বাঁশেরকেল্লা - Basherkella @basherkella Telegramチャンネル

বাঁশেরকেল্লা - Basherkella

বাঁশেরকেল্লা - Basherkella
Official Telegram Channel of Basherkella Page.
Page Link: https://www.facebook.com/Basherkella05
235,012 人の購読者
34,852 枚の写真
5,817 本の動画
最終更新日 28.02.2025 00:08

বাঁশেরকেল্লা: একটি সাংস্কৃতিক প্রতীক

বাঁশেরকেল্লা, যা সাধারণত Basherkella নামেই পরিচিত, বাংলাদেশে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম। এই প্ল্যাটফর্মটি তরুণ সমাজকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রমে যুক্ত করতে সাহায্য করে। বাঁশেরকেল্লা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য একটি সেতু হিসেবে কাজ করে। সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোতে বিশেষ করে ফেসবুকের মাধ্যমে এটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাঁশেরকেল্লার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম তাদের প্রতিভা এবং প্রতিক্রিয়া প্রকাশের সুযোগ পায়, যা তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তোলে এবং তাদের মধ্যে একটি সংস্কৃতি তৈরি করে। এই প্ল্যাটফর্মটি স্থানীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, সৃজনশীল লেখালেখি এবং শিল্পকলার মাধ্যমে তরুণদের উৎসাহিত করে।

বাঁশেরকেল্লা কি ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে?

বাঁশেরকেল্লা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, যার মধ্যে রয়েছে নাটক, সংগীত, নৃত্য এবং কবিতা পাঠের অনুষ্ঠান। এই ধরনের কার্যক্রম তরুণদের মানসিক বিকাশে সাহায্য করে এবং তাদের সৃজনশীলতার উৎসাহ জোগায়। কাজেই এই প্ল্যাটফর্মে তরুণরা তাদের শিল্পের মাধ্যমে নিজেদের পরিচয় তৈরি করার সুযোগ পায়।

এছাড়াও, বাঁশেরকেল্লা বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতা প্রকল্পের ওপরও কাজ করে। যেমন, পরিবেশ সংরক্ষণ, শিক্ষা সচেতনতা, এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক ক্যাম্পেইন। এর ফলে, তরুণদের মধ্যে সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়।

কিভাবে বাঁশেরকেল্লা তরুণদের সমর্থন করে?

বাঁশেরকেল্লা তরুণদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে, যেখানে তারা নিজেদের প্রতিভা শোষণ করতে পারে। এটি তাদেরকে নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়, যা তাদেরকে নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করতে সহায়ক। এছাড়া, বাঁশেরকেল্লা তরুণদের মাঝে সহানুভূতি এবং সহযোগিতার একটি সংস্কৃতি গড়ে তোলে।

এই প্ল্যাটফর্মটি তরুণদের জন্য বিভিন্ন কর্মশালার আয়োজন করে, যেখানে তারা তাদের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পায়। এই কর্মশালাগুলোতে তাঁরা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে এবং একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করে।

বাঁশেরকেল্লার সামাজিক প্রভাব কি?

বাঁশেরকেল্লা বাংলাদেশের তরুণ সমাজের মধ্যে একটি ইতিবাচক সামাজিক প্রভাব ফেলেছে। এটি তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদের সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক। বাঁশেরকেল্লার কার্যক্রমগুলো সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে একতাবদ্ধতা সৃষ্টি করে।

এটি সমাজের বিভিন্ন সমস্যার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং তরুণদেরকে তাদের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হতে উৎসাহিত করে। এইভাবে, বাঁশেরকেল্লা শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং একটি সামাজিক আন্দোলন হিসেবে কাজ করছে।

বাঁশেরকেল্লার সাথে যুক্ত হওয়ার উপায় কি?

যারা বাঁশেরকেল্লার সাথে যুক্ত হতে চান, তারা তাদের অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেল এবং ফেসবুক পেজে যোগদান করতে পারেন। এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া যায়।

এছাড়া, বাঁশেরকেল্লার সদস্যপদ গ্রহণ করে, তরুণরা বিভিন্ন কর্মশালায় এবং অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন, যা তাদেরকে আরও উন্নত করার সুযোগ দেবে।

বাঁশেরকেল্লার মূল উদ্দেশ্য কি?

