাদের এই বিদ্রোহের ভিতর দিয়া...

১৯৯৬ সালে এই আমলারাই বাল'রে ক্ষমতায় নিয়া আসছিল, ২০০৭'র পর থিকাই এই সরকারি লোকজনই ছিল ২০১৩, ২০১৮ ও ২০২০৪'র অবৈধ ইলেকশনগুলার পিছনে... অথচ এদেরকে বিচারের সামনাসামনি করা তো দূরের কথা, তাদের ক্রাইমগুলার জন্য দায়ি পর্যন্ত করা হয় নাই, কোন কথা বলা হয় নাই...

তো, এইটা ইনএভিটেবল এখন! আপনি যদি ক্রিমিনালদের না বিচার করেন, ক্রিমিনাল'রা আপনার "বিচার" করা শুরু করবে! সাধু সাইজা বসবে!

ইমরুল হাসান

25 Dec, 05:47


জানাক, বিএনপি, এমনকি জাশিও আসলে বাংলাদেশের সুশিল-মিক্লা কালচারাল এস্টাবলিশমেন্টের (যেইটা আসলে প্রো-ইনডিয়ান পলিটিকালি ও এসথেটিকালি) কাছে পছন্দের হইতে চাইতেছেন, যার ফলে উনাদের আরেকটা আওমি-লিগ বা বাম-বাকশালি না হয়া তো উপায় নাই

জানাক শুরু থিকাই আরবান ইনটেকলেকচুয়ালদের একটা ফোরাম, যারা পলিটিকালি ইসলাম, মুসলমান এইসব জায়গাতে অপারেট করতে চাইলেও এসথেটিকালি বাম-বাকশালি হওয়ার কারনে তারা অই রাজনীতি'টারে পাবলিকলি আপহোল্ড এবং আর্টিকুলেট করতে পারে না

আর বিএনপি'র অই 'আত্মা-শ্লাঘা' তো অনেক দিনের পুরানাই যে, তারা এতোটা 'স্মার্ট' না, এবং এই কারনে তারা সবসময় সুশিলদের ভ্যালিডেশনের জন্য 'লালায়িত'... জানাকের লোকজনও দেখবেন টিটকারি করে অই জায়গাটা নিয়াই যে, তুমরা তো স্মার্ট না! তো, মুশকিল হইতেছে, বিএনপি যে সুশিলদের ভ্যালিডেশন পায় না আর এইটা যে অদের স্ট্রেংথ এইটা না-বুঝার মতো বেকুব তারা হইতে রাজি আছে তো! এই কারনে, ক্ষমতার কাছাকাছি আসলেই তারা আরেকটা আওমি-লিগ হয়া উঠতে থাকে সবসময়....

জাশি সবসময়ই সুশিল হইতে চায়, এমনকি মুসলমান হওয়ারও আগে, তারা শিকখিত, আশরাফ মুসলমান হইতে চায়, তারা কালচারাল ব্রাহ্মণদেরকে তাদের পুরান-আত্মিয় মনে করে, যদিও সুশিলরা প্রাইভেটলি তাদের লগে বসলেও পাবলিকলি তাদেরকে এড়ায়া চলে, কারন জাশি'র লগে থাকলে তাদের ব্রাহ্মনত্ব থাকবে না, কিনতু জাশি আশা করে যে, দুই ভাই :) মিলতে পারবে আবার, তো, এইটা হবে না আর কি...

আমি বলতে চাইতেছি, এই যে, সুশিলদের পছন্দের হইতে চাওয়া - এই ডিজায়ারটা আপনারা বাদ দেন, তা নাইলে দিন দিন এন্টি-পিপল কাজ-কাম করাটারেই 'ভালো-পলিটিকস' করা বইলা মনে করতে থাকবেন

ইমরুল হাসান

24 Dec, 14:37


তো, কানু-কান্ডে বাল-মিডিয়ার মব ও মুক্তিযুদ্ধ বিজনেস ছড়ানোর জন্য চিফ এডভাইজারের প্রেস উইং কি মাফ চাইতে পারবে? বা চাওয়াটা যে দরকার - এইটা কি উনারা ফিল করতে পারবে?

মানে, উনারা তো ইন-কমপ্লিট একটা বয়ান ছড়াইছে, বাল-মিডিয়ার টেনশন (হিন্দু ও মুক্তিযোদ্ধা) কান্ধে নিয়া, সে যে মামলার আসামি, সেইটা তো এড়ায়া গেছে, এখন যখন জানা গেছে, রিজয়েন্ডার দেয়া উচিত না?

ইমরুল হাসান

24 Dec, 09:17


আমার দেশের সবচে বড় সিগনিফিকেন্স হইতেছে ২০১২ সালে বিচারপতির স্কাইপি'র কথা পাবলিশ করা (শাহবাগ হইতেছে সেইটার কন্টিনিউশন আসলে); যেইটার কথা এখনো বাংলাদেশের সাংবাদিকরা বলতে 'শরম' পায়...

বাংলাদেশের ইতিহাসে এইরকমের ইমপ্যাক্টফুল জার্নালিজম কখনোই হয় নাই; মাহমুদুর রহমানও দেখলাম কিছুদিন আগে এইটার কথা বলতেছেন...

এই রিপোর্টের বেসিসে একজন বিচারপতি পদত্যাগ করছিলেন, কিনতু সেইটার কোন তদন্ত বা বিচার কিছুই হয় নাই! বাংলাদেশে অবিচার ও অন্যায়ের শুরু অই ঘটনা থিকা আসলে। এতো বড় একটা অনিয়মের কথা বলাটারে এখনো ট্যাবু বানায়া রাখা হইছে!

আমার দেশ বন্ধ কইরা দেয়া হইছিল আসলে অই জায়গা থিকাই... এবং অই কথা ছাপানোটারে 'ষড়যন্ত্র' হিসাবে এস্টাবলিশ করার কাজ করছিল বাকি সবগুলা পত্রিকা...

অই কনভারসেশনের সিলেক্টিভ অংশ পড়তে পারেন এই লিংকে

https://bacbichar.net/2024/12/art.8182.bb/

ইমরুল হাসান

24 Dec, 06:33


মু্ক্তিযুদ্ধের চেতনা = ইনডিয়ান নেরেটিভের ঘটনা, এই বেসিক বুঝ'টা এখনো না হইলে তো মুশকিলই...

এই 'না-বোঝা' বা 'না-বুঝতে-চাওয়া'টা ৩টা ঘটনার দিকে ইন্ডিকেট করে বইলা আমি মনে করি -

১. বাকশালি-মিডিয়ার নেরেটিভের বাইরে গিয়া আমরা (স্পেশালি পলিটিকাল দলগুলা) চিন্তা করতে রাজি না বা করতে পারতেছি না; মানে, 'মুক্তিযুদ্ধ' 'মুক্তিযোদ্ধা' এইসব নিয়া কথা বলা যাবে না - তা না, কিনতু এই আইডেন্টিটি কোন পলিটিকাল পারপাসটারে সার্ভ করে, সেইটার বেপারে ইগনোরেন্ট থাকাটা তো পসিবল না আসলে!

২. এই জায়গাটাতে মনে হইতে পারে যে, যারা এই আইডেন্টিটি'রে রেলিভেন্ট রাখতে চাইতেছেন, তারা না-জাইনা না-বুইঝা এইটা করতেছেন না, বরং বাকশালি-মিডিয়ার বয়ানটারে রেলিভেন্ট কইরা রাখতে চাইতেছেন... পক্ষ-বিপক্ষ এইখানে ঘটনা না, ঘটনা হইতেছে অই বেইজ'টা থিকা অপারেট করা; আর এইটা করার ভিতর দিয়া ইনডিয়ান-নেরেটিভের কাছের লোক হয়া থাকা... যেইটা রিস্কি হইলেও, পিপলের সার্পোট খুব একটা না থাকলেও নিতে চাইতেছেন

৩. তো, এই রিস্ক উনারা কেন নিতেছেন? এর একটা উত্তর এইরকম হইতে পারে - বাংলাদেশের পাওয়ার এজেন্সিগুলাতে (মিলিটারি, পুলিশ, প্রশাসন, মিডিয়া, বুদ্ধিজীবী) যেই লোকজন আছে, তাদেরকে কনফিডেন্স দেয়া, যে আপনাদের সমস্যা হবে না :)

ইমরুল হাসান

24 Dec, 05:19


আমি প্রথমে ভাবছিলাম মিছিলের ছবিটা ফেইক! পরে দেখি, না, বিম্পিই আওমি লিগ! :)

'বিএনপি-জামাত'রে একটা শব্দ বানায়া ফেলার যেই ইতিহাস বাল-মিডিয়ার, সেইটা বিএনপি মুইছা ফেলতে যে মরিয়া, এইটা বুঝা যায়... কিনতু এইভাবে আওমি-লিগ হয়া উঠলে অইটারে মাইনা নেয়ার ঘটনাই ঘটবে আসলে...

মানে, বিএনপি'র তো জামাত-বিরোধিতা করার দরকার নাই! এতে কইরা জামাত'রেই রিলিভেন্ট কইরা তুলবে তারা, আওমি-লিগের বয়নারে রিলিভেন্ট করার ভিতর দিয়া তাদের পলিটিকস করার গ্রাউন্ড-ই তৈরি করবে; এখন তারা যদি জাইনা-শুইনা এইটা করে, তাইলে বিপদ কম, কিনতু তারা বুইঝা করতেছে তো এইটা? আমার প্রশ্ন এইখানে...

ইনডিয়া জামাত'রে তাদের এলায়েন্স হিসাবে নিবে না বাংলাদেশে, জামাত যত-ই লয়ালিটি দেখাইতে চাক, ইসটুডেন্টরা এখনো কোন পলিটিকাল ফোর্স না মাঠে, বিএনপি-ই সবচে ক্লোজ এলাই হইতে পারে তাদের, আওমি-লিগের মতো দাস-খত না দিলেও, বিএনপি'র একটা গ্রুপ তো স্ট্রংগলি সেইটা হইতে চায়... কিনতু বিএনপি'র কি এইটার দরকার আছে? এইটা তাদেরকে ভাবতে পারাটা দরকার...

মানে, 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা' মানে যে বাংলাদেশে 'ইনডিয়ান নেরেটিভ'রে ফিরায়া নিয়া আসা, অই বেসিক আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের জায়গা থিকা কথাগুলা বলা

ইমরুল হাসান

24 Dec, 03:06


ইনটেরিম গবমেন্ট দেশ চালাইতেছে না, বরং ইনটেরিম গবমেন্টরে চালাইতেছে পুরান বুরোক্রেসি, এবং এই অবস্থা দিন দিন আরো খারাপ হওয়ার কথা, যদি না এই বুরোক্রেসির গলায় লাগাম না পড়ানো যায়... যেই গরু হাল চাষ করতে চায় না, তারে দিয়া জোর কইরা কাজ করাইতে পারবেন না

এই কারনে, আমি মনে করি গবমেন্টে যেই ইসটুডেন্টরা আছেন, তাদের জন্য এইটা হাই-টাইম গবমেন্ট থিকা বাইর হয়া আসা (আরো অনেক রাস্তাও হয়তো থাকতে পারে...), কয়েক মাস পরে যখন মানুশের হতাশা বাড়তে থাকবে, যেইটা পুরান বুরোক্রেসি ও অন্যান্য ফ্যাক্টরের কারনে প্ল্যানড ওয়ে'তে বাড়ানো হইতেছে, তখন মেবি সইরা আসলেও তেমন কোন ইমপ্যাক্ট থাকবে না, এই ফেইলওরের দায়ভার তখন তাদেরকেই নিতে হবে...

তো দেখেন, আপনারা যা ভালো মনে করেন

ইমরুল হাসান

23 Dec, 03:23


বাংলাদেশের পলিটিকাল কালচার 

১.
বিএনপি আসলে ততটুকই খারাপ, যতটুক তারা আওমি-লিগের মতন হইতে চায়! মানে, বিএনপি'র লোকজন তো মনে করে যে, পাওয়ার-পলিটিকস, কন্সপিরেসি, মাসল-পাওয়ার এইগুলার দরকার আছে, এবং এইগুলা না থাকলে বাংলাদেশে রাজনীতি করা যাবে না... বিজনেস-পারসন, রিটায়ারড আমলা, মিলিটারিদেরকে লাগবে দল চালাইতে হইলে...

এখন এইগুলা যে সত্যি না - তা তো না, কিনতু এইগুলা হইতেছে একটা ওয়ে অফ ডুয়িং থিংকস, কিনতু অন্যভাবে যে করা যায় না - তা তো না! আপনি বাসে যেমন যাইতে পারেন ঢাকা থিকা চিটাগাং, ট্রেনে যাইতে পারবেন, প্লেনেও যাইতে পারবেন... বা রুটও আছে নানান রকমের... তো, এই রাস্তাটা, ওয়ে'টা বাছাই করার একটা ঘটনাও আছে; আওমি-লিগের মতন না হয়াও পলিটিকস করা যাইতে পারে বাংলাদেশে, সবচে আগে এই জায়গাটাতে বিলিভ করাটা জরুরি, আমি দেখি যে, এইখানে খালি সন্দেহ না, বরং অবিশ্বাসই আছে বিএনপির অনেক লোকজনের 

মাস্তান, ক্যাডার আর দলের কর্মি - দুইটা একই ঘটনা না, ভাড়া-খাটা এক্টিভিস্ট আর আইডিওলজিকাল এলায়েন্স - একই জিনিস না... আর এইগুলা কথা না, এক্টের ভিতর দিয়া তৈরি করতে হবে আসলে, আমি দেখি যে, এই আন্ডারস্ট্যান্ডিং বা বুঝ'র কমতি আছে উনাদের...


২.
জানাক, বৈছাআ'র (যেই হাতে গোনা, মিডিয়া ব্যাকড) অল্প কিছু লোকজন আছেন, পলিটিকাল কালচারের দিক দিয়া উনারাও অনেকটা মিনি আওমি-লিগ হয়া উঠার দিকে হাঁটা শুরু করছেন; সেইটা উনারা টের পাইতেছেন কিনা - আমি ডাউটফুল 

মাসল-পাওয়ার গেইন করার মতো জায়গাতে উনারা পৌঁছাইতে পারেন নাই, কিনতু আওমি-লিগের মতো পাওয়ার-এজেন্সির নানান-রকম স্টেইক-হোল্ডারদেরকে পকেটে ভরার দিকেই উনারা নজর দিতেছেন, এইটা কতোটা প্রো-পিপল পলিটিকসের দিকে যাইতে পারবে, সেইটা নিয়া সবসময় সন্দেহ আছে আমার

তবে ঝামেলার জিনিস হইতেছে, যেই ডিফেইমিংয়ের এপ্রোচ আওমি-পান্ডাগুলা চালু কইরা দিয়া গেছিল, সেই লিগাসি কন্টিনিউ করা, কাউরে পছন্দ না হইলে তার গায়ে গু মাখায়া দেয়া... নতুন দল করতে হইলে তো পুরান বাজে-জিনিসগুলারে বাদ দিতে পারতে হবে, আপনার পলিটিকাল অপোনেন্ট'রে জাত-দুশমন না ভাইবা রেসপেক্টের সাথে ট্রিট করার এপ্রোচ'টা তো নতুন দলরেই শুরু করতে হবে... 

৩.
আমি যেইটা বলতে চাইতেছি, আওমি-বাকশালি রাজনীতির শেষ করতে হইলে নতুন পলিটিকাল কালচার এস্টাবলিশ করতে হবে পলিটিকাল দলগুলারে, ভাবতে পারতে হবে যে, বাংলাদেশের পলিটিকাল দলগুলা কেউ কারো জাত-শত্রু না, বরং তাদের প্রায়োরিটিগুলা, রাস্তাগুলা, এপ্রোচগুলা ডিফরেন্ট... এবং পলিটিকাল দলগুলার কাজ হইতেছে নিজেদের পলিটিকাল এপ্রোচের অই ডিফরেন্সের জায়গাগুলা নিয়া পিপল কনসেন্টের জন্য প্রপাগান্ডা চালানো... 

এইটা করতে হবে 
উইথ ট্রাস্ট (যে আমার অপোনেন্টও বাংলাদেশের ভালো চায়),
উইথ রেসপেক্ট (যে কথা-বলার জায়গা আছে আমাদের মধ্যে), উইথ ইন্ট্রিগ্রিটি (শুধু কথার কথা বলতেছি না আমি, মিন করতেছি)

মানে, যদি একটা নতুন পলিটিকাল কালচার তৈরি করা না যায়, পুরান পুন্দাপুন্দিই চলতে থাকে, দেয়ার ইজ নো ওয়ে যে, নতুন রাজনীতি'র শুরু হইতে পারবে...

ইমরুল হাসান

23 Dec, 02:29


নতুন ইলেকশনের আগে, গত ইলেকশনগুলা riging'র সাথে যেই সরকারি লোকজন জড়িত ছিল তাদের বিচার হইতে হবে!

মানে, অইগুলা তো ক্রাইম ছিল, আর সরকারি লোকজনই তো এর বেবস্থা করে দিছিল! মিডিয়ার বাটপারগুলা কাভার-আপ করছিল অই ক্রাইম। খালি তো পলিটিশিয়ানরা এইটা করে নাই, বরং সরকারি লোকজন এর প্ল্যান ও এক্সিকিউশনে ছিল। কিভাবে এইটা হইছিল? কারা করছিল? সেই ক্রাইমগুলার যদি বিচার না হয়, ক্রিমিনালগুলা যে আবারো একই কাজ করবে না, এর গ্যারান্টি কি!

ইমরুল হাসান

07 Dec, 14:14


সেন্ট্রিক দিয়া খুববেশি কিছু হবে বইলা আমরা মনেহয় না, মানে, হইলে তো ভালো! উনাদের কিছু করার ইচ্ছা আছে, কিনতু আমরা যা করতে পারি সেইটা তো সবসময় ইচ্ছার লগে রিলেভেন্ট ঘটনা না; বরং আরো কিছু জিনিস এইখানে আছে…

আমি দেখি যে, উনারা আউটলুকের জায়গাটা নিয়া কনসার্ন যে, টেকনিকাল কিছু ইন-ইফেশিয়েন্সির কারনে যেন বাংলাদেশের নেরেটিভগুলা তৈরি হইতেছে না! মানে, এইটা তো আছেই, কিনতু এইটাই ঘটনা না এইখানে; যেমন ধরেন, বাংলাদেশের নেরেটিভ যদি এস্টাবলিশ করতে চান তাইলে আপনারে খালি এইটা প্রমান করলেই হবে না যে, বাংলাদেশে কোন হিন্দু-নিযার্তন হইতেছে না, বরং প্রশ্ন তুলতে পারতে হবে জুলাই ম্যাসাকারে ইনডিয়া রাষ্ট্রিয়-ভাবে জড়িত কিনা? বা ধরেন, গত ১৫ বছরে যেই গুম-খুনগুলা করছে বাকশালি-সরকার এতে ইনডিয়া কিভাবে ইনভবলব?... 

গোদি-মিডিয়া যেই প্রপাগান্ডাগুলা চালাইতেছে, এইখানে হিন্দু কোন ঘটনাই না! বরং ইনডিয়া রাষ্ট্রিয়-ভাবে যে বিগত সরকারের ক্রাইমগুলার লগে রিলেটেট - সেইটা হইতেছে ট্রিগার পয়েন্ট'টা; মানে, এইটা মেবি সত্যি না, কিনতু প্রশ্ন তোলাটা বা এনকোয়ারি করাটা তো জরুরি! আর এইটা খালি প্রেজেন্টেশনের জিনিস না, রিয়েল জার্নালিজমের একটা কাজ; যেইটা করার মতো তাকদ খুব বেশি লোকের মেবি নাই বাংলাদেশে; মানে, ওয়েল, থাকলে তো ভালো… কেউ কেউ নিশ্চয় জার্নালিস্টিক এপ্রোচের জায়গা থিকা জিনিসগুলারে এড্রেস করতে পারবেন, টুডে অর টুমরো

ইমরুল হাসান

06 Dec, 05:27


বিএনপি'র উচিত হবে আসলে ছাত্রদলরে ডিজ-অউন করা! 

ওয়েট! এই কথা শুইনাই চেইতা যাইয়েন না বা খুশি হয়া যাইয়েন না! আমি এই কথা বলতেছি কয়েকটা কারনে - 

অ. 
ছাত্রদলের রাজনীতি যতদিন থাকবে, ততদিন তাদেরকে ক্যাম্পাসগুলা নিজেদের দখলে রাখতে হবে - এই রিয়ালিটি মাইনা নিতে পারাটা ভালো; মানে, উনারা তো অবশ্যই আরো ‘মানবিক’ এবং ‘ইসটুডেন্ট-ফ্রেন্ডলি’ হইতেই পারেন; হওয়ার ট্রাইও করতেছেন মনেহয়, কিনতু ক্যাম্পাসের দখল ছাইড়া দিয়া পলিটিকাল-পাওয়ার তো ধইরা রাখতে পারবেন না তারা! 

উনারা হইতেছেন ক্যাম্পাসগুলাতে বিএনপি'র পলিটিকাল রিপ্রেজন্টেটিভ, এবং অই রিপ্রেজেন্টেশনটা ধইরা রাখাটা হইতেছে উনাদের প্রাইমারি কাজ, এবং এইটা যদি না করতে পারেন উনারা তাইলে সংগঠন হিসাবে তাদের আর সিগনিফিকেন্স তো থাকে না আসলে! যেইটা ছিলও না গত ১৫-১৬ বছরে…

মানে, আমি বলতে চাইতেছি, বিএনপি'র অঙ্গ-সংগঠন হিসাবে থাকলে হইলে ছাত্রদলরে ক্যাম্পাসগুলা দখলে রাখতে পারতে হবে - এইটা ছাড়া তেমন কোন অপশন আমি দেখি না (এখন থাকলে তো ভালো); তো, এই জায়গা থিকা বাইর হইতে হইলে বিএনপি'র ডিজ-অউন করতে হবে আসলে ছাত্রদল’রে, এবং এইটা অবশ্যই খুবই সেন্সেটিভ ও ক্রুশিয়াল ডিসিশান হবে, খালি বিএনপি না, বাংলাদেশের পলিটিকসের জন্যই… 


আ. 
এই দখলের জায়গাটা আরো ক্লিয়ারলি বুঝতে পারবেন, অন্য সব ইসটুডেন্ট-অরগানাইজেশনের লগে কম্পেয়ার করলে, যেমন, ছাত্র শিবির এবং ছাত্র ইউনিয়নসহ বামপন্থি স্টুডেন্ট অরগানাইজেশনগুলা অইভাবে পলিটিকাল সংগঠন না!

ছাত্র শিবির হইতেছে মেইনলি অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন, যে, আপনি থাকার মেস পাইবেন, টিউশনি বা সাইড-ইনকামের সুযোগ পাইবেন, পড়াশোনা শেষে ইসলামি ব্যাংক বা অন্য জায়গাগুলাতে চাকরির কিছু অপারচুনেটি থাকবে… মানে, ইকনোমিকালি বেনিফিটেট হইবেন - এইটা হইতেছে মেইন সেলিং-পয়েন্ট'টা; এর বাইরে শিবির যে ক্যাম্পাস দখল করতে চায় না - তা তো না, কিনতু তারা ততটাই খারাপ, যতটা তারা জামায়তে ইসলামের পলিটিকাল ঘুটি হিসাবে কাজ করে… 

বামপন্থি অরগানাইজেশনগুলা কালচারাল পাওয়ারেরই ঘটনা, এইখানে ইনক্লুড হইতে পারলে শিল্পি-সাহিত্যিক-সাংবাদিক হইতে পারবেন সহজে; এর ইকনোমিক আসপেক্টও আছে, কিনতু কমই; ‘আমি ইসটুডেন্ট লাইফে বামপন্থি সংগঠন করতাম’ - এইটা মোস্টলি একটা কালচারাল ক্লেইম-ই! পরে চাকরি-বাকরি করতে গেলেও ‘মেধাবি’ তকমা পাওয়া যায় 😜 পলিটিকস করতে গেলেও কাজে দেয়, কিনতু পলিটিকালি ক্যাম্পাস দখল করা জরুরি না কোন সময়ই

আর বৈষম্য-বিরোধিরা যে নাগরিক কমিটির অঙ্গ-সংগঠন হয়া উঠার পথে আছেন, এইটা পলিটিকালি বাজে-কাজ হবে বইলাই আমি মনে করি, ডিটাচমেন্ট রাখাটা বরং বেটার


ই.
এখন ছাত্রদলরে ডিজ-অউন করলে বিএনপি'র কি লাভ? 

শর্ট-টার্মে তেমন কোন বেনিফিট নাই - একটা পজিটিভ মুভ হিসাবে রিড করতে পারে শিকখিত লোকজন (যদিও এরা বিএনপি'রে ভোট দিবে না, এদের ভোটও কম, তবে এদের মুখ বন্ধ করবে কিছুটা), কিনতু ইসটুডেন্টদের ভোট বাড়তে পারে তাদের… 

আর লং-টার্মে বিএনপি'র এবং বাংলাদেশের পলিটিকসের জন্য গুড-সাইন হইতে পারে এইটা; শিক্ষক-সমিতি, ছরমিক সংগঠন ও অন্য প্রফেশনালদের সংগঠনেও এইটা রেপ্লিকেট হইতে পারে, যে, সরাসরি রিপ্রেজেন্টেটিভ রাখবো না আমরা কোন! তার বদলে, অই গ্রুপগুলার লগে রিলেশন রাখবো আমরা, যারা অই গ্রুপ ও জমায়েতগুলারে রিপ্রেজেন্ট করে বা করতে পারে… 

আমি বলতেছি না, ছাত্রদলরে বাতিল কইরা দিতে (বলতেছি সরাসরি পলিটিকাল এনডোর্সমেন্ট সরায়া নিতে ধিরে ধিরে)! এর বদলে বরং বিএনপি এমন ঘোষনা দিতে পারে যে, ইলেকশনে ইসটুডেন্টদের (বা যাদের বয়স ২৫ বছরের কম) তাদের থিকা ৫-১০ জনরে এমপি কেন্ডিডেট হিসাবে নমিনেশন দিবে! মোস্ট সার্টেনলি তাদের অনেকে ছাত্রদলেরই হবে! 

মানে, ছাত্রদলরে ডিজ-অউন করা মানে ইসটুডেনটদের জায়গাটাতে নিজেদের রিপ্রেজেন্টেশন রাখার বদলে ক্যাম্পাসগুলা যে ফ্রি-পলিটিকাল স্পেইস হইতে পারে - সেইদিকে আগায়া যাইতে পারার কথা বলতে চাইতেছি আমি; যেইখানে ছাত্রদল একটা সংগঠন হিসাবে থাকবে, কিনতু সৌললি বিএনপি'র রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসাবে না - এইরকম কিছু যদি তৈরি হইতে পারে, সেইটা বাংলাদেশের পলিটিকাল এনভায়রনমেন্টের জন্য বেটার হইতে পারার কথা

ইমরুল হাসান

06 Dec, 03:28


গত কিছুদিন আগে, বাংলাদেশের কিছু লোক গদি-মিডিয়াতে হাজিরা দিয়া নিজেদের গায়ে গু মাখায়া আসছেন, যেন জবর একটা ‘প্রতিবাদ’ কইরা আসছেন! তো, এই জিনিস নিয়া ৩টা কথা বলার আছে আমার -

১. পয়লা কথা হইতেছে, এইগুলা উনাদের পারসোনাল এচিভমেন্ট হিসাবেই দেখছেন উনারা; যে, দেখেন, রাজায় আমারে কইছে চুদির ভাই! এইটা এচিভমেন্টই উনাদের, ইনডিয়ান-মিডিয়াতে এপিয়ারড হইতে পারাটা… মানে, এইটারে যে উনারা এচিভমেন্ট হিসাবে ভাবেন - এইটা প্রবলেমেটিক ঘটনা; কেউ যদি আমারে রিলিভেন্ট স্পেইসটা না দেয়, সেইখানে হাজির হওয়াটা যে অপমানের - এই সেন্সটা আছে বইলা আমি দেখি নাই; বরং এইভাবে ইনডিয়ান-মিডিয়ারে এবং তাদের মিস-ইনফরমেশন, ডিজ-ইনফরমেশন এবং প্রপাগান্ডাগুলারে এক ধরনের লেজিটেমিসই দেয়া হইছে… 

২. ইনডিয়ান-মিডিয়ার সেট কইরা দেয়া ইস্যুগুলা নিয়া কেন কথা বলবো আমরা, বাংলাদেশের লোকজনেরা? আমাদের কথা-বলার জায়গাগুলা তো আলাদা, যেই বিষয়গুলা নিয়া ইনডিয়ার আনসার দাবি করা উচিত আমাদের, যেমন

বাংলাদেশের গনহত্যাকারী ডিক্টেটর’রে কেন সরকারি মর্যাদায় আশ্রয় দিছে ইনডিয়া? 

বাংলাদেশে বর্ডার-কিলিং বন্ধ করার জন্য কি করতেছে তারা?

আগরতলায় বাংলাদেশি কুটনৈতিক স্থাপনায় হামলায়, ইনডিয়ান মিডিয়ার যেই কনট্রিবিউশন, সেইটা নিয়া তারা মাফ চাইছে কোন? 

বাংলাদেশের জুলাই গনহত্যা নিয়া তারা চুপ কেন? বিগত সরকারের দুর্নীতি ও গুম-খুন নিয়া তারা গত ১৫-১৬ বছর কথা বলে নাই কেন? 

পানির ন্যায্য হিস্যা কেন দিতেছে না?

বাংলাদেশের বিগত পাপেট সরকারের সাথে কি কি গোপন চুক্তি করছে ইনডিয়া? কেন করছে? এই নিয়া কোন প্রশ্ন নাই কেন তাদের?

বাংলাদেশ’কে কেন তাদের ইন্টারনাল রাজনীতি'র ইস্যু কইরা তোলা হইতেছে? 

এইসব আরো রিলিভেন্ট আলাপ শেষ কইরা আসলে পরে ‘সংখ্যালঘু’ ইস্যু নিয়া কথা বলতে পারি আমরা; কিনতু আগে তো নিজেদের ইস্যুগুলারে রেইজ করতে হবে; অথচ গোদি-মিডিয়াতে হাজির হয়া তাদের প্রপাগান্ডা-ইস্যুগুলারে ভ্যালিডেশন দেয়া হইছে যে, এইগুলা নিয়া কথা কইতে রাজি আছি আমরা! মানে, নিজেদের আলাপের এজেন্ডা-ই সেট করতে পারে নাই! 

৩. আমাদের তো বরং উচিত হইতেছে, অই স্পেইসগুলারে এবং অই প্রপাগান্ডা-ইস্যুগুলার বাইরে থাকা! নিজেদের ইস্যুগুলারে, অন্য এভেইলেবল আউটলেটগুলাতে নিয়া যাওয়া! ইনডিয়ান মিডিয়ার বাইরে নেপালি, পাকিস্তানি, শ্রীলংকান, মিডল-ইস্ট, ইউরোপিয়ান ও আম্রিকান মিডিয়াগুলারে ডাকেন, বরং ইনডিয়ান মিডিয়াতে যে কোন ইনভলবমেন্ট বন্ধ করেন! বলেন যে, মিস-ইনফরমেশন ও ডিজ-ইনফরমেশন ছড়ানোর কারনে এইসব মিডিয়া'তে বাংলাদেশ গবমেন্ট অফিসিয়ালি কোন স্টেইটমেন্ট দিবে না, যতক্ষন না তারা মাফ চায়! 

কিনতু এই পজিশন নেয়ার মতন ব্যাক-বোন বাংলাদেশের জার্নালিস্টদের নাই না, বরং বাংলাদেশের জার্নালিস্ট গ্রুপটাই মোস্টলি প্রো-ইনডিয়ান, এর বাইরে গিয়া যে পলিটিকাল পজিশন নেয়া যাইতে পারে - অই আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ে যাইতে উনারা রাজি না! 

বাংলাদেশের জার্নালিজমের সমস্যা টিভি-নিউজপেপারের মালিকরা না এতোটা, বরং ইনডিয়ার দালালি করাটাই যে এইখানে সাংবাদিকতার ট্রেডিশন - সেইটা হইতেছে মেইন সমস্যা! 

ইমরুল হাসান

04 Dec, 10:44


পিআলো নাকি জুলাই মুভমেন্টের পক্ষের শক্তি ছিল! ইনবক্সে একজন জুলাইয়ের ১১ তারিখের এই দুইটা জিনিস পাঠাইলেন - মানুশের ভোগান্তি নিয়া তাদের হাহাকার নিয়া!

এর মধ্যে, এই লোক নাকি আবার বাকশালের ইতিহাস লেখছে! অবশ্য জুলাইয়ের ইতিহাস তো এখন পর্যন্ত পি.আলো'র লোকজনই বেশি লেখছে! মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যেমন লেখছিল কলকাতার মুক্তিযোদ্ধারা!

তো, এইগুলা তো কোন 'সুদূর অতীতের' কথা না, রিসেন্ট ঘটনাগুলাও মাঝে-মধ্যে মনে করা ভালো...

ইমরুল হাসান

04 Dec, 03:13


বাংলাদেশ ইনডিয়া থিকা যত টাকা ইনকাম করে ইনডিয়া তার চাইতে ৭ গুন বেশি টাকা ইনকাম করে বাংলাদেশ থিকা; মানে, বিজনেস যদি কইমা যায় হিসাবে (অন্য আরো কমপ্লেক্সিটি তো আছেই...) তো বিপদে পড়ার কথা ইনডিয়ার! বাংলাদেশ যদি বলে বা ভাবে যে, ইনডিয়া থিকা জিনিস কম কইরা কিনবো আমরা এখন থিকা! কাস্টমার হিসাবে অন্য অনেক দেশ থিকাই তো অনেক কিছু কিনার কথা ভাবতে পারি আমরা...

আর বাংলাদেশ ইনডিয়া থিকা রিফাইনড পেট্রোলিয়াম সবচে বেশি কেন কিনে? ইনডিয়াতে কি তেলের খনি আছে নাকি? :)

[ এইগুলা তো সরকারি হিসাব, এর বাইরে আরো অনেক ইনোমিক রিলেশন ও পারসপেক্টিভ তো আছে, জাস্ট নাম্বারটাই দেখতেছি এইখানে]

ইমরুল হাসান

03 Dec, 17:20


ইনডিয়ার এই যে rage বাংলাদেশের প্রতি, এইটা খালি পলিটিকাল না, অনেক বেশি ইকনোমিকালই হওয়ার কথা...

মানে, কতো টাকার বিজনেস বন্ধ হইতেছে তাদের, বাংলাদেশে? এক আদানির বিজনেসই তো হাফ হয়া যাওয়ার কথা, তো এনডিটিভি চেতবে না? 🙂 ডিসেম্বর শেষে আমার ধারনা, ফ্যাক্টস-ফিগার নিলে জিনিসটা টের পাওয়া যাবে ভালোভাবে

এমনিতে, কলকাতার অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ার কথা, কলকাতা শহর খালি বাংলাদেশের কৃষক ও ব্যবসায়িদের টাকার উপরেই গইড়া উঠে নাই, পাকিস্তান আমলে এবং বাংলাদেশ-পিরিয়ডেও কলকাতার একটা বড় বাজার ছিল (বা আছেও এখনো) বাংলাদেশ, বাংলাদেশের মানুশ-জন...

দেখবেন, তাদের নেরেটিভে এমন একটা এটিটুড আছে যেন বাংলাদেশ অনেক কিছুর জন্য ইনডিয়ার উপর ডিপেন্ডড; কিনতু এইটা তো রিয়ালিটি না, বাংলাদেশে বরং ইডিয়ার বিজনেস বেশি! ইনকামের জন্য তো আমরা মিডল-ইস্টের লেবার এবং ইউরোপ-আম্রিকার গার্মেন্টেসের উপর ডিপেন্ডেড...

জিওগ্রাফিকাল কারনে, কম সময়ে ইনডিয়ান জিনিস ইমপোর্ট করা যায় বইলা এইটা ঘটে, কিনতু বাংলাদেশে যদি ইনডিয়ান প্রডাক্টের ইমপোর্ট কমে, সাফারার তো ইনডিয়া-ই বেশি হওয়ার কথা, বাংলাদেশ না! মানে, ইনিশিয়াল কিছু ডিস-কমফোর্ট তো হবেই...

আমি বলতে চাইতেছি, ইনডিয়ার এই যে চেইতা যাওয়া, এইটা বিজনেস কইমা যাওয়া, বাজারে বাড়তি সুবিধা হারায়া ফেলার কারনেও হওয়ার কথা...

ইমরুল হাসান

03 Dec, 04:29


আমি তো দেখি যে, অইভাবে এক্টিভিজমও হয় নাই বাংলাদেশে, কারন ইনটেলেকচুয়াল ও আর্ট-কালচারের জায়গাগুলার মতো এক্টিভিজমের জায়গাগুলাও ছিল বাম-বাটপারদের দখলে, যারা ফিল-গুড এক্টিভিজম চালায়া গেছেন, এফেক্টিভ কোন প্রো-বাংলাদেশি এক্টিভিজমই বাংলাদেশে হয় না (যেমন ধরেন, ভাসানীর ফারাক্কা মার্চ...)

তো, মনে হইতেছিল, বর্ডারে এতো এতো কিলিং করতেছে ইনডিয়া, এই নিয়া তেমন কোন এক্টিভিজমই আমরা তৈরি করতে পারি নাই বাংলাদেশে; এইটা করতে পারাটা দরকার...

বাংলাদেশ-ইনডিয়ার প্রতিটা চেকপোস্ট ও ট্রানজিট পয়েন্টে বিএসএফ গুলিতে খুন হওয়া বাংলাদেশিদের ছবি ও খুন-হওয়ার বিবরন ডিসপ্লে করা উচিত, যাতে দুই দেশের মানুশ-জনই তা সবসময় দেখতে পারে! যুদ্ধ ছাড়া দুনিয়ার আর কোন দেশ বর্ডারে অন্য দেশের এতো মানুশ খুন করে না, অথচ দেখবেন এই ঘটনারে বাংলাদেশেই ঠিকমতো রিকগনাইজ করা হয় না, বাইরের দুনিয়াতে রেজিস্টারড হওয়া তো আরো দূরের ব্যাপার...

মানে, আমি বলতে চাইতেছি, এইগুলা খালি পলিটিকাল দলের কাজ না, সোশাল এক্টিভিজমেরও ঘটনা, যেইগুলা একটা নেশনাল কনশাসনেস তৈরি করবে, এবং সব পলিটিকাল দলগুলারে বাধ্য করবে একটা কমন-স্ট্যান্ড নিতে...

ইমরুল হাসান

02 Dec, 14:12


ইনডিয়ান নিউজ-আউটলেটগুলা বাংলাদেশের ব্যাপারে মিস-ইনফরমেশন ও ডিজ-ইনফরমেশন ছড়াইতেছে এবং প্রপাগান্ডা চালাইতেছে, কিনতু এইগুলা পারসেপশন-লেভেলে 'সত্যি' হয়া উঠতে পারতেছে বাংলাদেশের নিউজ-আউটলেট, টিভি-চ্যানেল, নেশনাল সেলিব্রেটি, কমিউনিটি-লিডারদের 'নিরবতার' ভিতর দিয়াই...

মানে, এই বাকশালি-ফোর্সটা এখনো বাংলাদেশ-বিরোধি এবং প্রো-ইনডিয়ান নেরেটিভ'টারেই সার্ভ কইরা যাইতেছে, এবং এই জায়গাটারে জাস্ট ইগনোর কইরা যাইতে পারি না আমরা

আমাদের কথা তো আমরা বলবোই, কিনতু কারা মিন-মিন কইরা ইনডিয়ান এই প্রপাগান্ডাগুলার এক ধরনের ভ্যালিডেশন তৈরি করার কাজ করতেছে, সেইটা খেয়াল করাটাও দরকারি

ইমরুল হাসান

02 Dec, 13:23


অনেকেই দেখি বলেন যে, ইনডিয়ান ডিজ-ইনফরমেশনের এগেনেস্টে টুইটারে লেখেন, ফেইসবুকে আরো ভোকাল হওয়ার আওয়াজ তোলেন, অবভিয়াসলি উনারা দেশের জন্য, দেশের মানুশদের ভালো চাইয়াই এই কথা বলেন...

কিনতু দেশে তো না হইলেও ৫০-৬০ টা নিউজ-আউটলেট আছে, আরো ৪০-৫০ টা টিভি-চ্যানেল আছে, তাদের ফেইসবুক পেইজ, এক্স একাউন্ট, ইউটিউব চ্যানেল আছে, উনারা কয়টা আর্টিকেল ছাপাইছেন, ভিডিও বানাইছেন? অই কথা জিগান!

আওমি-বুদ্দিজিবিদের বাইরেও সরকারি বুদ্দিজিবি তো আছেন, না হইলেও ১০০-১৫০ তো হবেই; বিদেশে নামি-দামি বাংলাদেশিদের নাম্বার ইনডিয়ার মতো হিউজ না হইলেও কম তো না! উনাদের আওয়াজ নাই কেন! মানে, থাকলে সেইগুলার কিছু লাইক-শেয়ার তো নজরে আসতো...

আমি বলতে চাইতেছি, এইটা একটা অরগানাইজড প্রপাগান্ডা ওয়ার! বাংলাদেশের ইন্ডিপেন্ডেড ইন্টেলকচুয়াল বা কমন-পিপলরা যেই রোল প্লে করতে পারেন, সেইটা বেশ ছোট-ই; এইটা মিডিয়া-আউটলেট এবং সেলিব্রেটি পাবলিক ফিগার, কমিউনিটি লিডারদের কাজ...

আর এই জায়গাটাতে বাংলাদেশে বড় একটা ভ্যাকুয়াম, উনাদের নিরবতা প্রো-বাকশালি এফেয়ারেরই এক্সটেনশন; তো, এই জায়গাটাতে ফোকাস দিতে পারলে বরং বেটার

ইমরুল হাসান

01 Dec, 08:32


ইনডিয়া কি কারনে বাংলাদেশের 'জাতীয় শত্রু'? ২০১৯ সালের একটা লেখা পড়তে পারেন, ফেইসবুকের এই পোস্টে:

https://www.facebook.com/share/p/1DjqxRbvWe/

ইমরুল হাসান

01 Dec, 02:57


ফ্লাইওভারে জ্যাম লাগানোর সবচে ভালো-পদ্ধতি হইতেছে গাড়ি নষ্ট হওয়া; আগে ৬ মাসেও ১টা গাড়ি নষ্ট হইয়া বন্ধ হয়া থাকতো না, এখন অফিস টাইমে সকাল-বিকাল দেখি, ফ্লাইওভারে গাড়ি নষ্ট হওয়ার কারনে ট্রাফিক জ্যাম লাগছে

হইতে পারে চারপাশে অনেক বেশি কন্সপিরেসি থিওরি থাকার কারনে এই কাজকামগুলারে সন্দেহ হইতেছে, কিনতু না কইরাও তো উপায় নাই; ডেইলি ডেইলি কেমনে এই ঘটনা ঘটে! মানে, আমি মনে করি, বাংলাদেশের মানুশের মনে এক ধরনের 'সেন্স অফ ইনসিকিওরিটি' ঢুকায়া দেয়ার ট্রাই করা হইতেছে, আর এইটা তখনই ভালো-ভাবে করা পসিবল যখন ডেইলি লাইফে ডিস্টারবেন্স ক্রিয়েট করা যাবে; ছোট ছোট জিনিস যে, আরে ভাই, আমার গাড়ি নষ্ট হইছে আমি কি করবো! কিনতু যখন পিক-টাইমে কারো কারো না গাড়ি নষ্ট হইতেছে, সেইটা নিয়া সাসপিসিয়াস না হইয়া তো উপায় নাই!

আর আমি মনে করি, এইটা ঘটতে পারতেছে কারন আওমি-লিগের ক্রিমিনালদের এগেনেস্টে কোন লিগাল একশন না নেয়ার কারনে; তাদের কনফিডেন্স আছে যে, পুলিশে ও আদালতে তাদের লোকজন আছে, কেউ তাদের বড় কোন বিপদে ফেলতে পারবে না, আর এই কনফিডেন্স দিনে দিনে বাড়তেছে, ইনটেরিম গবমেন্ট কিছু করতে পারতেছে না নাকি করতেছে না - এইটা স্পষ্ট করা উচিত উনাদের; কারন আরেকটা গনহত্যার ঘটনা ঘটলে, সেইটার রেসপন্সিবিলিটি ইনটেরিম গবমেন্টেরই...

এবং শুধুমাত্র এলিট মিডল-ক্লাসের সরকার হওয়ার ভিতর দিয়া উনারা এই রিস্ক আরো বাড়ায়া তুলতেছেন বইলাই মনেহয়

ইমরুল হাসান

30 Nov, 14:23


গতকালকে, একজন অনেকটা টেনশন ও মন-খারাপ কইরাই জিগাইতেছিলেন আমারে, দেশের পলিটিকাল অবস্থা কোনদিকে যাইতেছে? কি হবে আসলে? 

আমি বললাম, ভালো কিছু তো হইতেছে বইলা তো আমার মনেহয় না, পুরানা পলিটিকাল সিসটেমই ধিরে ধিরে ফিরা আসতেছে, বিএনপি পুরান-রাজনিতিতে ফিরা যাবে - এইটা এক্সপেক্টেট, কিনতু নাগরিক কমিটি বা বৈষম্য-বিরোধি’রাও উপর থিকাই কমিটি বানায়া দিতেছে মনেহয়, মানে, পুরান পলিটিকাল সিসটেমই ফিরা আসবে… অন্যরকম কিছু হওয়ার চান্স কমতেছেই দিন দিন… 

কিনতু এই যে নিজেদের মতো কইরা কথা-বলার একটা স্পেইস আমরা পাইছি, এই ইনডিপেন্ডড স্পেইসটা যতক্ষন পর্যন্ত আছে, ততক্ষন আমি আশা দেখি; আমাদের কাজ হইতেছে এই ইন্ডিপেন্ডেড ভয়েসগুলারে বাঁচায়া রাখা, নার্চার করা… 

এই ইন্ডিপেন্ডেড ভয়েসগুলা এবং স্পেইসগুলারে যত বেশি আমরা ছড়ায়া দিতে পারবো, যে কোন ধরনের খারাপ-শাসনের এগেনেস্টে একটা সেইফ-গার্ড দিতে পারবে হয়তো আমাদেরকে, যে কোন ধরনের জুলুমের জায়গার বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠানোর সম্ভাবনাটা থাকবে বইলা আমি মনে করি... এর ভিজিবল ইমপ্যাক্ট হয়তো আমরা দেখি না, কিনতু সমাজ দাঁড়ায়া থাকে এইরকম ছোট ছোট না-মাইনা নেয়া ভিতরেই

হয়তো খুব বেশি কিছু আমরা কইরা ফেলতে পারবো না, কিনতু আমাদের কথা-বলার কারনে, মাইনা-না-নেয়ার কারনে, একটা স্ট্যান্ড নিতে পারার কারনে অনেক খারাপ কিছু হয়তো হইতে পারবে না… তো, এইটা জরুরি - চুপ না থাকা এবং কথা-বলা

ইমরুল হাসান

30 Nov, 10:41


বই পইড়া তো আর বাংলাদেশের পলিটিকস বুঝতে পারবেন না, কিনতু আমি করি, এই ১০টা বই পড়তে পারেন, যদি আপনি বাংলাদেশের পলিটিকস নিয়া ইন্টারেস্টেট হন:


১. আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর - আবুল মনসুর আহমদ

২. আমার জীবন ও বিভাগ-পূর্ব বাংলাদেশের রাজনীতি - আবুল হাশিম

৩. বাংলা ভাগ হল - জয়া চ্যাটার্জী

৪. পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা - সৈয়দ মুজতবা আলী

৫. আমার শিল্পী জীবনের কথা - আব্বাসউদ্দিন আহমদ

৬. আত্মস্মৃতি - আবু জাফর শামসুদ্দীন

৭. জীবন কথা - শাহেদ আলী

৮. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ - প্রফেসর আবদুর রাজ্জাকের সাথে সরদার ফজলুল করিমের আলাপ।

৯. হক-কথা সমগ্র - আবদুল হামিদ খান ভাসানী সম্পাদিত

১০. Birth of Bangladesh - Nurul Kabir


[এর বাইরে অবশ্যই আরো অনেক বই আছে, সব বই আমি পড়ি নাই, তার চে বড় বেপার হইতেছে, যা পড়ছি তার বেশিরভাগই আমি রিকমেন্ড করতে রাজি না...]

ইমরুল হাসান

30 Nov, 08:18


[গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু ভারসিটিতে, আলাপ করার জন্য এই ড্রাফট পয়েন্টগুলা নোট হিসাবে রাখছিলাম...]

বাকশাল কি?
এবং এইটা কেমনে ফাংশন করে?