বাঁশেরকেল্লার মূল উদ্দেশ্য হলো তরুণদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং তাদের নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করা। এটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য একটি সেতু হিসেবে কাজ করে।

এছাড়া, বাঁশেরকেল্লা একটি নিরাপদ এবং সাপোর্টিভ পরিবেশ সৃষ্টি করে, যেখানে তরুণরা নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে এবং একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ পায়।

বাঁশেরকেল্লা - Basherkella テレグラムチャンネル

বাঁশেরকেল্লা - Basherkella চ্যানেলটি ব্যক্তিগত ও সামাজিক সমস্যা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে। এই চ্যানেলে আমরা বিভিন্ন সুস্থ, বিশ্বাসঘাতক ও রাজনৈতিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি। Basherkella পেজের অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেল হওয়ায়, এখানে আপনি পাবেন রোজানা আপডেট এবং গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। যদি আপনার জমি আরও বড় হোক, আপনার মতামত প্রকাশ করুন এবং অন্যান্য সদস্যদের সাথে আলোচনা করুন। Basherkella পেজ লিঙ্ক: https://www.facebook.com/Basherkella05

বাঁশেরকেল্লা - Basherkella の最新投稿

Post image

নামাজের সময়সূচি

28 Feb, 00:03
114
Post image

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩

ভারতীয় মদদপুষ্ট আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের দেওয়া আল্লামা সাঈদী (রহ.) এর ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে যেদিন বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইল জুড়ে ইসলামপ্রিয় তাওহীদবাদী জনতার উপর নির্বিচারে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। শুধুমাত্র ২৮ ফেব্রুয়ারিতেই সারাদেশে হত্যা করা হয় নারীসহ অন্তত ৭০ জনকে। সব মিলিয়ে ৮ দিনে নিহতের সংখ্যা ১৫৫ জন।

#28Feb2013
#Feb28Genocide

27 Feb, 20:19
2,152
Post image

২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় মদদপুষ্ট আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের দেওয়া আল্লামা সাঈদী (রহ.) এর ফাঁসির রায়কে প্রত্যাখ্যান করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সাথে রাজপথে নেমেছিল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরাও। অথচ জামায়াতের শহীদ নেতাদের সাথে এই সংখ্যালঘুদের জড়িয়ে মিথ্যাচার করে বেড়ায় আওয়ামী শাহবাগীরা।

#28Feb2013
#Feb28Genocide

27 Feb, 18:17
4,894
Post image

দেশ চালানোর মতো যোগ্যতাসম্পন্ন লোক কি জামায়াতের আছে?

১. সম্প্রতি অনেকেই এই প্রশ্নটি করছেন। সর্বশেষ জনপ্রিয় অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফাহাম আব্দুস সালামও করেছেন। এমনকি জামায়াতের ভেতরে কিংবা জামায়াতকে ভালোবাসেন এমন অনেকেও এই প্রশ্নটি করছেন। এই প্রশ্নটি নিজেই জামায়াতের জন্য একটি ইতিবাচক দিক। এর মানে হলো, এসব মানুষ জামায়াতকে ক্ষমতার কাছাকাছি মনে করছেন।