ব্যাকগ্রাউন্ডের কথা

অ. কোন ধারনা-ই কনসটেন্ট না: 
কোন সময়ে, কোন জায়গায়, কোন সমাজে বলা হইতেছে - তার উপরে ডিপেন্ড কইরা জিনিসগুলা এমার্জ করে, বদলায়, এবং বাতিল হয়া আরেকটা ফর্মে যায়… 

আ. থট আর এক্ট:
আইডিয়া বা থট এবং কোন-কিছু-করা বা এক্ট আলাদা আলাদা ফ্লো'র ঘটনা, কিনতু পাশাপাশি-ই চলতে থাকে এবং একটা আরেকটারে এফেক্ট করে

ই. আইডিয়া এবং ট্রুথ:
কোন ধারনা বা আইডিয়াই ট্রুথ না, ট্রুথরে দেখার তরিকা; এবসুলেট ট্রুথ কোন সাবজেক্টিভ ঘটনা না; এবং মনে রাখা ভালো ফ্যাক্ট ও ট্রুথ একই জিনিস না



ক। ফ্যাসিজম ও বাকশাল

১. দুনিয়াতে, নানান দেশে, নানান সময়ে ফ্যাসিজম নানান ভাবে আসছে, উমবের্তো একো’ ‘ফেসিস্ট কেমনে চিনবেন?’-এর রেফারেন্সে আমি এই কথা বলতেছি; সব দেশেই ফেসিজমের কিছু কমন কারেক্টারিস্টিকস আছে এবং কিছু ইউনিক বেপার-সেপারও থাকে…

২. তো, বাকশাল হইতেছে বাংলাদেশি ফ্যাসিজম। 

কিছু কমন জিনিস - যেমন, হাজার বছরের ঐতিহ্য; এলিটিজম; চিন্তা করার দরকার নাই, কাজ করা লাগবে শুধু…

ইউনিক জিনিস  - যেমনপ্রো-ইনডিয়ান বা ইনডিয়ার দালালি; কালচারাল কনফ্লিক্টরে পলিটিকাল কালার দেয়া; মাইরা মামলা দেয়া…


৩. এর একটা হিস্ট্রিকাল কনসট্রাকশনও আছে, যেইটা এক ধরনের ‘বিপ্লবি-পনার’ লগে কানেক্টেট; বিপ্লব-করা খারাপ জিনিস না, কিনতু ‘বাঙালি মানেই বিপ্লবি’ - এই বয়ান প্রবলেমেটিক

পলিটিকালি পাকিস্তান জন্মের আগে থিকাই পুব-বাংলা আলাদা একটা পলিটিকাল ও কালচারাল আইডেন্টি হয়া উঠার মধ্যে ছিল, খালি বিফোর ১৯৭১ না, বিফোর ১৯৪৭-এও বাংলাদেশের ইতিহাস আছে, যেইখানে কলকাতাও বাংলাদেশেরই পার্ট… 

পাকিস্তান আমল: পলিটিকাল ফেইলওর ও কেওস থিকা(১৯৪৭-১৯৫৬) > মিলিটারি-শাসন (১৯৫৬-১৯৬৮) আসছে > মিলিটারি ও আমলাদের প্যাক্ট (১৯৬৯ - ১৯৭১) 

এই সব কিছু ইনিশিয়েটেড হইতে পারছে ইন্ডিপেন্ডেড স্টেইটস নিয়া কোন কনফেডারেশনাল স্টেইট এর কথা না ভাবতে পারার কারনে… 

বাংলাদেশের বাকশাল: এক নেতা, এক দল, এক দেশ (১৯৭২ - ১৯৭৫),  বিপ্লবের স্বপ্নদোষ 

জার্নি টুওয়াডর্স ডেমোক্রেসি (১৯৭৭ - ১৯৮১)
স্বৈরশাসন (১৯৮২ - ১৯৯০)
ইলেকশনের ডেমোক্রেসি (১৯৯১ - ২০০৭)

নয়া-বাকশাল (২০০৭ - ২০২৪)
মিডিয়া, মিলিটারি, আমলা এবং পলিটিকাল-লিডারদের একটা প্যাক্ট
গৃহপালিত বিরোধি-দল
রেন্টাল ইনকাম ও ইকনোমিক অলিগার্ক

প্রো-ইনডিয়ান বয়ানের শুরু এইটিইজে, নব্বইয়ের পরে সেইটা পাওয়ারফুল হয়া উঠছে, বাম-বাকশালি বয়ানটা, এখনকার 




খ। কিভাবে এইটা ফাংশন করে?

পলিটিকাল: 
এক জাতি - বাঙালি
একদল - বাকশাল (আওমি-সিপিবি-ন্যাপ) 
এক নেতা - শেখ মুজিবুর রহমান 


ইকনোমিকাল: 
সরকারি লাইসেন্স
সরকারি প্রজেক্টের লুটপাট (রেন্টাল ইনকাম)



কালচারাল: 
বাংলা ভারসেস বাংলাদেশি: ভাশা, সাহিত্য, আর্ট
বাংলাদেশি মানে কম-দামি, ইনফিরিয়র 
কলকাতার এসথেটিকস থিকা আমরা যতটা সরতে পারবো, ততটাই স্বাধিন হয়া উঠতে পারবো আসলে… 


সোশাল: 
সাম্প্রদায়িকতা না, বরং জাত-প্রথা হইতেছে মেইন সমস্যা 
ভদ্রলোক-সমাজ ও শিকখিত-সমাজ হইতেছে ঝামেলার 
রাষ্ট্র হইতেছে আরেকটা অপ্রেশনের টুল 




গ। কি করা উচিত আমাদের?

১. ইনটেলেকচুয়াল ইন্টারভেনশন: যেইভাবে দেখা হয় বা দেখার নিয়ম চালু আছে, অই জায়গাগুলারে প্রশ্ন করা লাগবে

২. পলিটিকাল অর্ডার ও রিজিওনাল কো-হেরিয়েন্স: দুইটা রিলেটেড, সাউথ এশিয়ান কনফেডারেশনের দিকে যাইতে হবে

৩. বাংলাদেশের মেনিফেস্টো তৈরি করতে পারে ভালো 

ইমরুল হাসান

30 Nov, 03:52


বাংলাদেশের জুলাই ম্যাসাকারে ইনডিয়া যদি রাষ্ট্রিয়ভাবে ইনভলব না থাকে - তাইলে এতোটা মরিয়া হওয়ার কোন কারন তো নাই! এই সন্দেহ দিন দিন বাড়তে থাকার কথা, তাদের এখনকার কাজ-কামে...

এবং আমার ধারনা, এই কারনে তারা হাসিনারে ফেরত দিবে না, হাসিনা যদি কনফেস করে ঘটনাগুলা, তাইলে তারা আরো বিপদে পড়বে! এই কারনে হাসিনারে বরং তারা মাইরা ফেলতে পারে, ফেরত দেয়ার চাইতে... মানে, হাসিনা বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলবে না বা রাজসাক্ষি হবে না, কিনতু তার কথার তো ব্যালেন্স নাই, মুখ ফসকায়া অনেক কিছু বইলা ফেলতে পারে

মানে, আমি বলতে চাইতেছি, শুধুমাত্র ক্লোজ-এলাই হারায়া ফেলার কারনে এইরকমের পাগলা-কুত্তার মতো ইনডিয়া এই কাজ করতেছে না মেবি, বরং তাদের ফিউচার ইজ ইন স্টেইক; যদি ইন্টার-ন্যাশনাল ইনভেসটিগেশনে রিভিল হয় যে, ইনডিয়া রাষ্ট্রিয়-ভাবে বাংলাদেশের জুলাই ম্যাসাকারের সাথে জড়িত - তাইলে সারা দুনিয়াতে রাষ্ট্র হিসাবে তাদের অবস্থাটা কি হবে! এই ভয়েও বাংলাদেশে কন্সটেন্টলি অনেকগুলা 'মব' তৈরি করার কাজ করতে থাকার কথা...

এখন, অবশ্যই আমার অনুমান এইটা, সন্দেহ; সন্দেহের পিছনে কারন হইতেছে, এর পরে যেই গবমেন্টই আসুক, তাদেরকে তো তারা ম্যানেজ না করতে পারার কোন কারন নাই! তাইলে প্রবলেমটা কোন জায়গায়? আমি ফিল করি যে, জুলাই ম্যাসাকারের কোন বিচার হবে না বা যেই বিচার হবে - সেইখানে তাদের রাষ্ট্রিয় ইনভলবমেন্টের ঘটনাগুলা (যদি থাকে) সেইগুলা ইগনোর করা লাগবে... এইরকমের ক্রুশিয়াল কোন ইস্যুই থাকার কথা... আবারো বলি, আমার অনুমান! নাইলে, এতো মরিয়া-ভাবে ট্রাই করার স্কোপগুলা কমই (মানে, বিজেপি'র পলিটিকস, আরো কিছু জিনিস তো আছেই, কিনতু অইগুলা নরমালিই তারা অপারেট করতে পারার কথা বইলা আমার মনেহয়)

ইমরুল হাসান

29 Nov, 15:06


এইটা হইতেছে জুলাই মুভমেন্টের আরেকটা আইকনিক ছবি!

হাইকোর্টের সামনে মেবি; ভিডিও'টা থাকার কথা কোথাও, কারো কাছে...

যতদূর মনে আছে, মেয়েটার সাথের একজন স্টুডেন্টকে জোর কইরা এই পুলিশ ভ্যানে তুইলা নেয়, অনেকে ছাড়ানো ট্রাই করে, কিনতু পারে না, ছেলেটারে নিয়াই পুলিশ ভ্যান অই এলাকা থিকা চইলা যাইতে নেয়

তখন এই মেয়েটা গিয়া সামনে দাঁড়ায়, আরো কয়েকটা ছবি আছে, কয়েকটা এঙ্গেলে, সেইখানে দেখা যায় মেয়েটার একটা হাঁটু সামনের দিকে ভাঁজ করা, মানে, শে শক্তি দিয়া আটকাইতেছে পুলিশ ভ্যান'টারে! চিকনা, লিকলিকে একটা মেয়ে, কিনতু শরীর দিয়া শে আটকাইতেছে না পুলিশ ভ্যানটারে, শে আটকাইতেছে তাঁর সাহস দিয়া!

তারপরে আরো আরো মানুশ আসে, মেয়েটার পাশে দাঁড়ায়, ছেলেটারে পুলিশের ভ্যান থিকা বাইর কইরা নিয়া আসে!

মনে রাখবেন, জুলাই হইতেছে আমাদের এইরকম হাজারটা সাহসের ঘটনা! হাজার হাজার মানুশ মরার ভয় না কইরা রাস্তায় নাইমা আসছিল! এই সাহস'রে আরেকটা ভয়ের ভিতরে বন্দি কইরা ফেলা যাবে না!

নেভার ফরগিভ! নেভার ফরগেট!

ইমরুল হাসান

29 Nov, 12:51


ই**য়ান-মিডিয়ার সবচে বড় কাজ হইতেছে এখন বাংলাদেশে 'মব' তৈরি করা

মোটামুটি সবগুলা ঘটনাতেই দেখা যাইতেছে যে, BAL'র লোকজন ইনভলবড, কিনতু তারপরও সব ঘটনাতেই এই জায়গাটারে এড়ায়া গিয়া একটা 'মব' তৈরি করা হইতেছে, যেন যেই মানুশগুলা এই কাজগুলা করতেছে তাদের কোন চেহারা নাই, নাম-ঠিকানা-পরিচয় নাই!

এবং বাল-মিডিয়াও এই নেরেটিভ'টারেই আপহোল্ড করতেছে! যে, এইটা 'মব'! মানে, যেই ঘটনাই ঘটতেছে, যারা-ই ঘটাইতেছে, তাদেরকে আড়াল করা হইতেছে! সবচে বড় সমস্যা হইতেছে, এইগুলারে 'বিচ্ছিন্ন' ঘটনা হিসাবে দেখানোর বেপার'টা... আওমি-লিগের নাম-গন্ধও পাইবেন না!

এইরকম জিনিসগুলারে 'বিচ্ছিন্ন' হিসাবে দেখানোর আরেকটা ঘটনা হইতেছে, অইসব ঘটনাগুলা নিয়া 'জরুরি তাত্ত্বিক আলাপ' শুরু করা :) কিনতু এই কালচারাল কনফ্লিক্টগুলারে কিভাবে পলিটিকাল আন-রেস্টের টুল হিসাবে ইউজ করা হইতেছে, অইটা নিয়া কথা কওয়াটা মোটামুটি 'পাপ'! মানে, জিনিসটা কন্সপিরেসি থিওরিতে কনভার্ট করা না ঘটনাগুলারে, তাদের আলাদা মেরিট তো আছেই, কিনতু পলিটিকাল কানেকশনের জায়গাটারে জাস্ট নাই কইরা দেয়ার ঘটনাও (বা ঘটনাটাই) এইখানে থাকে, না-বলার ভিতর দিয়াই

ইমরুল হাসান

29 Nov, 09:58


মাজার-ভাঙ্গার ঘটনা'টা নিয়া

যে কোন বর্গরেই ভালনারবেল কইরা তোলা'টা স্টেইট লেভেলে ইন-সিকিওরিটি তৈরি করার বাইরের ঘটনা না মনেহয় এতোটা; মানে, এতোটা অ-রাজনৈতিক কোন জিনিস না, যেইভাবে 'ইনোসেন্ট' লোকজন জিনিসটারে পোর্টেট করতে চান...

মানে, এই জায়গাটাও খেয়াল করা দরকার আমাদের, হুট কইরা এক একটা বর্গ সমাজের ভিতরে কি কইরা ভালনারেবল হয়া উঠতেছে? যেমন, ফেইসবুকে ইদানিং দেখি যে, অনেক 'মিসিং পারসন' পোস্ট, এবং এইগুলা ছড়াইতেছে তো অনেক... তো, এইগুলা ঘটতেছে না - এইটা আমার কথা না, কিনতু এই জিনিসগুলা ভাইরাল হওয়াটা যে একটা সেন্স অফ ইনসিকিওরিটি ছড়াইতে পারে বা ছড়াইতেছে - সেই জায়গাটাও খেয়াল করা দরকার

কনসার্ন তো অবশ্যই থাকা দরকার, কিনতু এইগুলা প্লেইন এন্ড সিম্পল মন-খারাপ ও বিষাদের ঘটনা কিনা - এই কোশ্চেনটাও করতে পারাটা দরকার আর কি

ইমরুল হাসান

27 Nov, 18:33


কোন কোন পয়েন্টের উপর “জাতীয় ঐক্য” তৈরি হইতে পারে - 

১. দল হিসাবে গনহত্যা ও লুটপাটের বিচারের আগে, আওমি-লিগ ও তার অঙ্গ-সংগঠন কোন পলিটিকাল একটিভিটি চালাইতে পারবে না 

২. নতুন সংবিধান বা বাংলাদেশের মেনিফেস্টো বানাইতে হবে, পুরান সংবিধান পুরাপুরি বাতিল করতে হবে

৩. জুলাই মুভমেন্টের সব পক্ষের প্রতিনিধি নিয়া “সর্বদলিয় জাতীয় ঐক্য” তৈরি করতে হবে; নেশনাল ইস্যুতে ও পলিটিকাল বিষয়ে চিফ এডভাইজার এই সভার পরামর্শ নিবেন

৪. জুন, ২০২৫ এর মধ্যে জুলাই মুভমেন্টেের সকল শহিদ ও আহতদের পরিবারকে সরকারি সাহায্য দেয়ার কাজ শেষ করতে হবে! 

৫. গুম, খুন ও গনহত্যার বিচারের আপডেট পাবলিকলি জানাইতে হবে! 

৬. রিফর্ম কমিটির সব প্রস্তাব ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ এর মধ্যে পাবলিকলি পাবলিশ করতে হবে; জুন-জুলাই, ২০২৫ নাগাদ এগ্রিমেন্টে আসার ট্রাই করতে হবে! 

৭. জানুয়ারি ২০২৫ থিকা লোকাল-গবমেন্ট ও সিটি-করপোরেশন ইলেকশন শুরু করতে হবে! ডিসেম্বর ২০২৫’র মধ্যে এগ্রিড ফরম্যাটে নেশনাল ইলেকশনের টার্গেট রাখতে হবে। 

৮. প্রতিটা বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে জুলাই মুভমেন্টের সব পক্ষ এবং শহিদ’দের পরিবারের সদস্য ও আহতদের নিয়া ‘সর্বদলিয় ঐক্য কমিটি’ তৈরি করতে হবে!

৯. বাংলাদেশ-বিরোধি যে কোন দেশি-বিদেশি প্রচার-প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে স্ট্রং নেশনাল পজিশন ডিক্লেয়ার করা 

.

আমি মনে করি সব পয়েন্টে না হইলেও এটলিস্ট ৪-৫টা পয়েন্টে জুলাই মুভমেন্টের সব পক্ষ এগ্রি করতে পারবেন

ইমরুল হাসান

25 Nov, 14:09


এইরকম কথা অনেকেই বলেন যে, পিআলো নিউজের নামে 'সাহিত্য' করে, মানে ইরিলিভেন্ট কথা বলে; কিনতু সেইটার উদাহারন খুব বেশি হাইলাইট করতে দেখি নাই আমি...

এই কারনেও কম যে, দেখেন, এইগুলা তো অইরকম প্রমান দেয়ার মতো ঘটনা না; ধরেন, কেউ আপনারে দেইখা নাক সিঁটকাইতেছে, সেই এটিটুডটারে তো আপনি আর প্রমান করতে পারবেন না! যে, তোমারে কি গাইল দিছে? চড়-থাপ্পড় দিছে? ওকে, তাইলে তো অপমান করে নাই - এইরকম... যে, মিছা-কথা তো কয় নাই!

তো, সো-কল্ড সত্যি-কথা কইয়াও তো যুথিষ্ঠির সবচে বড় মিছা-কথাটা কইছিলেন... পিআলো, ডিস্টারের ঘটনাটা হইতেছে এইরকমের
.

উদাহারন হিসাবে, এই নিউজ'টা দেখেন, ২০১৯ সালের, আবরারের খুন হওয়ার নিউজ; কোন মিছা-কথা কি আছে? নাই তো! কিনতু 'সাহিত্য' আছে :) নিউজ'টা পড়লে আপনার মনে হবে, একটা ছেলে ঘুরতে বাইর হইয়া মারা গেছে! কেন যে বাইরে গেছিল! বুঝা যাইতেছে না তো!

এই যে, মেকাপ দেয়াটা, এইটা যে কতো জরুরি জিনিস, সেইটা এখন কিছুটা হইলেও বুঝতে পারার কথা আমাদের... এইরকম খুন'রে 'রহস্যজনক মৃত্যু' বানানোর মতো উদাহারন কম নাই উনাদের, এই জিনিসগুলারে, উদাহারনগুলারে একসাথে করেন, প্যাটার্নটা আরো পরিষ্কার হবে তখন

ইমরুল হাসান

25 Nov, 12:01


মিডিয়া, মিলিটারি, পুলিশ প্রশাসন ও ব্যবসায়িদের যেই ফোর্সটা আগের আওমি-বাকশালি অবৈধ সরকার'রে চালাইতো, এখনো অইরকম একটা ফোর্সের হাতেই ক্ষমতার জায়গাগুলা ফিরা গেছে; মানে, একই মানুশদের হাতে না, বরং একই গ্রুপের অন্য কিছু মানুশদের হাতে, ফোর্সটা ইনট্যাক্টই আছে, এবং আশা করা যায়, নিজের গ্রুপের মানুশদের প্রতি বেশি 'নির্দয়' তারা হবে না, এক ধরনের আপোস হইতে থাকবে, ধিরে ধিরে...

এই গবমেন্ট তো গেছেই, উনারা ভালো-বাকশালিদের সরকার, কোন একশন উনারা নিবেন না, নিতে পারাটারে উনারা 'পলিটিকস করা' মনে করেন, এবং সেইটা উনারা করবেন না... আর উনাদের এই এটিটুড'টার কারনেই পুরান সিসটেমটা সহজে তাদের দখল'টা নিতে পারছে

দেশে জনগনের ক্ষমতা ৩০ দিনও ছিল না, আর ১০০ দিনে কমপ্লিটলি হাত ছাড়া হইয়া সারছে

তবে সবচে মুশকিল হইতেছে, এর পরে যেই গবমেন্ট আসবে, তাদেরকে এই ফোর্সটাই ঘাড় ধইরা চালাবে; শুরুতে মেবি ভাবছিল যে, স্টুডেন্টদেরকে পকেটে ভইরা ফেলতে পারবে, এখন বুঝতেছে যে অদের পলিটিকাল ফোর্স হয়া উঠতে টাইম লাগবে, সো বিএনপি'রে ধরাটাই ইজি হবে কম্পারেটিভলি

মানে, আমি বলতে চাইতেছি, জুলাই মুভমেন্টের যেই ২-৩টা ফোর্স ছিল তারা কমপ্লিটলি সারেন্ডার করছে বাংলাদেশের বাম-বাকশালি ফোর্সটার কাছে, নানান দিক দিয়াই, হয়তো জায়গাগুলা ভিজিবল হইতেছে না পুরাপুরি এখনো, কিনতু কনট্রোল'টা তারা নিতে পারছে বইলাই আমার ধারনা...

আওমি-লিগ'রে তারা ফিরায়া নিয়া না আসতে পারলেও আওমি-লিগের লোকজন ফিরতে শুরু করবে এখন, খালি বিএনপি না নাগরিক ঐক্য এবং অন্যসব জায়গার ভিতর দিয়াও; অবভিয়াসলি মার্কা-মারা লোকজন পারবে না, কিনতু আওমি-লিগের রিহ্যাবিটেশন জাস্ট সময়ের ঘটনাই অনেকটা

এখন, এইটা তো একটা ডিপ্রেসিং জিনিসই, ফাইট-ব্যাক করার কোন রাস্তা নাই না, বরং কিভাবে রাস্তা হারাইতেছি আমরা, সেইটা আগে থিকা খেয়াল কইরা রাখতে পারলে ভালো...

ইমরুল হাসান

23 Nov, 12:16


বাংলাদেশের কনটেক্সটে আওমি-লিগ যদি BJP হয়, তাইলে পিআলো'র কালচারাল এস্টাবলিশমেন্ট'টা হইতেছে RSS; যারা আওমি-লিগের অঙ্গ সংগঠন না, বরং উনারা চান আওমি-লিগ ভালো-বাকশালি হয়া উঠুক, হিন্দুত্ববাদের মতো একটা বাকশালি আইডিওলজিরে উনারা প্রমোট করেন, যেইটা হইতেছে পুরাপুরি প্রো-ইনডিয়ান; আর আওমি-লিগ হইতেছে সেই এজেন্ডা কায়েম করার জন্য বেস্ট-ফিট পলিটিকাল অরগানাইজেশন, এইরকম...

RSS যেমন হিন্দুদের রিপ্রেজেন্ট করে না, পিআলোও কালচারাল মিডল-ক্লাসকে রিপ্রেজেন্ট করে না; বরং অইটাতে সাবস্ক্রাইব কইরা মিক্লা খাতায় নাম লেখাইতে হয় অনেক'রে - দুইটা দুই ঘটনা; প্রো-ইডিয়ানিজমের লগে 'বাঙালি জাতিয়তাবাদের' তেমন কোন বিরোধ তো নাই-ই, বরং একটা আরেকটারে সাপ্লিমেন্টই করে...

এর বাইরে, বাংলাদেশে কোন মিডল-ক্লাস কালচার নাই - এইটা সত্যি কথা না, বরং যেহেতু কালচারাল পাওয়ারের জায়গাগুলাতে এই 'রুচি-বোধ'র ডমিনেন্স আছে, এর বাইরের জায়গাগুলারে নন-এগজিসটেন্ট কইরা তোলাটাও এর পলিটিকসেরই পার্ট

ইমরুল হাসান

23 Nov, 04:17


পলিটিকাল পাওয়ারের এগেনেস্টে রেজিসটেন্স যেইরকম অবভিয়াস এবং জরুরি, একইরকমভাবে কালচারাল পাওয়ারের জায়গাগুলারেও মাইনা না নেয়া এবং একটিভিজম চালু রাখতে পারাটা জরুরি

এই একটিভিজমের জায়গাগুলারে যারা ভিলিভাই করতে চান, তারা না বুইঝা এইটা করেন বা করতে চান - সেইটা আমি কখনোই মনে করি না, তারা অই কালচারাল পাওয়ারের লগে এসোসিয়েশনের জায়গা থিকাই এইটা করেন; আমাদের এইখানে চিন্তা-ভাবনায় সবসময় একটা রেড থিন লাইন আছে বিটুইন না-বোঝা ও জাইনা-শুইনা ক্ষমতার দালালি করা - দুইটা একই জিনিস না

এখন একটিভিজমের এফেক্টিভ ও নন-এফেক্টিভ নানান তরিকা থাকতে পারে, কিনতু একটিভজম করা যাবে না, কালচারাল পাওয়ারের জায়গাগুলারে নিয়া কোশ্চেন করা যাবে না - এইটা ইনটেলেকচুয়াল বলদামি না, বাটপারির ঘটনাই আসলে

ইমরুল হাসান

23 Nov, 03:46


/২০২১

*ডিগনিটি (হক-এর ধারণা) আর প্রাইড (গরিমা) একই জিনিস না। পয়লাটা খুবই দরকারি জিনিস। পরেরটা তিল পরিমাণ থাকলেও সেইটা ঝামেলার।

ডিগনিটি খালি সেলফ-রেসপেক্টই না বা ওয়ার্ডলি মিনিংগুলার ভিতরে আমাদেরকে আটকায়া থাকলে হবে না। একেকটা জায়গাতে বা সিচুয়েশনে ডিগনিটি ব্যাপারটা একেকরকম।

কোন একটা লার্নিংয়ের জায়গাতে যার কাছ থিকা শিখতেছেন, তার কাছে সাবমিট করতে পারাটা হইতেছে ডিগনিটি; আবার একটা জালিমের ক্ষমতার কাছে সাবমিট না করাটা হইতেছে ডিগনিটি; আবার একটা ইন্টেলেকচুয়াল তর্কে যখন কেউ আপনার সেক্সুয়াল রিলেশন নিয়া ইঙ্গিত করতেছে, তখন সেই তর্ক না করতে পারা হইতেছে ডিগনিটি; আবার একটা পেরমের রিলেশনে ইন্টেলেকচুয়াল পজিশনরে স্যাক্রিফাইস করতে রাজি হওয়া হইতেছে ডিগনিটি।...

এখন তাই বইলা জিনিসগুলা কোনভাবেই আইডেন্টিফাই করা যায় না, বা পারসোনাল যাচাই-বাছাইয়ের ব্যাপার - এইরকম কখনোই না। বরং সমাজে সবসময় একটা সেন্স অফ রেসপেক্ট, ডিগনিটি কাজ করে।

আপনি যদি অই রেসপেক্ট, ডিগনিটির জায়গা থিকা ট্রিট না করেন, এর একটা বাজে এফেক্ট পড়তে থাকে। অই জায়গাটা তখন প্রাইড দিয়া ভরাট হয়।

আমাদের সমাজে এই ডিগনিটির জায়গাটা প্রাইড দিয়া ভরাট হইতেছে দিন দিন। কাউরে ডিগনিটি নিয়া কথা কইতে, বাঁইচা থাকতে দেখলেও মনেহয়, যাই একটা অপমান কইরা আসি! শালার ক্ষমতা নাই, আবার ডিগনিটি চুদাইতে আসে! আছে এইরকম। :(

জুলুমের সমাজে ক্ষমতার প্রাইড'টাই বেইজ হয়া উঠে, একজন মানুশ কোন কারণ ছাড়া অন্য আরেকজন মানুশরে রেসপেক্ট করবে - এইটা হয়া উঠে 'হাইস্যকর' জিনিস, বেশিরভাগ সময়।

২.
মানে ডিফরেন্সের জায়গাটা যে আছে, এইটা খেয়াল করতে পারাটা দরকার।

একটা দেশের প্রাইম মিনিস্টার যখন প্রাইডের জায়গা থিকা কথা বলেন, দেশের মানুশরে ডিগনিটি দিয়া কথা বলতে পারেন না, তখন এইটা তাঁর নিচের লোকজনও ফলো করতে থাকে। এইভাবে ডিগনিটি ও রেসপেক্টের জায়গায় পাওয়ার ও প্রাইডের প্রাকটিস বাড়তে থাকে।

একটা ভালো'র শাসন যেমন খারাপ হইতে সময় লাগে, এইরকম একটা খারাপের শাসনের এফেক্টও অনেকদিন থাইকা যাবে মনেহয় :(

/২০২১

ইমরুল হাসান

22 Nov, 08:53


ইনটেলেকচুয়ালদের কথা তো শুনবেনই কিনতু কবি'দের ইনটেনশনগুলারে ফলো করাটা বেটার; এইটা মনে হইতেছিল পিআলো ডিস্টারের এগেনেস্টে একটিভিজমের জায়গাটাতে 

যেমন, কয়দিন আগে কবি হাসান রোবায়েত ফেইসবুকে পোস্ট দিয়া বলছিলেন যে, উনি আপাতত পিআলো লেখা ছাপাইবেন না আর, তো, একটিভিজম হিসাবে এইটা অনেক এফেকটিভ জিনিস ছিল বইলা আমি মনে করি; কিনতু খেয়াল কইরা দেখবেন, ৫ই অগাস্টের কিছুদিন পরেই তুহিন খান এবং আরো অনেক ইয়াং ইনটেলেকচুয়াল'রা পিআলো'তে লেখা ছাপাইছিলেন তাদের; মানে, এই কাজ তো করতেই পারেন উনারা, কিনতু আমি একটু অবাক-ই হইছিলাম, ওকে, এই হইতেছে তাইলে ঘটনা… 

পুরান ও বুড়া ইনটেলেকচুয়াল গং’য়ের (যেমন ধরেন, আনিসুজ্জামান, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরি, সুলতানা কামাল…) তেমন কোন ইনফ্লুয়েন্স আর নাই পিপলের উপর, উনাদের কথা ও চিন্তা ইরিলিভেন্টই না, এমনকি ফানিও টু সাম এক্সটেন্ড; যেই কারনে নতুন ব্লাড লাগবে এই এস্টাবলিশমেন্ট চালাইতে গেলে…

এমনিতে, অনেক মিড-এইজড ইনটেলেকচুয়াল'রা (যেমন ধরেন, শাহাদুজ্জামান, কল্লোল মোস্তফা…) উনাদের পকেটেই আছেন, যারা এই এস্টাবলিশমেন্টের লগে থাকাটারে এন্টি-পিপল এবং প্রো-ইনডিয়ান পজিশন নিয়া থাকা বইলা মনে করেন না, উনারা ‘সিসটেমের ভিতরে ঢুইকা সিসটেমরে চেইঞ্জ করার লোক’ না, বরং সিসটেমের বেনিফিটগুলা নিতে চান, এবং এইভাবে খালি নিজেদেরকে রেলিভেন্টই রাখেন না, সিসটেমটারে টিকায়া রাখতে হেল্প করেন

আমি বলতে চাইতেছি, বুড়া বুদ্দিজিবি'রা বাংলাদেশে প্রো-ইনডিয়ান মিডিয়া-আউটলেটগুলারে টিকায়া রাখেন নাই, টিকায়া রাখতেছে গ্রে-এরিয়ায় অপারেট করতে থাকা মিডল-এইজড ইনটেলেকচুয়ালরাই; কিনতু উনাদের চেহারাও বাইর হয়া যাইতেছে আসলে, এবং উনারা আমতা-আমতা করার ভিতর দিয়া নতুন কোন নেরেটিভ তৈরি করতে পারতেছেন না, যার ফলে বয়সে কচি, এমনকি একটু ‘ইসলামি-মাইন্ডেড’ লোকও দরকার উনাদের, যারা জাস্ট এন্টি-ইনডিয়ান জায়গাটা নিয়া ভোকাল হবেন না - এইটুক হইলেই হয়…

তো, আমি মনে করি, বাংলাদেশে যদি প্রো-ইনডিয়ান ফোর্সটারে ইন-ভ্যালিড করতে হয়, তাদের এস্টাবলিশমেন্টরে আইডেন্টিফাই করতে হয়,  একটিভিজমের জায়গা থিকা ইনটেলকচুয়াল ডিসট্যান্স ক্রিয়েট করতে রাজি না হইলে সেইটা করাটা মুশকিল হবে; এবং এইরকম সাইনগুলা এখনো খুব একটা ভিজিবলও না মনেহয়, এখনো

ইমরুল হাসান

22 Nov, 06:33


কয়দিন আগে কেউ একজনের শেয়ারে, এই জিনিসটা চোখে পড়ছিল; এইটা হইতেছে ইয়ার্কি প্যাটার্ন, এবং মোটেই ইনোসেন্ট কোন ঘটনা না!

যে, চুদাচুদি করাটাই হইতেছে লাইফ! আপনি আপনার প্রাইভেট লাইফ নিয়া খুশি থাকবেন, কিনতু পাবলিক ইস্যু নিয়া কথা কইতে পারবেন না!

এইটা নিয়া কথা কওয়ার এখতিয়ার হইতেছে বা**ল-মিডিয়ার আর প্রেস্ক্রাইভবড বুদ্ধিজিবিদের, আপনে 'সাধারন মানুশ' আপনি বউয়ের লগে খুনসুটি করবেন, হিউমার চুদাইবেন, পাবলিক ইস্যু নিয়া কনসার্ন কেন দেখাইবেন! :)

মানে, আগে ছিল কেউ যদি সো-কল্ড প্রগতিশিলতার ক্রিটিক করতো তারে সেকসুয়ালি ফ্রাস্ট্রেটেট বা যৌন-অবদমনের রোগি বানায়া দেয়া হইতো; এখন কেউ পাবলিক ইস্যু নিয়া ভোকাল হইলে তারে 'পারসোনাল লাইফে মনেহয় অসুখি' - এইরকম জায়গাতে পোর্টেট করার একটা ট্রাই করা হয়; তো, এই যে লিবারাল বদমাইশি - এইটা না-দেখতে রাজি হওয়া উচিত হবে না আমাদের...

পাবলিক ইস্যু নিয়া ভোকাল হইতে হইলে পিএইচডি ডিগ্রি থাকা নেসেসারি না আর কি! বরং এরা চায় পিপল ভয়েসটারে আটকায়া রাখতে।

ইমরুল হাসান

22 Nov, 03:54


আমার সেনেগাল
.

খেলা শুরুর দিকেই, রাস্তায়, ব্যর্থ-প্রেমিকের মতো এক লোক, তার পুরান-প্রেমিকার খবর নেয়ার মতো কইরা জিগাইতেছিল আরেকজনরে, ভাই, আমার সেনেগালের কি অবস্থা!

তার লাইগা আমার খারাপ-ই লাগতেছে এখন!

মানে, সে হয়তো সেনেগালের প্রেমিকও না অইরকম, কিন্তু তার হাহাকারটা জেনুইন ছিল। যে জানে যে, প্রেমিকা তারে কোনদিনই ভালোবাসবে না। সেনেগালও জিততে পারবে - এই আশা তার মনে নাই, কিন্তু একটা আশা নিয়া সে জিগাইতেছে। যে, কোন মিরাকল ঘটছে কিনা!

অথচ আজকে সেনেগাল জিতলে সেইটা মিরাকল হইতো না। বরং যেইখানে ড্র করতে পারতো সেইখানে দুই গোল খাওয়া তো মন-খারাপের ঘটনাই। মানে, যেই প্রেমিক জানে যে, সে কোনদিনও তার প্রেমিকার ভালোবাসা পাবে না, সেইটা সে যতোটা মাইনা নিতে পারে, কিন্তু যদি জানে যে, সে পাইতে পারতো, কিন্তু পায় নাই, সেইটা মাইনা নিতে পারাটা তো আরো বেশি কষ্টের ঘটনাই।

খেলা দেখার পরে, 'আমার সেনেগাল' বলা লোকটার হাহাকার হয়তো বাড়বে আরো, আর নিজের নিয়তির উপরেও তার বিশ্বাস আরো পোক্ত হয়া উঠতে থাকবে...

/২০২২

ইমরুল হাসান

21 Nov, 13:39


দুই-এক সপ্তাহ আগে একটা আলাপে বলতেছিলাম, পিআলো ডিস্টারের রাজনীতি'টা সবচে ভালো-ভাবে টের পাইবেন যে, উনারা ‘বাংলাদেশি’ বইলা কোন কিছুরে মাইনা নিতেই রাজি না!

বাংলা-সাহিত্য বলবেন সবসময়, কিনতু বাংলাদেশি-সাহিত্য বইলা কোনকিছুরে স্বীকারই করবেন না, যেন এইটা ১৯৭১ সালে আইসা শুরু হইছে! বা বাংলা-সিনেমা বলতে সতজিৎ, মৃনাল-টৃনাল বইলা মুখে ফেনা তুইলা ফেলবেন, কিনতু খান আতাউর রহমান, আমজাদ হোসেনের নামও নিবেন না! (খান আতা'র ‘আবার তোরা মানুষ হ’ এখনো ‘নিষিদ্ধ’; এই হইতেছে আমাদের বাকশালি-নেরেটিভ মোকাবেলার অবস্থা!)

আর যদি ‘বাংলাদেশি’ বইলা কোনকিছুরে রিকগনাইজ করেনও উনারা সেইটা হইতেছে কম-দামি, ইনফিরিয়র ও বাজে কোন জিনিস, যারে নিয়া হাসি-ঠাট্টা-টিটকারি না কইরা এনাফ ‘কালচারাল পজিশন’ আপনি এচিভ করতে পারবেন না! 

মানে, এইটা সব ক্ষেত্রে সত্যি না হইলেও বেশিরভাগ কেইসেই ট্রু, একটা ক্রুশিয়াল জায়গা একটা… যেইখানে, খেয়াল করতে দেখতে পাবেন, কালচারালি যারা ‘বাংলাদেশি’ বইলা কোনকিছুতে সাবস্ক্রাইব করেন তাদের পক্ষে পলিটিকালি বাকশালি হওয়াটা কঠিন, এবং ভাইস-ভার্সা, যারা ‘বাংলাদেশি’ বইলা কোন কিছুতে বিলিভ করেন না, তারা পলিটিকালি বাকশালি আইডিওলজিতে বিলং করেন, কম-বেশি… 

(আবারো বলি, এইটা একটা টেনডেন্সি, যেইটা বেশিরভাগ কেইসেই সত্যি, সব ক্ষেত্রে না হইলেও)

ইমরুল হাসান

21 Nov, 12:48


বাংলাদেশ কতোটা ডেমোক্রেটিক স্টেইট হয়া উঠতে পারবে সেইটা (অন্য অনেককিছুর বাইরেও) অনেকটা ডিপেন্ড করতেছে বাকশালি-মিডিয়ার মিথ্যা ও প্রভোকেশন কতোটা ঠেকাইতে পারবে, তার উপরেও...

মানে, এই মিডিয়া-আউটলেটগুলার নন-ডেমোক্রেটিক এবং এন্টি-পিপল পজিশনটা যে ডেমোক্রেসির জন্য একটা বড় সমস্যা - এইটা রিকগনাইজ করতে পারাটা জরুরি

এই বাল-মিডিয়া যদি আরেকটু আগে টের পাইতো তাইলে জুলাই-মুভমেন্টরেও "মব" বানায়া ফেলতো তাদের ফলস-কনশাসনেসের নেরেটিভটা দিয়া

তো, যারা বাকশালিদের, ফেসিস্টদের কোলাবরেটর ছিল, তাদেরকে সাথে নিয়া যে ডেমোক্রেসির দিকে যাইতে পারবো না আমরা - এই বুঝ'টা থাকা দরকারি; মানে, তাদেরকে বাতিল কইরা দেয়ারও কিছু নাই, তারা যে ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি না - এই চিন্তাটা এটলিস্ট দরকার, আমার কথা এইটা

ইমরুল হাসান

21 Nov, 11:13


জাতীয় নাগরিক কমিটি নিয়া 


১. নাগরিক নাম দিয়া হবে না, বড়জোর আরবান মিডল-ক্লাসের একটা অংশের সাপোর্ট পাওয়া যাবে (ইভেন, ভোটও পাইবেন না), পরে বদলানো কঠিন হবে, ফার্স্ট কনভেনশনেই নতুন নাম বানান - পলিটিকাল দলের

২. ইয়াংদের দিয়া যে দল বানাবেন - এইটা অবশ্যই ভালো, কিনতু পলিটিকাল দল হইতে হইলে একজন বা কয়েকজন ফিগার বা ইমেজ লাগবে; মুহাম্মদ ইউনুস রাজি হইলে ভালো, তা নাইলে কোন (মিডিয়া-হিরো বা সেলিব্রেটি না, বরং) একজন পাবলিক-ফিগার লাগবে, যার উপর কমন-পিপল ভরসা করতে পারবে (কনট্রোভার্সি তো কিছু থাকবেই…)

৩. একটা বা কয়েকটা কি (key) পজিশন লাগবে - যেইখানে বিএনপি'র চাইতে আলাদা কইরা আপনাদেরকে লোকেট করা যাবে সহজে; এখনো এইরকম কোন জায়গা ক্লিয়ার হয় নাই

৪. আওমি-লিগ যদি ফিরা আসে - তাইলে সবচে বেশি সাফারার হবেন আপনারা, এবং প্যারাডক্সিকাল জিনিস হইতেছে, যতক্ষন না আওমি-লিগ ফিরা আসতেছে ততক্ষন পর্যন্ত বামেরা আপনাদের ভিতর দিয়া অপারেট করবে, এইটা যদি মানুশ ফিল করে, তাইলে আপনাদের তেমন কোন চান্স থাকবে না আসলে

৫. সারা দেশে (এটলিস্ট জেলা-উপজেলা লেভেলে) মিছিল-মিটিং-সমাবেশ করার মতো একটা জায়গাতে না যাইতে পারলে পলিটিকস শুরু করা যাবে না আসলে

৬. বেটার, অন্য যত পলিটিকাল ইনিশিয়েটিভগুলা তৈরি হইতেছে পোস্ট-মুভমেন্ট সময়ে, তাদের সাথে একটা ইনিশিয়াল এলায়েন্স তৈরি করতে পারাটাও এফেক্টিভ হইতে পারে…

৭. আমি দেখি যে, বাংলাদেশে এখন একটা পলিটিকাল ভ্যাকুয়াম তৈরি হইছে, দেশের মানুশ-জন নতুন পলিটিকাল পার্টিরে একসেপ্ট করতে রাজি আছে… কিনতু মিডল-ক্লাসরেই ‘জনগন’ ভাইবা নিলে পলিটিকাল দল বানানোটা টাফ হবে আর কি - এইটাই বড় সমস্যা হিসাবে আমি দেখি

ইমরুল হাসান

20 Nov, 09:30


সাহিত্য ও রাজনীতি: বাকশালি-রাইটারদের ডিলেমা'টা নিয়া 


এইরকম একটা আলাপ আছে যে, একজন ভালো-রাইটারের জন্য পলিটিকাল পজিশন কোন ঘটনা না, যে কোন পলিটিকাল আইডিওলজিতে সাবস্ক্রাইব কইরাও তারা তাদের সাহিত্যিক কাজগুলা করতে পারেন, সাহিত্য ও রাজনীতি এতোটা রিলেটেট কোন জিনিস না!... 

তো, এইভাবে বাকশালি রিজিমরে সার্পোট করা বাংলাদেশের কবি-সাহিত্যিক’রা নিজেদেরকে বুঝ দেয়ার ট্রাই তো করতেই পারেন, কিনতু এইটা আসল কথা না; এইখানে বরং অন্য পারসপেক্টিভ বেশি রিলিভেন্ট… যে, ভুল বা প্রবলেমেটিক ধারনা দিয়াও আপনি ভালো-সাহিত্য তৈরি করতে পারবেন, কিনতু পলিটিকাল হিপোক্রেসি দিয়া এভারেজ-আর্টও ক্রিয়েট করতে পারবেন না আসলে

মির্জা গালিবের কথা ধরেন, উনি তো সম্রাটের দরবারের কবি ছিলেন, পরে ব্রিটিশদের কাছেও পেনশন পাওয়ার জন্য চিঠি লিখছেন ব্রিটিশদের প্রশংসা কইরা, কিনতু তখনো উনি সত্যি কথাই বলছেন, উনার শের-শায়েরি'র জায়গাতে কোন সমঝোতা করেন নাই

বা বোর্হেসের কথা ধরেন, উনি পলিটিকাল জায়গাগুলা নিয়া এতোটা এওয়ারও ছিলেন না, বলা হয় যে, আর্জেন্টিনার ডিক্টেটরের লগে ডিনার করার কারনে উনার নোবেল প্রাইজ ছুইটা গেছিল, উনারে অনেকে না করছিলেন যে, যাইয়েন না, বোর্হেস ভাবছেন, শত হোক, উনি তো প্রেসিডেন্ট, দাওয়াত দিছে যখন, যাইতে হবে না!... তো, এইগুলা উনার লেখাতে এফেক্ট ফেলে নাই, উনার লেখার রাজনীতি তো আছে, কিনতু সেইটা ডিক্টেটরশিপের জায়গাটারে হাইলাইট করে না

নেরুদা তো ইলেকশনই করছেন কমিউনিস্ট পার্টি থিকা, আরো অনেক চালাক এবং বোকা লোকেরাই আর্ট ও সাহিত্য করছেন, কিনতু এইসব আর্ট-কালচার কইরা সুবিধা নিতে চাওয়াটা আরেকটা ঘটনা, অইটা সাহিত্য ও রাজনীতির ক্রিটিকাল রিলেশনের বাইরেই পারসোনাল বাটপারির ঘটনা, মানে অতদূর পর্যন্ত যাওয়া-ই লাগে না! 

তারপরও যারা যাইতে চান, তাদেরকে বলতে পারি, সাহিত্য’র জন্য রাজনীতি যত না জরুরি, রাজনীতির জন্য সাহিত্য তার চাইতে বেশি জরুরি… সাহিত্য বা লিটারেচারের কোন রেফারেন্স ছাড়া কোন পলিটিকস দাঁড়াইতে পারে না, আমাদের যেই বাস্তবতা বা রিয়ালিটির পারসেপশন, তার পিছনে একটা ইমাজিনেশন লাগে, আর্ট-কালচার হইতেছে অই ইমাজিনেশনের জায়গাটারে প্রোভাইড করে, রাজনীতি'রে… অনেক জাইনা-বুইঝাই এই কাজটা করেন, অনেকের সাহিত্য-মেটেরিয়াল রাজনীতির এই কাজে লাগে; তো, আপনি স্বীকার করেন আর না করেন, একটা গিইভ এন্ড টেইক, একটা লেন-দেনের ঘটনা এইখানে ঘটে, ঘটতেছে

যার ফলে, উদাস হয়া থাকতে তো পারেনই একজন রাইটার, কিনতু বুইঝা এবং না-বুইঝা যারা রাজনীতি'রে সার্ভিসটা দেন, সেইটা বেশিরভাগ সময়ই ইনোসেন্ট ঘটনা না, এবং আর্টে ঘটনাগুলা কখনোই আন-পানিশড থাকে না; যেই কারনে অনেক ভালো-রাইটার ও খারাপ-রাইটার পাইবেন আপনি দুনিয়ায় যাদের সার্টেন (ভুল বা ঠিক) পলিটিকাল ঝোঁক আছে, কিনতু পলিটিকালি হিপোক্রেট রাইটার খু্ববেশি পাইবেন না, বা রেয়ার… 

যেই কারনে বাকশালি-রাইটার'রা (ভালো বা খারাপ), তাদের আইডিওলজিকাল পজিশন থিকা সরতে পারবেন না, যতভাবেই জাস্টিফাই করার ট্রাই-ই করেন না কেন

তো, আমার সাজেশন হইতেছে, পলিটিকাল সুবিধাবাদিতা একজন রাইটারের জন্য তেমন কিছু মিন করে না - এইরকম বুঝ নিজেদের ‘অবুঝ মন’রে দিয়েন না, বরং জায়গাটারে ডিল করার ট্রাই করেন অনেস্টলি, কেমনে শয়তানের ফান্দে আপনারা পা দিছিলেন… শয়তানরে গ্লোরিফাই কইরা বা শয়তান বইলা কিছু নাই - এইটা প্রমান কইরা আর্ট-কালচার আর করতে পারবেন না আসলে

ইমরুল হাসান

20 Nov, 05:23


পুলিশের টর্চারের হাত থিকা বাংলাদেশের মানুশরে বাঁচাইতে হইলে, আমি মনে করি এটলিস্ট ২টা কাজ করতে হবে -

১. সেনট্রাল-পুলিশ না রাইখা পুলিশরে লোকাল গবমেন্টের আন্ডারে রাখতে হবে - থানা-পুলিশ, জেলা-পুলিশ, সিটি-পুলিশ থাকবে, চেনা মানুশ-জন গুলি করতে, লাঠিয়াল হইতে হেসিটেট করবে এটলিস্ট, চাইলেও পারবে না লোকাল মনিটরিংয়ের কারনে… 

পুলিশের বেতনও লোকাল গবমেন্ট দিবে, থানার ওসি এমনকি সিলেকশনের বেসিসেও হইতে পারে, মানে, পুলিশ ফোর্সটা উইথ-ইন কমিউনিটির ঘটনা হইলে বেটার

এর বাইরে, ন্যাশনাল-পুলিশ ফোর্সটা থাকবে ইনভেসটগেশনের জন্য, খুব লিমিটেট স্কেলে, এমার্জেন্সিতে অপারেট করবে তারা

২. ৫৪ ধারা বাতিল করতে হবে! এইটা যতদিন আছে, কোন ফেরেশতারে পুলিশ হিসাবে নিয়োগ দিলেও টর্চার করা বন্ধ হবে না 

আর বাদবাকি নানান জিনিস তো আছেই… 

ইমরুল হাসান

20 Nov, 02:29


যেই ব্যক্তিদের বিচার হইতেছে, তাদের পিছনে ব্যাক-আপ হিসাবে যদি BAL না থাকতো, তারা কি নিজেদের ক্যাপাসিটিতে, তাদের পারসোনাল পজিশন ইউজ কইরা এই মেজর স্কেলে ক্রাইমগুলা করতে পারতো? পারতো না তো! একটা লোক যতই ক্রিমিনাল হোক, তার একটা সার্পোট-সিসটেম লাগে, বাল বাংলাদেশে এইরকম একটা সার্পোট সিসটেম তৈরি করছিল, যেইখানে খারাপ লোক আরো খারাপ হইতে পারতো, এবং ভালো-মানুশি করাটা ছিল একটা 'অপরাধ'; যে কিছু খারাপ-কাজ না করলে আপনি এই সমাজে, রাষ্ট্রে চলতেই পারবেন না! (এই মন-মানসিকতার ছাপ এখনো একটিভ আছে)

মানে, আমি বলতে চাইতেছি, বাম-বাকশালি লোকগুলা তো ক্রাইম করছে, কিনতু উইথ-আউট বাকশালি সিসটেম এই স্কেলে ক্রাইম করা পসিবল হইতো না; এই কারনে খালি ব্যক্তির বিচার হইলেই হবে না, যেই দলটা এই সিসটেমটারে এনেবল করছে, টিকায়া রাখছে এবং এখনো রি-এস্টাবলিশ করার ট্রাই করে যাইতেছে, সেই আওমি-লিগের পলিটিকাল দল হিসাবে বিচার হইতে হবে! এইটা ছাড়া শয়তানের এই চক্র থিকা আমরা মুক্ত হইতে, আজাদ হইতে, ফ্রি হইতে পারবো না! বাংলাদেশে মিনিমাম ডেমোক্রেসিও পসিবল হবে না।

ইমরুল হাসান

19 Nov, 17:25


১৯৭১’র পরে এই জিনিস হইছিল, সবাই ‘দেশাত্মবোধক’ নাটক-গান বানাইতেছিল, দেশের ইন্সটিটিউশনগুলা না তৈরি কইরা; তো ২০২৪-এও একই কাজ হইতেছে লোকজন সব সভা-সেমিনার কইরা থিসিস-প্রবন্ধ লেখতেছে, যেন অনেক কাজ হইতেছে! 