২. একটি দেশ পরিচালনায় সব লোক এক নম্বর দল থেকেই হতে হবে—এমন কোনো যৌক্তিকতা নেই এবং তা সম্ভবও নয়। বিশ্বে হাতে গোনা দু-একটি উদাহরণ থাকতে পারে কিন্তু ঢালাওভাবে কোথাও হয়নি। তাহলে কিভাবে হয়? ক্ষমতাসীন দলগুলো যোগ্য লোকদের অন্তর্ভুক্ত (ইন্টিগ্রেশন) করে। জামায়াতও তাই করবে। যেকোনো সেক্টরে যেকোনো লোক যদি যোগ্য ও সৎ হন, তাহলে জামায়াত তাকে বাদ দেবে কেন? সেই ব্যক্তি পুরুষ না মহিলা, মুসলিম না অমুসলিম—এটা পরের হিসাব। যোগ্য লোককে জামায়াত অবশ্যই তার প্রাপ্য মূল্যায়ন করবে। ইতোমধ্যে জামায়াতের আমির বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন এবং বারবারই বলেছেন যে, "আমরা সবাইকে নিয়েই দেশকে গড়তে চাই। এখানে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই নাগরিক।" পাশাপাশি নারীদের ক্ষেত্রেও জামায়াতের আমির বারবার বলেছেন, "নারীরা তাদের নিজ নিজ জায়গায় কাজ করবে। এতে কোনো সমস্যা নেই।" মোদ্দাকথা, জামায়াত ক্ষমতায় এলে সব জায়গায় কেবল নিজের রুকনদের বসাবে—এই ধারণাটি অসার। বিশেষত আমলা ও টেকনিক্যাল জায়গাগুলোতে জামায়াত অন্তর্ভুক্তি (ইন্টিগ্রেশন) করবে এবং যোগ্য ও সৎদের অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়োগ দেবে।

৩. গত কয়েকটি সরকারে যারা মন্ত্রী ছিলেন, তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড আমরা দেখেছি। হাতে গোনা দু-একজন ছাড়া অধিকাংশই ছিলেন অনভিজ্ঞ। আপনাদের মনে থাকার কথা, ২০০৯ সালে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা তার কোনো ডাকসাইটের নেতাকে মন্ত্রী বানায়নি। আমি হলফ করে বলতে পারি, গত তিনটি সরকারের সময় যারা মন্ত্রী ছিলেন, জামায়াতের মধ্যে তাদের তুলনায় অনেক বেশি যোগ্য লোক রয়েছে। জনগণ যদি জামায়াতকে ভোট দেয়, তবে নিশ্চিতভাবে এদের চেয়ে অনেক যোগ্য ও সৎ লোকই মন্ত্রিসভায় আসবে। পাশাপাশি জামায়াত একাই সকল মন্ত্রনালয় চালানোর চিন্তা করেনা, সবাইকে নিয়েই দেশ গড়বে। অবশ্যই অন্যান্য দল থেকে গুরুত্বপূর্ণ লোকদের মন্ত্রী করবে।

৪. বিগত সরকারগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণ করেছেন হাতে গোনা কয়েকজন ব্যক্তি, যারা সত্যিই একাডেমিকভাবে দক্ষ ছিলেন। যেমন: ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় গওহর রিজভী কিংবা তার মতো ব্যক্তিরা। আমি যতটুকু জানি, এই জায়গাতেও জামায়াত সিগনিফিকেন্ট কাজ করছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়ে কয়েক শত তরুণ বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করেছেন এবং বর্তমানে শিক্ষকতা করছেন অথবা বড় বড় মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি ও ইন্ডাস্ট্রীতে উচ্চপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা জামায়াতের আমিরের একটি নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন। জামায়াতের আমির যদি বলেন, "তোমরা দেশে আসো," তবে কয়েকশ উচ্চ শিক্ষিত ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মানুষ দেশে আসার জন্য প্রস্তুত যারা সংশ্লিষ্ট সেক্টরগুলোকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন।

৫. জামায়াতের আমিরের একটি চমৎকার গুণ রয়েছে—তিনি সংগঠনের ভেতরে ও বাইরে যেকোনো মানুষের সঙ্গে সহজেই মিশতে পারেন এবং যোগ্য ব্যক্তিদের স্ব স্ব জায়গায় কাজে লাগাতে পারেন। তিনি এভাবে কাজে লাগাচ্ছেন এবং নানা সেক্টরে স্ট্রং টিম তৈরী করছেন। পাশাপাশি আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি যে, তিনি কখনো "সবকিছুই আমার বা আমার দলের হতে হবে"—এমন চিন্তা করেন না। জামায়াত সরকার গঠন করলে তিনি সবাইকে (বিভিন্ন দল ও জোট এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ ) নিয়ে কাজ করবেন।

সুতরাং, জামায়াতকে ভোট দিলে কিভাবে দেশ চালাবে—সেটা আর চিন্তা করার দরকার নেই। জামায়াত যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করে, তবে সেরা সরকারই উপহার দেবে।

- ড. হাফিজুর রহমান

27 Feb, 17:24
6,730