এরা চিন্তা-করা, কথা-বলা আর কাজ-করা - এই ৩টা যে আলাদা আলাদা কাজ, অই ডিফরেন্সগুলাই করতে রাজি না! 

ইমরুল হাসান

19 Nov, 15:22


রিকশায় অরধেক পথ পার হওয়ার পরে খেয়াল হইলো, আরে, ওয়ালেট তো ফেলে আসছি অফিসের ড্রয়ারে! তখন রিকশার ড্রাইভার'রে বললাম, ভাই বড়সড় একটা মিসটেক তো হইছে! মানিব্যাগ তো অফিসে ফালায়া আসছি, আপনার ভাড়া কেমনে দিব! বিকাশ আছে নাকি আপনার?

এতো বড় বিপদের কথা শুইনাও উনি রিকশা চালানো থামাইলেন না! মোটামুটি বিন্দাস, বললেন, বিকাশ নাই, নগদ আছে। তো, থামার আগে নগদ-নাম্বার নিয়া টাকা পাঠাইলাম, রিং বাজলো উনার মোবাইলে, চেক করলেন না আর। নামার পরে বললাম, চেক কইরা দেখেন, টাকা আসছে কিনা?

উনি হাইসা বললেন, চেক করা লাগবে না! আমি বললাম, নগদ নাম্বার না থাকলে তো বিপদই হইতো একটা; উনি বললেন, না, বিপদ আর কি, আল্লা একটা বেবস্থা করতোই...

তো, দেশের মানুশের সবর আছে, সবুর আছে

আমার মনে হইলো, ৬ মাস আগে হইলেও এই অবস্থা হইতো না মনেহয়; দেশ চালাইতো একদল বাটপার, আর এইটা মানুশের মনের মধ্যেও ঢুকে গেছিল, সবাই সবাইরে সন্দেহ করতো, রিকশা ড্রাইভারও মেবি ভাবতো যে, বাটপারি করতেছে মনেহয়; এখন এমন একজন লোক আছেন সরকারের মাথা হিসাবে যিনি ভালো-মানুশ, ভদ্র-মানুশ, ভালো কইরা কথা বলেন, এইটাও অনেক বড় একটা নিয়ামত, আমাদের জন্য

এখনো রাস্তায় জ্যাম, এখনো অনেক সমস্যা, এখনো অনেক ভোগান্তি, কিনতু আমরা মাইনা নিতেছি, মাইনা নিতেছি এই আশাতে যে, একদল চোর-বাটপার-ডাকাতদের হাতে এটলিস্ট নাই দেশটা, এইটুক শুকরিয়া তৈরি হইছে

আমরা, অচেনা মানুশ-জনেরা, নিজেদেরকে একটু একটু বিশ্বাস করা শুরু করতে পারতেছি আবার, নতুন কইরা...

ইমরুল হাসান

19 Nov, 14:05


কথা ঘুরাইলে তো হবে না! 'নিষিদ্ধ' করার কথা কেউ বলতেছে না, বিচার করার কথা বলতেছে! বিচার কেন হবে না, সংগঠনটার!

বেশিরভাগ কেইসেই দেখবেন, তর্কের প্রিমাইজটারে চেইঞ্জ কইরা দেয়া হয়, যাতে কইরা আলাপটারে ভুলভাবে প্রজেক্ট করা যায়!

যে, নিষিদ্ধ কইরা কিছু হয় নাকি, কোনকিছু নিষিদ্ধ করা যায় নাকি... এইসব বাল-ছাল কইতে থাকে, আরে, চুদির ভাই, নিষিদ্ধ করার কথা কে কইছে! যেই দলটা ৩টা নেশনাল ইলেকশন হইতে দেয় নাই, হাজার হাজার মানুশ খুন করছে, অইগুলা খালি কেউ ব্যক্তি বইলা করতে পারছে নাকি! যদি দল হিসাবে আওমি-লিগ ব্যাক-আপ না দিতো!

আর এই জন্য কোন বিচার হবে না! ভোট দিয়া বাতিল করা লাগবে! ইনসাফ তো ভোটের কোন জিনিস না!

ইমরুল হাসান

19 Nov, 05:53


বিএনপি'র যেই গ্রুপটা আওমি-লিগরে ফিরাইতে চাইতেছে, অই গ্রুপটাই তাদের কোলাবরেটর হিসাবে কাজ কইরা আসছে এতোদিন

মানে, এই গ্রুপটা সবসময়ই ছিল, যাদের কারনে বিএনপি কোন মুভমেন্টে সাকসেসফুল হইতে পারে নাই; কিনতু এখনো যদি অই গ্রুপটার কথা-ই শোনে, এবং এইটারে তাদের পলিটিকাল পজিশন কইরা তোলে, তারা আরো টেরিবলি সাফার করবে আসলে

স্টুডেন্টদের সাথে বিএনপি'র এই পজিশনে থাকাটা জরুরি যে, আগে পলিটিকাল দল হিসাবে আওমি-লিগের বিচার হইতে হবে, তারপরে তাদের পলিটিকাল এক্টিভিটি বিষয়ে ডিসিশান হবে...

খেয়াল কইরা দেখবেন, গতকালকেও আওমি-লিগের যাদেরকে গ্রেফতার করা হইছে, তারা মোটামুটি হাসি-খুশিই ছিল, কারন তারা জানেন যে, আর যা-ই হোক, তাদের কোন বিচার হবে না!

আর যদি আওমি-লিগের বিচার হয় তাইলে বিএনপি'র যেই গ্রুপটা আওমি-ঘরানার রাজনীতি করে, তাদেরকেও কোন একদিন বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াইতে হবে আসলে; কারন জুলুমের রাজনীতি তারাও টিকায়া রাখতে চান...

ইমরুল হাসান

12 Nov, 13:23


এখনো দেখবেন ট্রাই করা হইতেছে, যে কোন একটা ভ্যালিড সোশাল ইস্যুরে সেন্টার কইরা যেন জুলাই-মুভমেন্টরে রেপ্লিকেট করা যায়; কিনতু এইভাবে কিছু ঘটবে না বইলাই আমার মনেহয়

এই যে সোশাল ও কালচার ইস্যুগুলারে পলিটিকাল জায়গাটাতে নিয়া যাওয়া এই গেইমটা শুরু হইছিল শাহবাগের ভিতর দিয়া; এবং অসংখ্যবার এইটা নয়া বাকশালের সেইফ-গার্ড হিসাবে কাজ করছে, ইভেন জুলাই-মুভমেন্টেও অইটা ইনিশিয়ালি তা-ই ছিল ‘স্টুডেন্টদের একটা যৌক্তিক মুভমেন্ট’ :) 

একইভাবে ছরমিকদের, হিন্দুদের, পাহাড়িদের (নারী ও ইসলাম প্রজেক্ট মোটামুটি ফেইল মারছে এখন…) যৌক্তিক মুভমেন্টগুলারে তৈরি করা হইতেছে, যেইগুলা ইস্যু হিসাবে বা কনসার্ন হিসাবে ভ্যালিড, কিনতু ম্যাস-মুভমেন্টে কনভার্ট করা যাইতেছে না, এবং আমার কথা হইতেছে অইগুলা জরুরি ইকনোমিক, সোশাল ও কালচারাল ইস্যু হিসাবে থাইকা যাবে, কম-বেশি… 

এর যে কোন সলিউশন নাই - তা না, কিনতু এইগুলার লগে কারেন্ট পলিটিকাল রিজিমের তেমন কোন কানেকশন তো নাই! যে কোন নেরেটিভ-ই বানানো হোক, কনটেক্সটের লগে তো কানেক্ট করে না এইগুলা! পলিটিকাল গবমেন্ট চেইঞ্জ হইলেই এই ইস্যুগুলার সমাধান হবে না, বরং এই ইস্যুগুলারে উসিলা কইরা ইনটেরিম গবমেন্টরে বিপদে ফেলার ট্রাই করা হইতেছে কিনা - এই সন্দেহ যারা ইস্যুগুলাতে সিনসিয়ারলি এনগেইজড থাকেন, তাদের মনেও তৈরি হওয়ার কথা

যার ফলে জুলাই-মুভমেন্টরে কপি-পেস্ট করা যাবে না, আওমি-বাকশালিরা যতই ট্রাই করুক, তারা আরো ডি-মরালাইজডই হইতে থাকবে বইলা আমি মনে করি


২.
তবে এইখানে আরো ২টা ঘটনাও আছে বইলা আমি মনে করি - সোশিও-ইকনোমিকাল ও সাইকোলজিকাল 

বাংলাদেশে এক ধরনের ‘পলিটিকাল মার্সেনারি’ গ্রুপ আছেন, যারা ধরেন ‘৯০-এর দশকে ‘পাড়ার মাস্তান’ ‘হলের ক্যাডার’ ছিলেন, যাদেরকে মিক্লা'রা ‘টোকাই’ বলে এখন, তারা-ই এখন আওমি-লিগের ফোর্সটা, যাদেরকে টাকা-পয়সা ও অনলাইন মোটিভেশন দিয়া মবিলাইজ করার ট্রাই করে যাইতেছে বাকশালিরা, কিনতু অইটা কাজ করতেছে না

তো, এই ফোর্সটার একটা অংশ বিএনপি'র ভিতরে ধিরে ধিরে শেল্টার নিতেছে বইলা আমার ধারনা, কিনতু আরো কতগুলা অংশ মইরা গেলেও বিএনপি’তে যাবে না বা বিএনপিও নিতে পারবে না, আমি মনে করি, অই গ্রুপটারে সাকসেসফুললি নিউট্রালাইজ করতে পারাটা দরকার, তাইলে অই সেক্টর-ভিত্তিক মুভমেন্টগুলা পলিটিকাল থ্রেট হিসাবে আর এগজিস্ট করবে না এতোটা…

আর সাইকোলজিকালি, একটা এড্রিনালিন রাশ তো হইছে আমাদের, অই একসাইটেটমেন্ট’টা কিছুদিন পর পর চাগায়া উঠতে থাকার কথা, অইগুলা ফ্লো হওয়ার আউটলেটও ক্রিয়েট করতে পারতে হবে আসলে…

ইমরুল হাসান

12 Nov, 06:07


নয়া-বা**লের সবচে ফেভারিট ইস্যু ছিল হইতেছে - নারী ও ইসলাম :) এই দুইটার মধ্যে মারামারি লাগায়া আরামসে বইসা মুড়ি খাইতো, লুটপাট করতো...

তো, এই যে সমাজের বিরোধি-পক্ষের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করায়া দিতে চাওয়া, এইটা যতটা না রিকনসিলিয়েশনের জন্য বা বিরোধ কমায়া নিয়া আসার জন্য ঘটে, তার চাইতে এই কালচারাল-ইস্যুগুলারে পলিটিকাল কালার দেয়ার জন্যই বেশি ঘটে; যেইটা বা**ল নেরেটিভের একটা সিগনেচার আইটেম

আর এই মহিলার কথা-বার্তা যতটা না লজিকাল তার চাইতে অনেক বেশি উস্কানিমূলক (উগ্র-সেকুলার হিসাবে উনি আরো ফেইম ডিজার্ভ করেন মেবি), আই গেইস উনি এবং খা.ম. সর্বোচ্চ ট্রাই করবেন কোন 'ইসলাম-বিরোধি' এবং 'নারী-বিদ্বেষি' কনটেন্ট জেনারেট করার

যেই কারনে এই ধরনের পোগরাম'রে 'আজকে একটা ফাডাফাডি হইবো' 😎 বইলা একসাইটিং জিনিসের চাইতে বা**লের বয়ানগুলারে ফিরায়া নিয়া আসার চেষ্টা হিসাবেই দেখতে পারাটা বেটার...

এমনিতে খা.ম.'র একটিভিটি তো বাল-বয়ানের ভিতরেই ঘুরা-ফিরা করে সবসময়, যার ফলে উনার কনটেন্টগুলারে কখনোই খেয়াল করান তাগিদ ফিল করি নাই আমি; আমি বলবো, উনার 'একসাইটিং' হওয়ার চেষ্টাগুলাতে শামিল না হইতে পারাটা পলিটিকালি ওয়াইজ ঘটনা হবে, সবার জন্যই

ইমরুল হাসান

10 Nov, 15:01


৫ই অগাস্টের আগে কবি-সাহিত্যিকদের একটা লিস্ট নাকি করা হইছিল (আমার ধারনা, ভালো-বাকশালিরা নিজেরাই অই লিস্ট কইরা বাজারে ছাইড়া দিছিল); তো, দুই-একজন খুব অবাক হয়া বলতেছিলেন, অইখানে আপনার নাম নাই! মানে, কয়েকজন মানুশ তো সারপ্রাইজড হইছিলেন… 

আমি খুব একটা সারপ্রাইজড হই নাই, মানে, খারাপ-বাকশালিরা তো আমাদেরকে চিনে না, তাদের চিনার দরকারও নাই, কারন অরা যেই গ্রাউন্ডে অপারেট করে, সেইখানে থিকা আমাদেরকে তারা খুব একটা এফেক্টিভ বা দরকারি লোক বইলা ভাবে না, ভাবার তেমন কোন কারনও নাই; কিনতু ভালো-বাকশালিদের অনেকেই আমাদেরকে চিনে, আমাদের নাম মুখে না নিলেও… 

তো, একজন ইনটেলেকচুয়াল ফ্রেন্ডরে বলতেছিলাম, দেখেন, এখনকার সময়ে ক্ষমতার (ফরহাদ মজহার বা মাহবুব মোর্শেদরা…) কাছাকাছি যারা আছেন, তারা আপনারে যে চিনে এবং ‘অপছন্দ’ করে, এইটা আপনার জন্য কম-রিস্কের ঘটনা না আর কি… খারাপ-বাকশালিদের জন্য আপনি এতোটা বিপদের না হইলেও ভালো-বাকশালিরা দুশমন হিসাবে আপনারে লোকেট না করতে পারার কথা না আর কি…

ইমরুল হাসান

09 Nov, 08:55


https://bacbichar.net/2024/11/art.8115.bb/

ইমরুল হাসান

08 Nov, 04:33


আর্ট-কালচারে 'বাংলাদেশি' বইলা যে একটা কেটাগরি আছে, অই জায়গাগুলারে লোকেট করতে পারতে হবে আমাদেরকে... ৩০টা বাংলাদেশি সিনেমার নাম দিতেছি, কয়টা দেখছেন এর মধ্যে? :) বলেন!

...

গত শুক্রবারেই একজনরে বলতেছিলাম বাংলাদেশি আর্ট-ফিল্মের একটা ঘটনা হইতেছে "বড় ভালো লোক ছিল" সিনেমাটা, নায়ক ছিলেন রাজ্জাক, নায়িকা অঞ্জু ঘোষ... কিনতু উনারা নাম-ই শুনেন নাই সিনেমাটার; তো, এইটা উনাদের দোষ না, সিনেমার কেটাগরি'তে 'বাংলাদেশি সিনেমা' বইলা আলাদা কিছু পাইবেনই না, সবসময় হইতেছে সতজিৎ-মত্তজিত মিলায়া 'বাংলা সিনেমা'!

এখন, আম্রিকান লিটারেচার আর ব্রিটিশ-সাহিত্য ২টাই ইংলিশে লেখা হইলেও একই জিনিস তো না!

তো, বাংলা ও বাংলাদেশি'র জায়গাটাও যে একইরকমের ঘটনা - এইটা মানতে পারলে ভালো...

...

জাগো হুয়া সাভেরা - আকতার জং কারদার (১৯৫৮)
কখনো আসেনি - জহির রায়হান (১৯৬১)
রূপবান - সালাহউদ্দিন (১৯৬৫)
নবাব সিরাজদ্দৌলা - খান আতাউর রহমান (১৯৬৭)
আনোয়ারা - জহির রায়হান (১৯৬৭)
জীবন থেকে নেয়া - জহির রায়হান (১৯৭০)

অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী - সুভাষ দত্ত (১৯৭২)
আবার তোরা মানুষ হ - খান আতাউর রহমান (১৯৭৩)
তিতাস একটি নদীর নাম - ঋতিক ঘটক (১৯৭৩)
সুজন সখী - খান আতাউর রহমান (১৯৭৫)

নয়ন মনি - আমজাদ হোসেন (১৯৭৬)
সীমানা পেরিয়ে - আলমগীর কবির (১৯৭৭)
গোলাপী এখন ট্রেনে - আমজাদ হোসেন (১৯৭৮)
অশিক্ষিত - আজিজুর রহমান (১৯৭৮)
সূর্য দীঘল বাড়ি - মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী (১৯৭৯)
সুন্দরী - আমজাদ হোসেন (১৯৭৯)
এমিলের গোয়েন্দ বাহিনী - বাদল রহমান (১৯৮০)
ডানপিটে ছেলে - খান আতাউর রহমান (১৯৮০)
ঘুড্ডি - সালাউদ্দিন জাকি (১৯৮০)
ছুটির ঘন্টা - আজিজুর রহমান (১৯৮১)
বড় ভালো লোক ছিল - মহিউদ্দিন (১৯৮২)

বেদের মেয়ে জোসনা - তোজাম্মেল হক বকুল (১৯৮৯)
মরণের পরে - আজহারুল ইসলাম খান (১৯৯০)
দাঙ্গা - কাজী হায়াৎ (১৯৯২)

মুক্তির গান (ডকুমেন্টারি) - তারেক মাসুদ, ক্যাথরিন মাসুদ (১৯৯৫)
মাটির ময়না - তারেক মাসুদ (২০০২)
ব্যাচেলার - মোস্তফা সরয়ার ফারুকী (২০০৪)
মনপুরা - গিয়াসউদ্দিন সেলিম (২০০৯)
ডুবসাঁতার - নুরুল আলম আতিক (২০১০)
শুনতে কি পাও! (ডকুমেন্টারি) - কামার আহমেদ সাইমন (২০১৪)

ইমরুল হাসান

07 Nov, 12:27


অশ্বত্থনামা হত, ইজি গজ

মহাভারতের এই কাহিনিটা অনেকেরই জানা থাকার কথা যে, মিছা-কথা বলার লাইগা পান্ডবরা সেই লোকটারে বাছাই করে হইতেছে যিনি সবসময় সত্যি কথা বলেন, সেই যুথিষ্ঠির’রে, কারন তার কথা সবাই বিশ্বাস করবে, অন্য কেউ কইলে সেইটা এতোটা বিশ্বাস করার মতো ঘটনা হবে না

তো, যুথিষ্ঠির করলেন কি? একটা চালাকি করলেন, ১টা কথারে আগে ২টা কথা বানাইলেন এবং ক্রুশিয়াল কথাটা জোরে কইলেন যাতে সবাই শোনে (অশ্বত্থনাম মারা গেছে), আর সত্যি-কথাটা এমনভাবে কইলেন যেন কেউ না শোনে (এই নামের হাতিটা); এইভাবে উনি নিজের কাছে সৎ ও সত্যবাদি থাকলেন, কিনতু অন্যদেরকে ধোঁকা দিলেন…

তো, এই কাহিনিটা আমার কাছে খুবই ইন্টারেস্টিং লাগে - ট্রুথ এবং ট্রুথ-টেলিং এক্ট - এই জায়গা থিকা; যেইটা সত্যি-কথা সেইটা সবসময় সত্যবাদি বা সত্য-কথা বলার জায়গাটা থিকা আলাদা! ভালো-বাকশালি এবং পি.আলো গং হইতেছে ‘সত্যবাদি যুথিষ্ঠির’ হইতে চায় বা আমরা তো সত্যি-কথাটাই বলতেছি - এই দাবিটাই করতে চায়, অথচ এরা যা করে, সেইটা হইতেছে সুযোগ-মতো মিছা-কথা বলা - “অশ্বত্থনামা হত, ইতি গজ”

ইমরুল হাসান

07 Nov, 05:05


বাংলাদেশের পলিটিকসে ৭ই নভেম্বরের সিগনিফিকেন্স

একটা লেখা তো একবার লেখলেই শেষ হয়া যায় না, বরং সময়ের সাথে অনেক কিছু অ্যাড, এডিট ও ডিলিট করার দরকার পড়ে, তো ৭ই নভেম্বর নিয়া গত বছরের লেখাটাতে আরো ৩টা জিনিস অ্যাড করতে চাই আমি - 

১. মিলিটারি-হেইট্রেট ও বাংলাদেশের বাম-রাজনীতি: মিলিটারি'রে ভালোবাসার কিছু নাই, বাংলাদেশে কিছু ম্যাসোকিস্ট লোকজন যেমন বাসেন, যে মিলিটারি আসলে সবকিছু ঠিক হয়া যাবে! কিনতু এর বিপরিতে, ভালো-রকমের একটা মিলিটারি-হেইট্রেট চালু আছে বাংলাদেশের পলিটিকসে, ইসপেশালি বাম-রাজনীতির জায়গা থিকা, যাদের অনেকেই আবার ‘সশস্ত্র-বিপ্লব’ করতে চান! মানে, উনাদের অনেকেই মনে মনে মিলিটেন্ট, এমনকি মিলিটারি'র ‘বন্ধুত্ব'-ও চান, কিনতু মিলিটারি'রে ঘৃনা করেন… মেবি এইটার একটা ট্রিগার পয়েন্ট হইতেছে ৭ই নভেম্বর

জাসদ তো বিপ্লব কইরাই ফেলছিল, যদি জিয়াউর রহমান পল্টি না মারতেন! মানে, বাকশাল হটায়া আরেকটা একনায়কতন্ত্র যে প্রতিষ্ঠা করা হইলো না - এইটা নিয়া মোটামুটি সব বামপন্থীদের (ভাসানি মেবি একমাত্র একসপেশন) মনেই খেদ, গোস্বা বা বলা ভালো হেইট্রেট আছে জিয়াউর রহমানের উপর… 

বাংলাদেশে ‘বিপ্লবি’ হইবেন, আর বিএনপি বা জিয়াউর রহমানরে ঘৃনা করবেন না - এইটা মোটামুটি ইম্পসিবল ঘটনাই; যেই কারনে, বাংলাদেশে ডেমোক্রেসির দিকে তাকাইতে গেলেও জিয়াউর রহমানরে একজন আইকন হিসাবে পাইবেন; এবং আন-ফরচুনেটলি বাংলাদেশে বিপ্লব ও গনতন্ত্র দুইটা আলাদা আলাদা ঘটনাই আমাদের চিন্তাতে, এখনো

মানে, আমি বলতে চাইতেছি বাংলাদেশে বাম-রাজনীতি’তে যে মিলিটারি-ঘৃনা সেইখানে ৭ই নভেম্বরের একটা ক্রুশিয়াল রোল আছে 


২. বাংলাদেশের মিলিটারি শাসন: তো, এইটা খালি ৭ই নভেম্বরের ঘটনাই না আর কি, পরবর্তিতে এরশাদের শাসন এবং তার আগে পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খানের শাসন ও ইয়াহিয়া খানের মিলিটারি ম্যাসাকারের মেমোরিও একটা ঘটনা; বাংলাদেশে একটা বড় সময় আমরা মিলিটারি শাসনের মধ্যে ছিলাম, কিনতু এইটারে খুব লিনিয়ার ওয়ে'তে রিড করলে ভুলই হবে আসলে; ৩টা সময় নিয়াই ব্রিফলি বলি - 

ক. আইয়ুব খান আসছিলেন সিভিল-ডেমোক্রেটিক ফেইলওরের কারনে, জিন্নাহ মারা যাওয়ার পরে পাকিস্তান ছিল একটা এলিট-বুরোক্রেটিক কেওস… যেই কারনে আইয়ুব খান এলিট-বুরোক্রেসির কান্ধে ভর দিয়া অনেকদিন টিইকা থাকতে পারছিলেন

খ. ইয়াহিয়া খান ছিলেন একটা ডিজাস্টার, আইয়ুব খান মিলিটারি হিসাবে যেইরকম এলিট-বুরোক্রেসিরে ইউজ করছেন, ইয়াহিয়া খান বরং মিলিটারি হিসাবে পশ্চিম পাকিস্তানি এলিট-বুরোক্রেসি দিয়া ইউজড হইতে রাজি হইছেন; বাদবাকি জিনিস তো আছেই…

গ. এরশাদের ঘটনা সিগনিফিকেন্টলি আলাদা, এরশাদ হইতেছেন ফার্স্ট মিলিটারি ডিক্টেটর implented by ইনডিয়া; (খালেদা মোশাররফ তা ছিলেন না বইলাই আমি মনে করি) এবং এরশাদের ভিতর দিয়া বাংলাদেশে সাকসেসফুল ইনডিয়ান ইনভেশনের শুরু… এর দীর্ঘমেয়াদি এফেক্ট এখনো বাংলাদেশের স্টেইট ও সিভিল-সোসাইটিতে ব্যাপক… 

মানে, বলতে চাইতেছি, সব পলিটিকাল দল - বিএনপি আওমি-লিগ যেমন একই ঘটনা না, সব মিলিটারি শাসনের বেপারগুলাও একইরকমের না; ডিফরেন্সগুলা করতে রাজি হইতে পারলে ভালো


৩. জিয়াউর রহমান: তো, এইখানে জিয়াউর রহমান কেন এবং কিভাবে আলাদা? এই নিয়া তো বই-ই লেখা দরকার, উনারে হিরো বা ভিলেন বানানোর বাইরে… ৭ই নভেম্বরের পরে উনি এমন একটা কি-রোলে চলে আসছিলেন, যেইখানে একজন ব্যক্তির ডিসিশানে অনেক কিছু ডিপেন্ড করতো, এবং পলিটিকালি উনি ‘বিপ্লবি’ না হয়া ‘ডেমোক্রেটিক’ হওয়ার ডিসিশান নিছিলেন - যেইটা ক্রুশিয়াল এবং মোস্ট সিগনিফিকেন্ট একটা ঘটনা, বাংলাদেশের পলিটিকসে

আর এই জায়গাটারে আমরা যত ক্লিয়ারলি লোকেট করতে পারবো, তত বেটার…

ইমরুল হাসান

06 Nov, 02:57


ভালো-বাকশালিদের ভূত কান্ধে নিয়া এই ইনটেরিম গবমেন্টের বেশিদূর পর্যন্ত যাইতে পারাটা তো কঠিনই হবে...

মানে, খুব বেশি দূর পর্যন্ত তো মেবি যাইতেও চান না উনারা, যে কোন মূল্যে বিএনপি'রে ঠেকাইতে চান না, বরং পিপল পার্টিসিপেশনের জায়গাগুলারে এখনো আটকায়া রাখতে চান - এর বাইরে আর কোন পলিটিকাল উদ্দেশ্য এখনো ক্লিয়ার না

আওমি-বাকশালি রিজিম যেই সিলেকশনের বেসিসে গবমেন্ট চালাইতো, ইনটেরিম গবমেন্টও অই সিলেকশন-সিসটেমই চালু রাখছে সব জায়গায়; অই সিলেকশনে খারাপ-বাকশালিদের জায়গায় কিছু ভালো-বাকশালি লোকজন পাইতেছি আমরা, কিনতু সিসটেমের তেমন কোন চেইঞ্জ নাই, এখন চেইঞ্জ তো হুট কইরা হবে না কিনতু কাজকাম করার পদ্ধতিগুলা যদি চেইঞ্জ না হয় তাইলে তো ওরিড হওয়ার জায়গা থাকে আসলে...

ইমরুল হাসান

05 Nov, 15:02


ইকনোমি'র অবস্থা যে খারাপ এবং ২-৩ বছরের আগে যে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা কম - এইটারে পলিটিকাল ইস্যু দিয়া চাপা না দিয়া একটা রোড-ম্যাপ দেয়াটা বরং জরুরি, রিফর্মের...

আমরা যেই ইকনোমিক ভালনারাবিলিটি সামনে পড়ছি, সেইটা পলিটিকাল কারনেই তৈরি হইছে, কিনতু পলিটিকাল রিফর্ম করলেই এই ডিজাস্টার থিকা বাইর হয়া আসতে পারবো না আমরা, হয়তো ফিউচারে পলিটিকসের কারনে এইরকম ইকনোমিক ডিজাস্টার তৈরি হবে না - বড়জোর এইটুক করা যাবে; কিনতু ইকনোমিক ডিজাস্টার'টারে মোকাবেলা করার জন্য তো কিছু করা লাগবে... মেবি করতেছেনও ইনটেরিম গবমেন্টের লোকজন, কিনতু এর কোন ভিজিবিলিটি নাই; মানে, একটা মিনিমাম এফেক্ট পাইতে কতদিন লাগতে পারে? কিভাবে সেইটা হবে? এই জিনিসগুলা তো পিপলরে জানানো উচিত...

ইনটেরিম গবমেন্টের ৩ মাস পার হওয়ার পরেও কোন পলিটিকাল রোড-ম্যাপ যেমন আমরা পাই নাই, ইকনোমিক রোড-ম্যাপও ক্লিয়ার না... তো, দেরি না হইলেও, টাইম তো হইছে আসলে এইগুলা ক্লিয়ার কইরা বলার

ইমরুল হাসান

04 Nov, 12:59


হিজবুল্লাহ আর হামাস

একজনের ফার্ম ভিজিট করতে গেছি; একটা বিলাই তারে দেইখা কাছে ছুইটা আসলো৷, উনিও বিলাইটারে আদর কইরা ডাকতে লাগলেন, হিজবুল্লাহ আয়, আয়, সারাদিন খাস নাই কিছু! বিলাইয়ের হিজবুল্লাহ নাম রাখা তো কিছুটা আন-ইউজুয়ালই, উনি অনেকটা কৈফিয়ত দেয়ার সুরেই বললেন, খামারে অনেক ইন্দুর ছিল, ছোট ছোট ইন্দুর না, বড় বেজির মতন, তখন একজন বুদ্ধি দিল বিলাই নিয়া আসেন, তখন বাড়ি থিকা দুইটা বিলাইরে নিয়া আসলাম খামারে, সারাদিন ঘুইরা ঘুইরা ইন্দুর মারে অরা, নিজেদের পেট ভরে, আমারও শান্তি; একটু পরেই আরেকটা বিলাই আসলো, অইটারেও ডাকলেন উনি, হামাস, আয়! কিনতু হামাসের ভাব একটু বেশি, একটু সিরিয়াস…

তো, বিলাইদের নাম উনি কেন হামাস আর হিজবুল্লাহ রাখলেন, সেইটা আর বললেন না, আমিও জিগাই নাই, কারন এইটা কম-বেশি তো মনেহয় বুঝি-ই আমরা

এমন একটা দুনিয়ার ভিতর আছি আমরা যেইখানে হামাস ও হিজবুল্লাহ গর্তের ভিতর লুকায়া বাঁইচা থাকতে পারতেছে না; তো, সেইখানে এমন দুইটা বিলাইও থাকতেছে দুনিয়ায়, যারা গর্তের ভিতরে লুকায়া থাকা ই্ন্দুরগুলারে মারতেছে, যাদের নাম হামাস ও হিজবুল্লাহ; দুনিয়া এইরকমেরই একটা ইন্দুর বিলাই খেলা! 

যিনি এই খামারের মালিক, হামাস ও হিজবুল্লাহরে ডাকার সময় তার চেহারার দুখী দুখী ভাবটা অবশ্য লুকাইতে পারতেছিলেন না, যে, আহা, আমার হামাস আর হিজবুল্লাহ! 

ইমরুল হাসান

03 Nov, 10:21


মুক্তিযুদ্ধের পরেই এক ধরনের ইতিহাস লেখার তোড়জোর শুরু হইছিল, অইগুলাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইনডিয়ান নেরেটিভের শুরুয়াত...

এখনো খেয়াল করলে দেখবেন জুলাই গণ-অভূত্থানের ইতিহাস লেখার কিছু প্রজেক্ট চালু হইছে

এই জায়গায় সবচে বেশি আগায়া আছে পুরান আওমি-বাকশালি আউটলেটগুলা; যারা ডরের ভিতর আছে তাদের অতীত নিয়া, তারা তাড়াতাড়ি ভোল-পাল্টায়া অতি-বিপ্লবি হইতে চাইতেছে, এইটা তাদের জন্য জরুরি, গন-অভ্যুত্থানের একটা ইতিহাস লেখা যেইখানে তাদের নিজেদের একটা জায়গাও আবিষ্কার কইরা ফেলতে পারবে তারা, যে কিভাবে মুক ও বধির থাকাটাও জরুরি একটা ঘটনা :) তা নাইলে এই হাউকাউগুলা এখন কে করতো! - এইরকম একটা ঘটনা...

সেকেন্ড হইতেছে, শিবির ও ইসলামপন্থীদের যে কনট্রিবিউশন আছে - এইটা উনারা কিছুটা দ্বিধা নিয়া হইলেও বলতে চাইতেছেন, কিনতু খুব ভালো আর্টিকুলেট করতে পারতেছেন বইলা মনেহয় আমার কাছে; হিস্ট্রি একটা ফরম্যাটেরই ঘটনা অনেকটা, যেইটাতে উনারা নিজেদেরকে ফিট-ইন করতে ইসট্রাগলই করতেছেন কিছুটা...

এর বাইরে, অনেকে পারসোনালি ও গ্রুপ কইরাও কিছু কাজ করতে চাইতেছেন, যার কিছু জিনিস মাঝে-মধ্যে দেখি, কিনতু আমার ধারনা উনাদের জোশ আগামি ২-৩ মাসের মধ্যেই কইমা আসতে শুরু করবে

আমি বলতে চাইতেছি, মুক্তিযুদ্ধের যেইরকম একটা ইনডিয়ান নেরেটিভ পাইতে শুরু করছিলাম আমরা, এখনো কম-বেশি অইরকম একটা বায়াসড নেরেটিভ তৈরি করার ঘটনাগুলাই ঘটতেছে, যেইগুলা সত্যি বা মিথ্যার চাইতে একটা নেরেটিভরে প্রতিষ্ঠা করার দিকেই ঝুঁইকা থাকার কথা...

তো, এই ব্যাখা-বিশ্লেষনগুলা কোন হিস্ট্রিকাল কারনেও লেখা হইতেছে না আসলে, এদের বেশিরভাগের উদ্দেশ্য হইতেছে সার্টেন পলিটিকাল পারপাস সার্ভ করা... এইটা মানতে রাজি হইলে, গন-অভ্যুত্থানের মেটেরিয়ালগুলারে বেটার রিড করতে পারবো আর কি আমরা

ইমরুল হাসান

03 Nov, 04:29


পি.আলো কেন খারাপ?

পত্রিকা পড়া (বা এখন তো আসলে দেখাই) একটা জেনারেশনের অভ্যাসেরই ঘটনা, যেইটা ১৯৯০'র পরে যাদের জন্ম তারা এইটা থিকা বাইর হইতে পারছেন বইলা আমি মনে করি; কিনতু পি.আলো জাস্ট একটা পত্রিকা বা নিউজ-আউটলেট না, একটা কালচারাল এস্টাবলিশমেন্ট হিসাবে নিজেদের হাজির করতে পারছে; তো, এই ভুলটা অনেকে করেন বইলা আমি মনে করি, যে, উনারা অবশ্যই একটা নিউজপেপার ও নিউজ-আউটলেট, কিনতু একই সাথে একটা কালচারাল এস্টাবলিশমেন্ট, যেইটার বাংলাদেশে তেমন কোন 'বিকল্প' নাই...

আওমি-বাকশালি এস্টাবলিশমেন্টে তাদের যেইরকম স্টেইক বা ভাগ ছিল, এখনকার ইন্টেরিম গবমেন্টে সেইটা আরো বেশি আছে; কিনতু কোনকিছু পাওয়ারফুল বইলাই তো সেইটা বাজে না আসলে... বাংলাদেশে পি.আলো'র 'সমালোচনাকারী' অনেক আছেন, কিনতু একইসাথে তাদের নেক-নজর চান না বা তাদের কোরামে শামিল হইতে চান না - এইরকম ডেফিনেটিভ পজিশন নিয়া আছেন সেইরকম 'লেখক-বুদ্ধিজিবি' হাতে গোনা কয়েকজনের বেশি থাকার কথা না...

মানে, বেপারটা এইরকম না যে, তাদের অনেক ফ্যান-ফলোয়ার আছে, সেইটা তো আছেই, তার চাইতে বেশি আছে কালচারাল ইন্ড্রাষ্ট্রির 'একক আধিপত্য', যেইটারে এড়ায়া গিয়া কোন কালচারাল পজিশন কেউ এচিভ করতে পারবেন - এইটা টাফ...

এই অবস্থাটা অনেকে দাবি করতে পারেন যে, পিপল-এনগেইজমেন্টের ভিতর দিয়া উনারা এচিভ করছেন; কিনতু আমি মনে করি, ইনিশিয়ালি পিপল-এনগেইজমেন্টের একটা জায়গা থাকলেও পরে এবং এখন পাওয়ারের এজেন্সিগুলার লগে এক ধরনের সমঝোতা ও কানেকশনের ভিতর দিয়াই উনারা অপারেট করেন; পিপল এনগেইজমেন্ট একটা ক্লাস-অরিয়েন্টশনের জায়গাতে গিয়াই এন্ড-আপ করছে

যেই কারনে পি.আলো'র ফ্যান-ফলোয়ার-সার্পোটার এবং সমালোচনাকারী'রা মোটামুটি দুইটা আলাদা কালচারাল ক্লাস ও আইডিওলজিতে বিলং করেন...

তো, এইটা হইতেছে ব্যাকগ্রাউন্ডের কথা -

১. পি.আলো একটা কালচারাল এস্টাবলিশমেন্ট
২. বাংলাদেশে আপনি 'কালচারাল লোক' হইতে চাইলে এই এস্টাবলিশমেন্টের কোন 'বিকল্প নাই'
৩. পিপল-এনগেইজমেন্ট না, বরং পাওয়ার-এজেন্সিগুলার লগে স্ট্রং কানেকশন হইতেছে তাদের স্ট্রেংথের জায়গা

২.
তো, পি.আলো'র কালচারাল এস্টাবলিশমেন্ট'টা কেন খারাপ? এরা 'ইন্ডিয়ার দালাল' 'ইসলাম-ফোবিক' এবং 'বাকশালি-রিজিমের সার্পোটার' - মোটাদাগে এইরকমের কিছু 'অভিযোগ' তাদের বিরুদ্ধে আছে, যেইগুলা খুব অরগানাইজডভাবে আর্টিকুলেট করা না হইলেও কম-বেশি তো ট্রু...

এখন এইগুলা হইতেছে তাদের আইডিওলজিকাল পজিশন - যেইটারে আপনি অপছন্দ করতে পারেন, তাদেরকে এই পজিশনগুলা থিকা সরাইতে তর্ক করতে পারেন, কিনতু নৈতিক জায়গা থিকা না, বরং তাদের কাজকামগুলা পলিটিকালি কেন খারাপ - সেইটা বলতে পারাটা আসলে বেটার

তো, এই জায়গাটাতে ৩টা জায়গা আমি হাইলাইট কইরা রাখতে চাই -

১, পি.আলো'র এসথেটিকাল পজিশনগুলা প্রবলেমেটিক; উনারা যেই 'বাংলা সংস্কৃতি'রে আপহোল্ড করেন সেইখানে 'বাংলাদেশ' কোন সেন্টার-পয়েন্ট না, যেইটা আসলে উনাদেরকে 'ইনডিয়ার দালাল' বানায়া রাখে, বাই ডিফল্ট; এবং মুশকিল হইতেছে বাংলাদেশের কবি-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজিবিদেরও এই এসথেটিকাল পজিশনটাতে তেমন কোন ভিজিবল কনশাসনেস নাই, যার ফলে 'ঐক্য'টা অনেক বেশি সম্ভব হয়

২. আমি মনে করি, এই এসথেটিকাল জায়গাগুলাই একটা পলিটিকাল পজিশন হিসাবে এমার্জ করে; যেইখানে একটা ইসলামের এগেনেস্টে আপনারে 'বিজ্ঞানমনস্ক' ও 'সেকুলার' কইরা তোলে না, বরং পিপল-কনসেন্টের বিপরিতে একটা 'এলিট' পজিশনরে মাস্ট কইরা তোলে... তো, এইটা যে কোন নন-ডেমোক্রেটিক জায়গারে সাবস্ক্রাইব করার একটা ভ্যালিডিটি তৈরি করতে থাকে, যেইটা বাজে-ঘটনা

৩. লাস্ট বাট নট দা লিস্ট, পি.আলো'র কালচারাল মনোপলি এইরকম একটা পোলারাইজেশন তৈরি করে যেন এর বাইরে আর কোন কালচারাল পজিশনই নাই বাংলাদেশে! এইটা যতটা না যুক্তি-তর্ক দিয়া তৈরি হওয়ার ঘটনা তার চাইতে অনেক বেশি কালচারাল পাওয়ারের মনোপলি'রই ঘটনা, যার ফলে বাংলাদেশের আর্ট-কালচারের জায়গাগুলা অনেক বেশি barren বা বন্ধ্যা হয়া উঠছে দিনে দিনে; যে কোন কালচারই পিপল-কানেকশনের বাইরে গিয়া তৈরি হইতে পারে না, কিনতু বাংলাদেশে যেইসব জিনিসগুলারে কালচার হিসাবে তৈরি করা হইতেছে সেইগুলা মোস্টলি এন্টি-পিপল একটা জায়গা থিকা, যেইটার মেইন স্পন্সর পি.আলো মিডিয়া...

তো, এইটা যে উনারা একলা তৈরি করছেন - তা না, পি.আলো কিছু মানুশ-জন এবং প্রতিষ্ঠানেরই একটা এলায়েন্স, এবং বাংলাদেশের পাওয়ার-স্ট্রাকচারের একটা এলিমেন্ট, যেইটাতে অনেকেই সাব-স্ক্রাইব করেন, আর এতে কইরা পাওয়ারের কাছাকাছি থাকাটা সহজ হয়, নানান-ভাবেই

মানে, কালচারাল পাওয়ারের জায়গাটারে রিকগনাইজ করতে রাজি থাকলে, এইটা আরো ভালো-ভাবে ভিজিবল হইতে পারবে আর কি...

আপাতত, এইটুকই, বাদবাকি আরো অনেক আলাপ তো আছেই

ইমরুল হাসান

02 Nov, 12:17


Resonate করা

আমি মোটামুটি এভারেজ জিনিসপত্রই দেখি, স্ক্রিনে ক্যাজুয়াল ভিউয়িং-ই পছন্দের, বোরড হয়া গেলে তখন ভালো বা গ্রেট জিনিস দেখতে ইচ্ছা করে; মানে, সারাক্ষন গ্রেট-মুভি দেখার লোক আমি না, তো, কিছুদিন আগে এইরকম জাপানিজ একটা সিরিজ দেখতেছিলাম, ভিজুয়াল হিসাবে এভারেজের চাইতেও একটু বাজে...

কাহিনি'টা এইরকম - এক শেফ, যে প্যারিসে খুবই নামি একটা রেস্টুরেন্ট চালায়, কিনতু এক ডিপ্লোমেটের ডিনারে ঝামেলা কইরা ফেলার কারনে তার লাইসেন্সই বাতিল হয়া যায়; তখন এক মহিলার লগে তার দেখা হয়, যে থ্রি-স্টার শেফ হইতে চায়, কিনতু তাঁর স্কিল আসলে এভারেজ... তো, নানান কাহিনির পরে তারা একটা রেস্টুরেন্ট খুলে, কিনতু মেইল-শেফ'টার যেহেতু বদনামি আছে এবং শত্রুও আছে, তাদের রেস্টুরেন্টে কেউ আসে না... তখন তারা নানান ফুড ফেস্টিবলে গিয়া স্টল নিয়া খাবার বেচতে থাকে, তো, একটা সময়ে গিয়া অইসব জায়গায় পার্টিসিপেট করাও বন্ধ কইরা দেয় তাদের দুশমনরা

তখন শেফ'টা বলে যে, লোকজন তো এখন তাদের রেস্টুরেন্টে আসার কথা, কারন তারা যেই টেস্ট'টা পাইছে, সেইটা যেহেতু তাদের ভালো-লাগছে সেইটা তো তারা রেজোনেট করতে চাওয়ার কথা এখন...

মানে, আপনি যখন নতুন টেস্ট পাইবেন, তখন সেইটা একবারেই শেষ হয়া যায় না, যদি সেইটা ভালো-লাগে সেই টেস্ট'টা আরেকবার নিতে চাইবেন আপনি... আর এইটা খালি ফুডের বেপারেই না, অন্য অনেক বেপারেই এই জিনিসটা কাজ করার কথা; এমনকি খালি ইন্ডিভিজুয়ালের জায়গাতে না, সোশাল সিচুয়েশনেও কাজ করার কথা...

আমি বলতে চাইতেছি, যেই ফ্রিডম আমরা এচিভ করছি জুলাই মুভমেন্টের ভিতর দিয়া, সেইটা নানান জায়গাতেই রেজোনেট করতে থাকার কথা, অই ফ্রিডম আমাদের চাইতে থাকার কথা এখন বারবার... যেই কারনে পুরান ডর-ভয়গুলা যতই ফিরায়া নিয়া আসার ট্রাই করা হইতে থাকে, সেইগুলার রিলিভেন্স আর তত একটা থাকে না...

ইমরুল হাসান

01 Nov, 04:48


ইলেকশন হইতে হবে ৩টা।
লোকাল গবমেন্ট (৩ বছর পর পর)
প্রেসিডেন্ট (৪ বছর পর পর)
পার্লামেন্ট (৫ বছর পর পর)

...

লোকাল গবমেন্ট ইলেকশন হবে ২টা ফেইজে।
ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা > উপজেলা > জেলা
ওয়ার্ড > জোন > সিটি করপোরেশন

পিপল ভোট দিয়া মেম্বার ও চেয়ারম্যান ইলেকটেড করবে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার; সব মেম্বার, চেয়ারম্যানরা ভোট দিয়া উপজেলা ও জেলা চেয়ারম্যান বানাইবেন।

শহর বা সিটি করপোরেশন এলাকায়ও তিনটা লেডারে ইলেকটেড পারসনরা থাকবেন ওয়ার্ড, জোন আর সিটি করপোরেশন চেয়ারম্যান।

...

ন্যাশনাল ইলেকশন হবে ২টা - প্রেসিডেন্ট আর পার্লামেন্ট মেম্বার। প্রেসিডেন্টের মিনিমাম ৫০% ভোট পাইতে হবে, পয়লা দফায় কেউ না পাইলে, টপ ২জনের ইলেকশন হবে আবার। (খালি পর পর না, কখনোই) ২ বারের বেশি কেউ প্রেসিডেন্ট হইতে পারবে না।

পার্লামেন্ট ইলেকশন হবে ৫ বছর পর পর। প্রেসিডেন্ট ইলেকশনের সময় পার্লামেন্টের স্পিকার চিফ জাস্টিস, মিলিটারি চিফ ও লোকাল গবমেন্টের হেল্প নিয়া ডিসিশান নিবেন।

...

রাষ্ট্রের পাওয়ারের পিলার হবে ৪টা -
লোকাল গবমেন্ট
প্রেসিডেন্ট
পার্লামেন্ট
প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও মিলিটারি

৩টা ইলেকটেড ফোর্স আর ১টা মেরিটোক্রেসির বেসিসে

...

লোকাল ও সিটি পুলিশ লোকাল গবমেন্টের আন্ডারে থাকবে। ন্যাশনাল গার্ড আলাদা ফোর্স হবে, লোকাল গবমেন্টের কাজে ইন্টারফেয়ার করবে না।

বিচার-বেবস্থায় জুরি-সিসটেম আনতে হবে। সালিশি বেবস্থারে আইনি-প্রসেসের মধ্যে ইনক্লুড করা লাগবে।

...

রেভিনিউ কালেকশন ও বাজেটে লোকাল গবমেন্টের এখতিয়ার থাকতে হবে। সরকারি খরচের হিসাব পাবলিকলি পাবলিশ করতে হবে, প্রতি মাসে।

...

আলাপের ভিতর দিয়া যে কোন কিছু চেইঞ্জ করা যাবে। ন্যাশনাল ডিসপিউট ম্যানেজমেন্ট কাউন্সিল থাকতে পারে একটা। নামটা "আপনারা যা ভালো মনে করেন"-ও হইতে পারে।

ইমরুল হাসান

31 Oct, 15:11


সংস্কার বলতে আমি বুঝি বাংলাদেশে ইনডিয়ান এজেন্সিগুলারে পুরাপুরি বাতিল করতে পারা - পলিটিকালি এবং কালচারালি, এবং এইটা করতে না পারলে বাংলাদেশে কখনোই জনগনের সরকার আনতে পারবো না আমরা

ইমরুল হাসান

31 Oct, 12:48


বনিক বার্তা কি কারনে পি.আলো'র কম্পিটিটর হয়া উঠতে পারে নাই বা মেবি কখনোই হইতে পারবে না - এটলিস্ট আইডিওলজিকাল দিক থিকা, সেইটা অনেকটা বুঝা যাইতে পারে ২৯শে অক্টোবর, ২০২৪ (মঙ্গলবার)-এ সিল্করুটে ছাপানো আহমেদ দীন রুমি'র "ঔপনিবেশিক বাংলার নিয়তি নির্ধারনে অভিজাতবাদী রাজনীতি" লেখাটা দিয়া

আহমেদ দীন রুমি'র খুব বেশি লেখা আমি পড়ি নাই, কিনতু পড়ার ইচ্ছা আছে, কারন বাংলাদেশের ইতিহাসের ১৯২০-৪০/৪২ এবং ১৯৪৭-১৯৭৫'র সময়টা নিয়া আমার একটা ইন্টারেস্ট আছে এবং অই জায়গাগুলাতে উনার কিছু নাড়াচাড়া আছে মনেহয়...

তো, এই যে অই সময়গুলাতে ঘটা ঘটনাগুলারে দেখতে চাওয়া বা বুঝতে চাওয়া, এবং এইটারে দরকারি বইলা মনে করাটা তো ভালো-জিনিস; কিনতু তারপরে কেউ কোন জায়গাটা থিকা দেখতেছেন - সেইটা হইতেছে ঘটনা'টা

উনার লেখা থিকা একটা কোটেশন দেই:
" কংগ্রেস যেহেতু সে অর্থে কোনো ধর্মনিরপেক্ষ নীতি বাস্তবায়ন করতে পারেনি; ফলে ক্রমে জনপ্রিয়তা বেড়েছে মুসলিম লীগের। এমনকি বামপন্থী নেতারাও পারেনি ধর্মীয অসহিষ্ণুতা মোকাবেলা করতে।"

মানে, কংগ্রেস যে ধর্মিয়ভাবে হিন্দুদের একটা দল হয়া উঠছিল, সেইটা যেন তাদের 'না পারা', বাই চয়েসের কোন ঘটনা না! এবং 'বামপন্থীরা', তারাও যেন মুসলিম-হেটার কোন পলিটিকাল ফোর্স না, বরং 'ধর্মনিরপেক্ষ'! মানে, উনার দেখার যেই বেইজটা - ধর্ম ও রাজনীতি'রে - সেইটা আলাদা কোন ঘটনা না, যেইভাবে দেখার ও দেখানোর রীতিটা আছে (এইখানে ব.বার্তা বা পিআলো'র দেখার কোন ডিফরেন্স নাই); এইটা হইতেছে আমার বলার পয়েন্ট'টা (এইভাবে দেখাটা ভালো কি খারাপ, ঠিক কি ভুল - সেইটা তো আরেকটা আলাপই আসলে)

এইখানে আরেকটা এজাম্পশন আছে আসলে, যেইটা উনি খোলাখুলিভাবে বলেন নাই, কিনতু উনার যেই কথাগুলা সেইটা অই ধারনা থিকাই আসছে যে, বাংলার সমাজ ছিল বা অরিজিনালি হইতেছে - 'ধর্মনিরপেক্ষ'; হিন্দু এবং মুসলিম অভিজাত'রা পলিটিকাল কারনে এই ডিফরেন্সের জায়গাটারে জাগায়া তুলছেন ও ইউজ করছেন; সেইটা সত্য না বইলাই আমি মনে করি, বরং আবুল মনসুর আহমেদ যেইরকম বলছেন এইখানের সমাজে সবসময় দুইটা কালচারাল ফ্লো ছিল, সেইটারে আরেকটু এক্সটেন্ড কইরা বলতে চাই যে, জাত-প্রথা আমাদের সমাজের সবচে কোর একটা ঘটনা; কালচার একটা তো না-ই, সেইটা 'ধর্মনিরপেক্ষতা' আরো না, বরং একটা ধর্ম-ভাব হইতেছে মেইন ঘটনা, সেইটা যে ধর্ম-ই হোক...

সেকেন্ড হইতেছে, উনি দেখতেছেন যেন এইটা অভিজাত শ্রেণীরই সমস্যা, সমাজের সমস্যা না! জমিদার'রা যে বেশিরভাগই হিন্দু এবং কৃষকরা যে বেশিরভাগই মুসলমান - এইটা যেন 'কাকতালীয়' ঘটনা, কোন হিস্ট্রিকাল রিয়ালিটি না; মানে, একটা হিস্ট্রিকাল প্রসেসে ভিতর দিয়া যে, এইটা ঘটছে - এর স্বীকারটা নাই, বরং দেখা হইতেছে হিন্দু-অভিজাতদের এগেনেস্টে মুসলিম-অভিজাতরা দাঁড়াইতেছে; অথচ বাংলাদেশের নবাব'রা যে পাকিস্তান হওয়ার আগে ফজলুল হকের কাছে এবং পাকিস্তান হওয়ার পরে ভাসানি-সরোয়ার্দির কাছে পলিটিকালি হারছিল - এই রিকগনিশনটা নাই...

যেই কারনে আহমেদ দীন রুমি কনক্লোশন টানতে পারছেন যে, "...এভাবে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে গড়ে ওঠা অভিজাত শ্রেণীর আত্মপরিচয়ের যাত্রা পরিণত হয়েছে বিভাজনে।" মানে, ক্রুশিয়াল রোল প্লে করছে অভিজাত বা এলিট'রা; দুই পক্ষই সমান-ভাবে দায়ি! :) এইটা হইতেছে সেকেন্ড ইন্টেলেকচুয়াল চালাকিটা (বদমাইশি আর বললাম না); যেইটার এখনকার ফরম্যাট হইতেছে - আওমি-লিগ খারাপ, বিএনপিও তো খারাপ! এখন 'খারাপ না' - এইটা আমার কথা না, কিনতু এইটা যে 'সরলিকরন'টা করে, সেইটা নানানদিক দিয়াই খারাপ একটা ঘটনা...

তবে, কিছুটা আশা আমি দেখি যে, যখন ফ্যাক্টগুলারে আরো এনকাউন্টার করতে থাকবেন উনারা তখন মেবি এই 'সরলিকরনের' সমস্যাগুলারে আরো ক্লিয়ারলি দেখতে পারবেন গিয়া একটা সময়ে, যেইরকম একটা ঘটনার কথা বলছেন তারাশঙ্করের যে, বাংলা-ভাগ না হইলে হিন্দু-সংস্কৃতি বাঁচায়া রাখা যাবে না মুসলমানদের কাছ থিকা... তো, এইরকম বুদ্ধদেব বসুও বলছিলেন, পাকিস্তান হইলে সেইখানে বাংলা-কবিতা থাকবে না; এবং এখনো যে বাংলাদেশের মানুশেরা 'শুদ্দ বাংলা' লেখতে পারে না, এইগুলা অই জমিদারি-ভাবেরই কথা

মানে, আমি বলতে চাইতেছি, অই সময়ের জিনিসগুলার এনকোয়ারি করাটা ভালো, কিনতু যদি একই জায়গা থিকা দেখতে থাকেন নতুন কিছু চোখে পড়বে না আর কি, বরং পুরান জায়গাগুলারেই রি-কনফার্ম করার ঘটনাগুলাই ঘটতে থাকবে

তো, কথা উঠতেই পারে যে, একটা লেখা দিয়াই সব বুইঝা ফেললেন! মানে, আমি সব বুঝি নাই, বরং বলতে চাইতেছি যে, এইটা একটা উদাহারন, যেইখানে এপারেন্টলি মনে হইতে পারে যে, ব.বার্তা অন্যরকম কিছু জায়গা এক্সপ্লোর করতে চাইতেছে, কিনতু ডিপ ইনসাইট এতোটা আলাদা কিছু না; এবং মেবি আইডিওলজিকালি আরো উদাহারন খুঁইজা পাওয়া পসিবল

এর বাইরে, টেকনোলজিকাল, কালচারাল ও পলিটিকাল আরো অনেক ঘটনা তো আছেই

ইমরুল হাসান

31 Oct, 09:40


পুরান জিনিসগুলারে গাল্লাইলা তেমন লাভ নাই, কারন তাদের প্রতি হেইট্রেট আমাদেরকে নতুন কোন জায়গা নিয়া যাইতে পারবে না আসলে; বরং নতুন বেইজ থিকা আমাদেরকে দেখতে পারার চেষ্টাগুলা করা লাগবে

কিনতু এই কাজটা আমরা করতে পারি না মেইনলি ৩টা কারনে; এক হইতেছে আমাদের রিডিং লিস্ট, মানে যেইসব জিনিস আমরা পড়ি বা পড়তে হবে বইলা আমাদের সামনে হাজির করা হয়, অইগুলা ঝামেলার, বাংলাদেশি জিনিসটা যে আলাদা একটা কেটাগরি অই রিকগনিশনটাই সেইখানে পাইবেন না...

সেকেন্ড হইতেছে, যেই জিনিসগুলা আপনার যাচাই কইরা দেখা দরকার অই মেটেরিয়ালগুলাও পাইবেন না, অইগুলা খালি লুকায়া ফেলাই হয় নাই, এমনকি ধ্বংসও কইরা ফেলা হইছে মেবি; যেমন ধরেন, বাংলাদেশি সিনেমা নিয়া যদি আপনি জানতে চান, আপনার তো জহির রায়হান, খান আতাউর রহমান এবং আমজাদ হোসেনের কথা ও লেখাগুলা খেয়াল করা দরকার, কিনতু উনাদের কোন রিডিং মেটেরিয়াল কি পাইবেন কোথাও? ১৯৪৭ থিকা ১৯৭১, এমনকি ১৯৮০ পর্যন্ত জিনিসগুলা বাংলাদেশে 'দুষ্পাপ্য' কইরা রাখা হইছে... তো, এইটা আরেকটা প্রবলেম

লাস্টলি, রিডিং মেটেরিয়াল হিসাবে কন্সিডার করার বাইরে এবং না-থাকার বাইরেও কেমনে দেখবো আমরা জিনিসগুলারে, সেই জিনিসটাও তৈরি হয় নাই, শুধুমাত্র কিছু আবছা পলিটিকাল পজিশন দিয়া এই জায়গাটা তৈরি করা পসিবল না, এইখানে জায়গাগুলারে তৈরি করার বড় একটা কাজ আছে আসলে...

তো, এই জায়গা থিকা জহির রায়হানের 'দুষ্পাপ্য' একটা লেখা পড়েন, এই লিংকে

https://bacbichar.net/2024/10/art.8084.bb/

ইমরুল হাসান

29 Oct, 17:16


একটা ডিস্টার্বিং ইনফরমেশন খেয়াল করলাম; মানে, ফ্যাক্ট হিসাবে তো সবাই জানেনই জিনিসটা, কিনতু জাস্ট ঘটনা ২টা যে এতোটা কাছাকাছি, সেইটা আগে খেয়াল করি নাই

শেখ হাসিনা দিল্লি থিকা বাংলাদেশে আসছিলেন ১৯৮১ সালের ১৭ই মে; আর মিলিটারি ক্যু'তে জিয়াউর রহমান খুন হইছিলেন ১৯৮১ সালের ৩০শে মে; মাত্র ১৩ দিনের মাথায়...

মানে, ঘটনা ২টা কো-ইনসিডেন্টালই, এপারেন্টলি কোন রিলেশন তো নাই, কিনতু ঘটনা ২টা যে এতো কাছাকাছি সময়ে ঘটছিল, সেইটা আগে খেয়াল করা হয় নাই আমার... বা ঘটনা ২টা যে কাছাকাছি সময়ে ঘটছিল, সেইটা মেনশনও করা হয় না তেমন, কোন আলাপে

আরেকটা জিনিস, শেখ হাসিনা কিনতু দিল্লি থিকাই আসছিলেন, আবার দিল্লিতেই ফিরা গেছেন - এই জিনিসটাও ইন্টারেস্টিং...

ইমরুল হাসান

29 Oct, 16:42


প্রশ্ন: এক দলীয় শাসন-ব্যবস্থা সম্বলিত 'বাকশাল' দল গঠনের প্রতিবাদে আপনি আওয়ামী লীগ ত্যাগ করলেন। পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্রে অংশ নিল এবং দলের নাম পরিবর্তন করে সাবেক নাম আওয়ামী লীগ রাখলো। তখন আাপনি আওয়ামীলীগে ফিরে না এসে ভিন্ন দল গঠন করলেন কেন?

আতাউল গনি ওসমানী: ১৯৭৬ সনে 'বাকশাল' নাম পরিবর্তন করে সাবেক নাম আওয়ামী লীগ নিয়ে বহুদলীয় রাজনীতিতে যোগ দিলেও সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে বিভিন্ন মতামত পোষণকারী পূর্বেকার নেতৃবৃন্দ নিয়েই আওয়ামী লীগ এর পুনরার্বিভাব হয়। এমতাবস্থায় তাদের ভবিষ্যৎ নীতি সম্বন্ধে সন্দিহান হওয়ার যথেষ্ট কারণ ছিল। পরবর্তী ঘটনাবলী সন্দিহান হওয়ার যথার্থতা প্রমাণ করেছে।...

(সাপ্তাহিক সচিত্র সন্ধানী, ২০ জুলাই ১৯৮০)

ইমরুল হাসান

28 Oct, 08:21


জুলাই পরবর্তি সময়ে বাংলাদেশের পলিটিকসে আওমি লিগ ও শেখ হাসিনা হইতেছে ছাগলের ৩ নাম্বার বাচ্চা; পলিটিকাল ফোর্স হইতেছে - ইসটুডেন্টরা এবং বিএনপি; মানে, বাংলাদেশে ডেমোক্রেসির জন্য কোন বিরোধি পক্ষ নাই - এইটা সত্যি কথা না, এবং এই বিরোধের জায়গা থাকাটারে আমি পজিটিভ ঘটনা বইলা মনে করি, কিছু caution-সহ

তবে আওমি-বাকশালিদের ফিরা আসার চান্স এখনো তাজা আছে; ইসটুডেন্টরা যদি আলাদা কোন পলিটিকাল দল না হয়া উঠতে পারে, তাইলে সেই জায়গাটাতে আওমি-লিগ ফিরা আসবে, অলরেডি একটা 'বিএনপি-বিরোধিতা'র ভিতর দিয়া তারা আশা খুঁজে পাইতেছে... ধিরে ধিরে কিছু লোক এই কাফেলাতে যোগ দিবে

বিএনপি'তেও ট্রেডিশনাল ও নতুন-ফর্মেশনের একটা টেনশন থাকার কথা, যেইখানে ট্রেডিশনাল অংশটা পুরান আওমি-লিগারদেরকে রিভাইব করতে চাইবে; মানে, দলের ভিতরে জায়গা দেয়া না, বরং 'বিরোধি-দল' হিসাবেই চাইবে, কারন আওমি-লিগ চেনা দুশমন, ইসটুডেন্টদের পলিটিকাল দল যদি দাঁড়ায়া যায়, সেইটা তাদের লিডারশিপের জায়গাটারে রিস্কি কইরা তুলবে...

তো, এই জায়গায়, আমি মনে করি, জরুরি হইতেছে এই দুই পক্ষেরই নিজেদেরকে অন্যপক্ষের কাউন্টার হিসাবে মিল ও অমিলের জায়গাগুলারে ক্লিয়ারলি বলতে পারা, এবং এর ভিতর দিয়া বাংলাদেশে ডেমোক্রেসির জায়গাটারে তৈরি করার কোশিশ করা...

দুইটা পক্ষের চ্যালেঞ্জ আসলে দুই রকমের; ইসটুডেন্টদেরকে ইলেকশনের ভিতর দিয়া প্রমান কইরা আসতে হবে যে, তারা একটা সত্যিকারের পলিটিকাল ফোর্স, পিপলের ম্যান্ডেট তাদের আছে, বাকশালি-মিডিয়া ও এলিট-মিডলক্লাসের মাউথ-পিসই না তারা... অইটা তাদের প্রমান করার বাকি আছে, শুধুমাত্র গন-অভ্যুত্থানের লিডারশিপ দিয়া ডেমোক্রেটিক স্টেইট চালানোর জায়গাটাতে তারা রিচ করতে পারবে না, বরং অন্য কোন এন্টি-পিপল ফোর্সের উপর ডিপেন্ডেড হয়া পড়ার রিস্ক তাদের আছে

বিএনপিও ট্রেডিশনাল পলিটিকসে ফিরা যাইতে পারবে না আসলে; আগের সংবিধান ও ইলেকশন পদ্ধতি তাদের নিজেদের দলের লোকজন অনেকেই মানবে না... ডেমোক্রেসি তো খালি ইলেকশনে জিতার ঘটনা না, ইলেকশনে জিতার পরেও ১৯৯১ ও ২০০১-এ কেন তারা পপুলারিটি হারাইছিল - অই বিচার তাদেরকে করা লাগবে আসলে, সবকিছুই ষড়যন্ত্রের ঘটনা তো না...

আমি বলতে চাইতেছি, নতুন ডেমোক্রেটিক অবস্থাতে যাইতে হইলে এই দুইটা পলিটিকাল ফোর্সের মধ্যে যেমন ডায়ালগের জায়গাগুলা তৈরি করতে হবে, একইসাথে তাদের নিজেদেরকে ডেমোক্রেটিক ফোর্স হিসাবে পিপলের সামনে প্রমান করতে হবে আসলে; আর last but not the least, সেইখানে ফেসবুকের এড্রিনালিন রাশগুলা কমাইতে পারাটা ভালো :)

ইমরুল হাসান

28 Oct, 03:09


যত ভালো কারনেই করা হোক, একটা সার্টেন গ্রুপ অফ পিপলের হাতে ক্ষমতা থাকাটা সবসময় বাজে একটা ঘটনা; জুলাই মুভমেন্টের পরে বাংলাদেশে পলিটিকাল ক্ষমতার এই জায়গাটা যতটা ওপেন ছিল, আজকে প্রায় ৩ মাস পরে আর একইরকম নাই বা এক ধরনের পোলারাইজেশনের আশংকা দেখা দিছে যে, ইসটুডেন্টদের একটা গ্রুপের হাতে ক্ষমতার সবকিছু সেন্ট্রালাইজড হইতেছে... এইটা পুরাপুরি সত্যি না হইলেও এর কিছু নিশানা অবশ্যই দেখা যাইতেছে বইলা আমি মনে করি; তো, এইটা ভালো জিনিস না, এটলিস্ট ৩টা কারনে:

১. একটা গ্রুপ অবশ্যই লিড করছে, কিনতু জুলাই মুভমেন্ট ছিল বাকশাল-বিরোধি সবগুলা ফ্রন্টের লড়াইয়ের ঘটনা; এখন ইসটুডেন্টদের ক্ষমতার জায়গাটারে সেন্টার-পয়েন্টে নিয়া আসার ভিতর দিয়া এর একটা ডিনায়াল এর ভিতর দিয়া পয়দা হয়, যেইটা জুলাই-মুভমেন্টের স্পিরিটের লগে এলাইনড না, সইরা যাওয়ারই ঘটনা

২. এইটা বরং বাকশালি-মিডিয়ার নেরেটিভ যে, সার্টেন কিছু লোক এর পিছনে আছেন, এবং তারা অই ফিগার-গুলারে মিডিয়া-হিরো বানাইছেন, যারা এইটা হইতে রাজিও হইছেন; কিনতু মুশকিল হইতেছে তারা এইটা বিলিভ করতেছেন এবং একদল ডামি-জনগনও তারা পাইতেছেন তাদের সামনে, যারা এই বিলিভে শামিল হইতেছেন...

এইটা হইতেছে সেকেন্ড ঘটনাটা, যেইটার ভিতর দিয়া ভালো-বাকশালিরা ভূতের মতো ইসটুডেন্টদের কান্ধে সওয়ার হইছেন; আমি বলতে চাইতেছি, এইখানে ইসটুডেন্টরা মানে ইন্ডিপেন্ডেড কোন ফোর্স না, 'বিপ্লবি' হইতে চাইয়া তারা ভালো-বাকশালিদের খপ্পরে পড়তেছেন

৩. এবং এইটা খাদের কিনারার দিকে এক ধাপ আগায়া যাওয়ারই ঘটনা; যে, এখন ৫-৭ জন ইসটুডেন্ট লিডারদেরকে কনট্রোল করলে, হাতে রাখলেই চলবে! দরকার হইলে হিরো বানানো যাবে, ভিলিফাই করা যাবে, নতুন চেহারাও ইনক্লুড করা যাবে...

এবং এইটা পসিবল শুধুমাত্র ক্ষমতার জায়গাটারে কয়েকজনের লোকের হাতে রিডিউস করার ভিতর দিয়াই; আর এইরকমের কিছু টেনডেন্সি লোকেট করা যায় না - তা না মনেহয়

২.
আমি বলতে চাইতেছি, মুভমেন্ট যেইরকম পার্টিসিপেটরি ও ওপেন-স্পেইসের ঘটনা ছিল, ইনটেরিম গবমেন্টের এখনকার ফরমেশন এর লগে এলাইনড না; একটা গ্রুপ যাদেরকে 'বিপ্লবি' বানানো হইতেছে, তারা ভালো-বাকশালিদের নেরেটিভের শামিল হইতেছেন বইলা আমার সন্দেহ হইতেছে; এবং এইটা পলিটিকালিও রিস্কি একটা মুভ

এখন এইটা কন্টিনিউ হইলে, "আপনারা যা ভালো মনে করেন"-অবস্থাটা বেশিদিন থাকবে না, কারন 'আপনারা' প্লুরাল থিকা সিঙ্গুলার হইতেছেন প্লুরালিটি'টারে বাদ দিয়া, যেইখানে 'আপনারা' আরেকটা পলিটিকাল গ্রুপই, পুরা ফোর্সটা না...

৩.
এমনিতে, আমার কথা বা আশংকা তো ভুলও হইতে পারে, ওভার-থিংকিংও মনে হইতে পারে, কিনতু ভুল হইলেও বইলা রাখাটা ভুল-কাজ না মনেহয়

ইমরুল হাসান

27 Oct, 09:55


ফখরুল ইসলাম আলমগীর বা বিএনপি'র লোকজনের পলিটিকাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং বা বুঝ'র মেইন সমস্যা কোনটা? আমি যেইটা বুঝি, উনারা মনে করতেছেন যে, আওমি-লিগ ইলেকশনে আসুক, ইলেকশন কইরা হাইরা যাক, বিরোধি-দল হিসাবে থাকুক...

মানে, উনারা বুঝতে বা মানতে রাজি না যে, আওমি-লিগ কোন ডেমোক্রেটিক ফোর্স না, আওমি-লিগ হইতেছে পুরান একদলিয় শাসন বাকশালেরই একটা রিভাইজড ও আপডেটেড ফর্ম - নয়া বাকশাল! (যেইটা খালি আওমি-লিগ না, বাম-টামরাও এর লগে ইনক্লুডেড...)

(অনেকে মুজিববাদ, বাকশাল ২.০ নানান আকাইম্মা টার্ম ইউজ করেন, অইগুলা টার্ম হিসাবে পলিটিকাল আলাপে তেমন কিছু মিন করে না আসলে... আমার ছোট একটা ই-বুক আছে, ইনকমপ্লিটই, তা-ও দেখতে পারেন অইটা, একটা ইলাবরেটেট আলাপ হিসাবে)

তো, উনারা, বিএনপি কেন এইটা বুঝতে রাজি না? বা মানতে রাজি না?

এই জায়গাটাতেই মেইন ক্যাচ'টা আছে বইলা আমি মনে করি; যে, উনারা কম-বেশি পুরানা পলিটিকাল সিসটেম'টারেই আপহোল্ড করতে চান, একটু এইদিক-সেইদিক কইরা, যে ৫ বছর পরে পরে ইলেকশন হবে, যাদের ইকনোমিক ও পলিটিকাল পাওয়ার আছে, তারা জিইতা ক্ষমতায় আসবে, আমলা-সচিবদেরকে দিয়া সরকার চালাবে; সবাই (মানে, পাওয়ারফুল গ্রুপগুলা) ক্ষমতার ভাগ পাবে... এই সিসটেম'টার তেমন বড় কোন নড়চড় উনারা চান না

কারন তাইলে তাদের পলিটিকাল ফর্মেশনটারে চেইঞ্জ করতে হবে, এখনকার সময়ে যারা লিডার আছেন, তাদের অনেকেই লিডার হিসাবে থাকতে পারবেন না আসলে, এবং একটা পাওয়ারফুল অংশ (ব্যবসায়িরা স্পেশালি) তাদের বিপক্ষে চইলা যাইতে পারে... এবং তার চাইতেও ক্রুশিয়াল হইতেছে, পলিটিকস যে একটা বিজনেস - অই জায়গাটা নাই হয়া গেলে 'পলিটিকস' বইলাই তো কিছু থাকবে না বাংলাদেশে!

আর এইটা খালি বিএনপি'র সমস্যা না, বাংলাদেশের এন্টায়ার পলিটিকাল স্পেইসটারই সমস্যা আসলে... যেইখানে আওমি-লিগ না থাকলে বিএনপি থাকাটা মাস্ট, এর কোন 'বিকল্প' নাই! (বিএনপি'র লোকজন চান্দা নেয়া শুরু করছে কিছু এলাকায় - বেপারটা খালি এইরকম না, বরং কাউরে না কাউরে তো চান্দা দিতে হবে আমাদেরকে - এই চাপটাও থাকার কথা...)

তো, বিএনপির সমস্যা এইটা - এগজিসটিং যেই পলিটিকাল ফর্মেশন সেইটার বাইরে গিয়া অপারেট করতে গেলে তারা নিজেরাই নাই হয়া যাইতে পারেন বইলা ভাবতে পারেন

কিনতু এইটা আমার কাছে একটু ভুল ভাবনা বইলাই মনেহয়, বরং আমি মনে করি বিএনপি ততটুকই বাজে যতটুক তারা আওমি-লিগের মতো কইরা ভাবে... যে, মাসল-পাওয়ার ছাড়া পলিটিকস করা পসিবল না!

আমি বলবো, উনাদেরকে ভাবতে পারতে হবে যে, এইটা একমাত্র ওয়ে না, পলিটিকস করার... বিএনপি যদি আওমি-লিগের 'বিকল্প' হইতে চায় তাইলে ভুলই করবে তারা

২.
তো, বিএনপি কি করবে তাইলে? এই ইনটেরিম গবমেন্টরে আরো লম্বা সময় ধইরা ক্ষমতায় থাকতে দিবে?... মানে, পলিটিকাল দল হিসাবে উনারা কি করবেন - সেইটা বইলা দেয়াটা আমার কাজ না বইলাই আমি মনে করি

আমি মনে করি যে, উনারা দুইটা জায়গাতে পলিটিকাল ভুল করতেছেন -

১. আওমি-লিগরে উনারা এখনো ডেমোক্রেটিক ফোর্স হিসাবে ভাবতে চাইতেছেন, যেইটা তারা না...

২. উনারা মনে করতেছেন, আওমি-লিগ না থাকলে পলিটিকাল ভ্যাকুয়াম তৈরি হবে - যেইটাও রাইট-প্রেডিকশন বইলা আমি মনে করি না

বরং ইসটুডেন্টরা যে নতুন একটা পলিটিকাল ফোর্স হয়া উঠতে পারে - অই জায়গাটারে উনারা রিকগনাইজ করতে বা তৈরি হইতে দিতে রাজি হইতে পারতেছেন না

তো, আমি মনে করি, বিএনপি'র বরং বেনিফিটেট হবে যদি তারা নতুন পলিটিকাল ফোর্সগুলারে তৈরি হওয়ার সুযোগ'টা দেয়, সেইটা ডেমোক্রেসির বেইজটারে আরো স্ট্রং করবে, দল হিসাবে বিএনপি'রেও রিফর্ম করতে হেল্প করতে পারে

৩.
আর এইটা শুরু হইতে পারে, স্থানীয়-সরকার ইলেকশনগুলার ভিতর দিয়া... ডেমোক্রেসির জায়গাতে যাইতে হইলে ইলেকশনের ভিতর দিয়াই আমাদেরকে যাইতে হবে - বিএনপি'র এই পজিশন ঠিকাছে, কিনতু একইসাথে পুরান নন-ডেমোক্রেটিক ফোর্সগুলারে ফিরায়া নিয়া আসার চাইতে নতুন পলিটিকাল ফর্মেশনগুলার দিকেই পজিটিভলি তাকাইতে হবে

তাইলে একটা বেটার ডেমোক্রেটিক ফরমেশনের দিকে আমরা আগাইতে পারবো

ইমরুল হাসান

27 Oct, 08:23


১. রিফর্ম আর ইলেকশন - দুইটা কেন আলাদা আলাদা ঘটনা? ডেমোক্রেসি'তে রিফর্ম কি সবসময় কন্টিনিউয়াস একটা প্রসেস হওয়ার কথা না?

বাংলাদেশে একটা সময়ে 'উন্নয়ন' ও 'গনতন্ত্র' - আলাদা আলাদা দুইটা ঘটনা ছিল; যদিও উন্নয়ন বা ইকনোমিক গ্রোথ - টার্মটাই ঝামেলার, এইটা হওয়া দরকার ইকনোমিক ইকুয়ালিটি বা সোশাল-ওয়েলফেয়ার; তো, গ্রোথ-টোথ যা-ই হোক, ডেমোক্রেসি না থাকলে ইকনোমিক ইকুয়ালিটি সাফার করার কথা; দুইটা আলাদা আলাদা জিনিস না এতোটা, যদি বেপারটা এইরকমই হয় যে, কোন ইলেকটেট গবমেন্ট আসলে কোন রিফর্ম হবে না - সেইটা ডেমোক্রেসির ঘটনা না আসলে

২. একটা নন-ডেমোক্রেটিক গবমেন্ট থাকলে যেই সোশাল-গ্রুপটা বেনিফিট পায়, একটা নন-ইলেকটেট গবমেন্টেও অই সোশাল-গ্রুপটারই বেনিফিট বেশি হওয়ার কথা; এখন কথা হইতেছে ইলেকটেট গবমেন্ট মানেই যে ডেমোক্রেটিক গবমেন্ট হবে - এইটা যে না, তা তো আমরা আগে কয়েকবারই দেখছি (ডামি-ইলেকশনের বাইরেও)

যার ফলে আমরা এজিউম কইরা নিতে পারি যে, পুরান-ঘরানার ইলেকটেট-গবমেন্ট মানেই হইতেছে এইরকমের একটা পলিটিকাল বেবস্থা, যেইখানে কিছু 'সুবিধাবাদি' 'অশিকখিত' লোকজন পিপলের উপরে ছড়ি ঘুরাবে, গুন্ডা-মাস্তানদের হাতেই ক্ষমতা চইলা যাবে! যেইটা খুব একট ভুল-ভাবনা না... কিনতু তার বিপরিতে একটা ইনটেরিম গবমেন্ট কেন ভালো?

মানে, জিনিসটা মোটেই এইটা না যে, আমরা 'ভালো মানুশদের' শাসন চাই, বরং শাসনের একটা 'ভালো সিসটেম' আমরা চাই আসলে; আর সেইটা যেইরকম পুরান পলিটিকাল-সিসটেমের ভিতর দিয়া করা সম্ভব না, একইভাবে নন-ইলেকটেট এলিট-শিকখিত লোকজন এইটা কইরা দিবে - এইটা বিশ্বাস করতে চাওয়াটাও সমস্যাই, কারন পিপল রিপ্রেজেন্টেশনের বাইরে গিয়া ডেমোক্রেসি তৈরি হইতে পারার কথা না

৩. জুলাই পরবর্তি সময়ে, বাংলাদেশে এখন ডেমোক্রেটিক পলিটিকাল ফোর্স দুইটা - ইসটুডেন্টরা এবং বিএনপি (ও আরো কিছু পলিটিকাল দল - গন-অধিকার পরিষদ, গনসংহতি, জামাতে ইসলামি...); এবং এই দুইটা পক্ষরেই একটা পলিটিকাল আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ে বা সমঝোতায় আসতে হবে; ডেমোক্রেসির একটা লাইন টানতে হবে যে, কোন কোন জায়গায় উনারা ডিসএগ্রি করেন, এবং মোস্ট ইম্পর্টেন্টলি কোন কোন জায়গায় উনারা এগ্রি করতে পারেন...

আর এই ডেমোক্রেটিক এগ্রিমেন্টের কাজটা উনারা একসাথে যত তাড়াতাড়ি ফর্ম করতে পারেন, আওমি-বাকশালি রিজিমের জায়গাগুলারে তত তাড়াতাড়ি পার হইতে পারবো আমরা; মানে, আমি এইরকমই মনে করি যে, উনারা অবশ্যই দুইটা আলাদা পলিটিকাল ফোর্স, কিনতু বিরোধিতার জন্য ডেমোক্রেটিক গ্রাউন্ডটা তৈরি করবেন উনারা, নিজেদের দরকারেই, দেশের মানুশের জন্যে...

ইমরুল হাসান

26 Oct, 13:02


যে কোন বয়ান সত্যি বা মিথ্যার বাইরে আমাদের মনে-হওয়ার লগে যতটা মিলে তারে ততটা সত্যি বইলা মনে হইতে থাকে আসলে

জুলাই-অগাস্ট মুভমেন্টের পিছনে শিবির ছিল - এইটা বাকশালি-মিডিয়ার বয়ানরে সাপ্লিমেন্ট করে, এই কারনে তারা এই জিনিসটারে পিক করছে, ছড়াইছে, এবং এস্টাবলিশ করার দায়িত্বটা নিছে

মানে, মুভমেন্টে শিবির সিগনিফিকেন্ট রোল প্লে করছে বা করে নাই - এইটা প্রশ্নটা না এইখানে, বরং এই প্রশ্নটারে সামনে রাখলে গত ১৫-২০ বছরের বাকশালি-বয়ানটা যে রেলিভেন্ট থাকে - অইটাই সবচে বড় ঘটনা এইখানে

এর বাইরে, যেই নেরেটিভ'টা ছিল যে, এইটা একটা স্পন্টিনিউয়াস মুভমেন্ট, সেইটারে আন্ডারমাইন করার জন্যেও এইটা করা হইছে আসলে... কারন স্পন্টিনিউয়াস কিছু হইতে পারে-না না, কয়েকটা সেন্টার যদি থাকে সেইটারে ভিলিফাই করাটা টাফ হয়, যেই কারনেও সেন্ট্রালাইজেশনটা জরুরি

আর সেন্ট্রালাইজেশনের এই জায়গাটারে না ভাঙতে পারলে আসলে সমস্যা সবদিক থিকাই, এই প্যাটার্নটা নিয়াই আমাদের সন্দেহ রাখা উচিত...

ইমরুল হাসান

26 Oct, 10:02


আমার চিন্তা এইটা না যে, একটা প্রো-ইনডিয়ান গবমেন্টের জায়গায় একটা প্রো-এমেরিকান গবমেন্ট আমরা পাইতে পারি ইনটেরিম গবমেন্টের শাসনামল'টারে লম্বা করার ভিতর দিয়া

বরং আগে একটা নন-ডেমোক্রেটিক গবমেন্টের শাসনে ছিলাম আমরা, এবং নন-ইলেকটেট ইনটেরিম গবমেন্টের শাসন যত লম্বা হবে ততই নন-ডেমোক্রেটিক শাসনের দিকে টার্ন করতে থাকবে এইটা, এর ইনটেশন যত ভালোই হোক

কেননা তখন প্রো-পিপল ফোর্সগুলার চাইতে সার্টেন কিছু পাওয়ার-আউটলেটগুলার প্রতি তাদের ডিপেন্ডেসি বাড়তে থাকবে আসলে; আর তারাই 'সংস্কারের' নামে এই জায়গাটাতে অপারেট করতে চাইতেছেন আসলে

রিফর্ম দরকার নাই না, বরং অনেকবেশি জরুরি, কিনতু রিফর্মগুলারে একটা বেট বা বাজি হিসাবে ইউজ করার ঘটনাটা এইখানে ঘটতেছে আসলে, যেই চালাকিটারে রিকগনাইজ করাটা জরুরি

রিফর্ম করাটা কখনোই ডেমোক্রেটিক প্রসেসের বাইরে গিয়া ঘটতে পারে না, এই দুইটা জিনিসরে আলাদা করার ভিতর দিয়া একটা নতুন সমস্যারেই জাগায়া তোলার ট্রাই করা হইতেছে এখন বাংলাদেশে

ইমরুল হাসান

26 Oct, 07:23


তর্ক বা ডিফরেন্সের জায়গাটা মোটেই এইটা না যে, সংবিধান পরিবর্তন করা যাবে না বা অবশ্যই করা লাগবে; বরং ঘটনা হইতেছে সংবিধান পরিবর্তন করার নামে ইনটেরিম গবমেন্ট আরো কিছুদিন ক্ষমতায় থাকতে চায় কিনা - অই ভয়টা এইখানে মেইন

এবং এমনকি সংবিধান নিয়া যেইসব আলাপ-টালাপ করা হইতেছে সেইখানে পলিটিকাল দলগুলার (স্পেশালি বিএনপির) এবং পলিটিকাল ফোর্সগুলা (ছরমিক, কৃষক, নানান পেশার লোকজনের) কোন পার্টিসিপেশনই নাই; কমিটিগুলা হইতেছে এক একটা ভালো-বাকশালিদের আখড়া

যদি ঘোষনা দেয়া হয় আগামি ৬০ দিনের মধ্যে এই কাজ করা হবে এবং পলিটিকাল-দল ও পলিটিকাল-ফোর্সগুলা এর মেম্বার হবে, তখন এইটা কোন তর্ক-ই হইতে পারবে না আসলে; এইটা একটা 'তর্ক' হয়া উঠতেছে কারন এই অজুহাতে ইনটেরিম গবমেন্টের টাইম বাড়ানো হইতে পারে - এই আশংকার কারনে, এবং এইটা ভ্যালিড একটা ভয় বইলাই আমি মনে করি, এইটা নন-পলিটিসাইজেশনের একটা টুল হিসাবেও ইউজ হইতে পারে

ইমরুল হাসান

25 Oct, 11:48


১৯৭৫ সালের পরের গভমেন্টগুলা কেন টিকতে পারে নাই? মানে, মিলিটার ক্যু বইলা টিকে নাই বা অইগুলা নিয়া নানান ধরনের বিচার-বিশ্লেষন তো হইছেই, কিনতু যত বেশি গালি-গালাজ বা ইমোশনাল কথা-বার্তা হইছে তত আলাপ-আলোচনা হয় নাই বইলাই আমার কাছে মনেহয়; যে, ১৯৭৫ সালের ১৫ই অগাস্ট, তারপরে যেন জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় চইলা আসলেন!

কিনতু ঘটনা তো তা না, এর মধ্যে তো আরো কয়েকটা মিলিটারি ক্যু হয়, এবং বাকশাল থিকা ডেমোক্রেসিতে ফিরা আসতে ৩-৪ বছর সময় লাগে... অই ঘটনাগুলার কথা ফ্যাক্ট হিসাবে বলা হয় কিছু যে, "আসলে" কি ঘটছিল - অই জায়গাটাতে ফোকাস দেয়ার বেপার থাকে; কিনতু ঘটনাগুলার বেশিরভাগই যেহেতু পাবলিক ঘটনা না, যার ফলে নানান জনের পারসোনাল মেমোরি থিকা সবগুলা ঘটনারই কয়েকটা ভার্সন আমরা পাইতে থাকি...

তবে জরুরি যেইটা, এই ঘটনাগুলা কেন ঘটছিল? এর কিছু 'মুখস্ত' রিডিং-ই আছে বাজারে... তো, পলিটিকাল অরিয়েন্টেশনের বাইরেও পরের গভমেন্টগুলার ফেইলওরের জায়গাটাতে ৩টা জিনিস কন্ট্রিবিউট করছে বইলা আমার কাছে মনে হইছে:

১. ছোট একটা গ্রুপ অফ পিপলের কাছেই সব ডিসিশান-মেকিং পাওয়ার ছিল; উনারা যা চাইতেন তা-ই করতে পারতেন!

দেখেন, বাকশাল ছিল অইটাই, নয়া বাকশালের অপারেটিং মডেলটাও তা-ই - অল্প কিছু লোকের শাসন, একজন সেন্ট্রাল ফিগার এবং তার আশে-পাশে যারা আছেন তারাই 'সর্বময় ক্ষমতার অধিকারি'; এখন সেন্ট্রাল ফিগারের লোকটা খারাপের বদলে ভালো হয় গেলেই সিসটেম'টা ভালো হয়া যায় না, বরং সেইম লেভেলের ভালনারাবেলই থাকে... অন্যদিক থিকা অল্প-কিছু লোক আইসা খুব ইজিলি তাদেরকে রিপ্লেইস কইরা ফেলতে পারে তখন!

মিলিটারি ক্যু'তে তো আসলে এইরকম হবেই; একটা ফেসিস্ট ও টোটালেটেরিয়ান রিজিমেও এইরকম হওয়ার কথা, কিনতু তাদেরকে ক্ষমতা থিকা নামায়া যদি একই জিনিস কন্টিনিউ হইতে থাকে, সেইটা সাসটেইন করতে পারার কথা না... তো, এইটা মনে রাখতে পারলে ভালো

২. পুরান পলিটিকাল ইসট্রাকচার থিকা বাইর না হইতে পারাও আরেকটা ঘটনা; যখন মুশতাক সরকার হইছিল পুরান আওমি-লিগারদের নিয়াই করছিল, বা পরেও সমাজের ও রাষ্ট্রের 'সব পক্ষ'রেই কম-বেশি ইনক্লুড করার ট্রাই করা হইছে, কিনতু মুশকিল হইতেছো পুরান পলিটিকাল ইসট্রাকচারটাই আর কাজ করতেছিল না, দে ওয়ার নট দা পলিটিকাল স্টেক-হোল্ডার

এখনো এইসব হইতেছে, পুরান ও বুড়া লোকজনদেরকে (যেমন, জাসদ, জাতিয় পার্টি, গনফোরাম, আরো কি কি জানি...) পলিটিকাল ফোর্স হিসাবে দেখানো হইতেছে, কিনতু তারা তো আসলে অনেক আগেই মারা গেছে, তাদেরকে কবর থিকা তুইলা আনা হইতেছে; কিনতু উনারা পলিটিকাল ফোর্স না আসলে; পিপলের লগে কানেকশন অনেক আগেই উনারা হারায়া ফেলছেন...

তো, এইরকম পুরান বাতিল ফোর্সগুলার উপর ভরসা করাটা বা তাদেরকে পলিটিকাল ফোর্স বইলা দেখানোটাও একটা ঘটনা এইখানে

৩. থার্ড এবং ক্রুশিয়াল ঘটনা হইতেছে, একটা 'নিউ নরমাল' তৈরি করতে না পারা; মানে, একটা 'নরমাল-অবস্থা' তৈরি করতে পারতে হবে যেইখানে সবাই তার নিজের কাজ-কাম করতে থাকতে পারবে; ১/১১'র সরকার এইটা পারে নাই... ২০২৪'র সরকারও এইখানেই সাফার করতেছে; সময় যত লম্বা হবে উনাদের এই জায়গাটা আরো ক্রুশিয়াল হইতে থাকবে

দেখেন, সরকার কিছুটা বাইরের ঘটনাই সমাজের মানুশের ডেইলি লাইফে; যদি কোন কিছুর দরকার পড়ে তাইলে আমরা সরকারের কাছে যাবো বা হেল্প চাইতে পারি, কিনতু ডেইলি-লাইফ তো একটা নরমালেন্সির ভিতর দিয়া ঘটতে থাকতে হবে, এখন সরকারই যদি অই জায়গাটারে বিপদে ফেলে তাইলে তো সেইটা থাকতে পারার কথা না...

...

তো, এইখানে আমার কথা হইতেছে, ডিসিশান-মেকিং প্রসেসটা ট্রান্সপারেন্ট ও অনেক লোকের ঘটনা হইতে হবে, যদি না হয় তাইলে সেইটা একটা সময়ে বাজে হইতে বাধ্য; পুরান পলিটিকাল বেইজ থিকা অপারেট করার কিছু নাই বরং নতুন পলিটিকাল ফরমেশনের জন্য স্পেইস তৈরি করতে হবে, এবং একটা 'নরমালেন্সি' তৈরি করার জায়গাতে যাইতে হবে আর এইটা জোর কইরা হবে না, যদি না সেইটা একটা প্রসেসের ভিতর দিয়া ডেভোলাপ করে

এইখানে শাসন-বেবস্থার একটা বড় ভ্যাকুয়াম তৈরি হইছে, সেইটা থিকা বাইর হয়া একটা সাসটেইনেবল অবস্থায় যাইতে হইলে অনেক কিছুই খেয়াল করাটা দরকার আমাদের

ইমরুল হাসান

24 Oct, 03:47


পলিটিকস করা যে খালি প্রফিটেবল বিজনেস-ই না, বরং এইখানে খুন-খারাপি বা ভায়োলেন্সও রিকোয়ার্ড এই 'সত্য' বাংলাদেশে 'প্রতিষ্ঠা' করছিল ছাত্রলিগ

এখন আমাদের মেইনস্ট্রিম মিডিয়া-আটলেটগুলা এই জিনিসগুলারে যতই হাইড করে রাখুক, খুন-করা'রে 'খুনের অভিযোগ', হামলা করা'রে 'সংঘর্ষ' বইলা প্রচার কইরা গোপন করুক, ইন রিয়ালিটি এই জিনিসগুলা যে ঘটে নাই - তা তো না! রক্ষিবাহিনিরও তেমন কোন ডকুমেন্টশন পাইবেন না, কিনতু রক্ষিবাহিনির হরর কাহিনিগুলা লোকজনের মুখে মুখে ছিল, এখনো অনেকে বলেন... কিনতু এর 'দালিলিক প্রমান' বা 'রিটেন ডকুমেন্ট' নাই তেমন, এর কারন হইতেছে, যারা এই হিস্ট্রিকাল দলিল লেখার কাজগুলা করেন তাদের দালালি... তো, যখন বাকশাল নাই রক্ষিবাহিনিও থাকতে পারে নাই; ছাত্রলিগ ছিল হইতেছে নয়া বাকশালের রক্ষিবাহিনি, এর ভায়োলেন্ট উইং

অন্যসব অঙ্গ-সংগঠনগুলার মতো এরা চাঁদাবাজি ও সরকারি টাকা-পয়সা মাইরা পলিটিকাল বিজনেসই করতো না, এরা ডর-দেখানোর কাজটা করতো রেব, পুলিশ ও ডিজিএফআই'র 'ছোডভাই' হিসাবে; এরা স্টুডেন্ট অরগানাইজেশন না বরং ছিল সরকারি প্যারা মিলিশিয়া বাহিনি... তবে তাদের এই চেহারাটারে গোপন কইরা রাখছিল বাকশালি-মিডিয়া (পিআলো, ডিস্টার গং), এখনো অই বয়ানটা রয়া গেছে, বা ফিরায়া নিয়া আসার ট্রাই করা হইতে পারে, যেই জায়গাটাতে আমাদের খেয়াল করাটা দরকার আসলে

ইমরুল হাসান

23 Oct, 17:02


আমার সবচে পছন্দের টিভি-সিরিজ হইতেছে 'বেটার কল সল' আর 'ব্রেকিং ব্যাড'; তো সিরিজ দুইটা অন্য অনেক কিছুর পাশাপাশি সমাজের মানুশের লিগাল ও মোরাল জায়গাগুলারে খুব সুন্দরভাবে ডিল করে...

ব্রেকিং ব্যাডের একটা সিনে, মেইন কারেক্টার ওয়াল্টার হ্যাঙ্ক'রে কয়, দেখো, ১৯৩০ সালের ২২শে মার্চের আগ পর্যন্ত বিয়ার খাওয়া ছিল ক্রাইম, আর ২৩ তারিখে গিয়া সেইটা আর ক্রাইম থাকলো না! কি এমন ঘটলো যে, একদিন আগে যেইটা ক্রাইম ছিল, একদিন পরে সেইটা আর ক্রাইম থাকলো না! একদিন আগে যেই কাজ করার জন্য সে ক্রিমিনাল ছিল, এখন সেইটা কিছুই না!... মানে, সে তার ড্রাগস বানানির পক্ষে মরিয়া হয়া একটা 'যুক্তি' খুঁজতেছিল আসলে

তো, ছাত্রলিগ যে নিষিদ্ধ হইলো, এইটা তো একদিনের ঘটনা না! এখন যারা ছাত্রলিগ করতো, আওমি-লিগ করতো, তারা যে সমাজে থাকতে পারবে না - তা তো না, এই সংগঠন'টা সমাজে থাকবে না; যারা ছাত্রলিগের সার্পোটার ছিলেন, আওমি-লিগের সার্পোটার ছিলেন কিনতু কোন অন্যায় করেন নাই, তারা পলিটিকস করতে পারবেন না - বেপারটা এইরকমও না, গনতান্ত্রিক অধিকার কমিটি, নাগরিক শক্তিসহ নানান রকম ফোরামগুলার ভিতর দিয়া উনাদের অনেকে রি-ফর্মড হইতেছেন, হবেনও...

পলিটিকাল ফোর্স হিসাবে উনারা কখনোই নাই হয়া যাবেন না; লিবারালদের বিজয়ের পরে ফার-রাইট উইংগুলা কি ধিরে ধিরে ফিরা আসে নাই জার্মানিতে, ইউরোপে! কিনতু নাজি-পার্টি তো রিভাইভ করতে পারে না! এইরকম বাংলাদেশেও 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা'র বেচা-বিক্রি চলবে, একটা গ্রুপ থাকবে এর পলিটিকাল কনজিউমার হিসাবে, 'ধর্ম-নিরেপক্ষ' বা সেকুলার ভাবধারাও থাকবে, নতুন পলিটিকাল দলগুলার অনেকেই এর অনেকগুলা ফিচার'রে একোমোডেড করতে চাইবে, করবে...

মানে, ছাত্রলিগ নিষিদ্ধ হওয়ার মানে যে 'মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির' পরাজয় - এইরকম অনেকে বুঝাইতে চাইবেন, কিনতু এইটা সত্যি কথা না; ছাত্রলিগ নিষিদ্ধ হওয়া মানে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী-রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়া, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষের লগে এর কোন রেলিভেন্সই নাই; বরং এইরকমের যে ভুয়া-নেরেটিভ বাকশালি-মিডিয়া ক্রিয়েট কইরা রাখছিল সেই জায়গাগুলা থিকা বাইর হয়া আসতে চাওয়ার ফার্স্ট স্টেইপ অনেকটা...

ইমরুল হাসান

20 Oct, 01:51


মুক্তিযুদ্ধের যেই ভুয়া নেরেটিভ'টার উপর ভর দিয়া বাংলাদেশে ইনডিয়ার-দালালি টিইকা ছিল বাংলাদেশে, সেইটা নিয়া তো কথা বলা শুরু করা দরকার; তো, ইনিশিয়ালি একটু কথা বলছি আমি, এইটা ফ্যাক্টচুয়াল কোন আলাপ না, বরং পারসপেক্টিভের জায়গা থিকা কোন জিনিসগুলারে আমরা ভুল-ভাবে দেইখা আসতেছি, অইরকম ৩টা জায়গা নিয়া কথা...

(প্লিজ, ইগনোর মাই ভিডিও কোয়ালিটি ও আমার চেহারা, এন্ড ডোন্ট এক্সপেক্ট সুন্দর ও স্মুথ কথা, আমি ভালো-বক্তা না, কিনতু তাই বইলা চুপ কইরা তো থাকা যায় না, কথা তো বলা লাগবে, তাই না? তাই আগে-ভাগেই সরি ফর নট আপ-টু-মার্ক পারফরমেন্স...)

https://youtu.be/1hT-d6-LlzA?si=6YVE-wo1iMWeahpf